মূল বিষয়বস্তুতে যান

circa 6 BC – AD 30

The Life of Jesus

The eternal Son of God enters history: born in Bethlehem, baptized in the Jordan, crucified at Golgotha, raised on the third day.

3,779 টি পদ · 4 টি পুস্তক অন্তর্ভুক্ত

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. ¶ শুরুতে বাক্য ছিলেন এবং বাক্য ঈশ্বরের সঙ্গে ছিলেন এবং বাক্যই ঈশ্বর ছিলেন।

  2. এই এক বাক্য শুরুতে ঈশ্বরের সাথে ছিলেন।

  3. যোহন ১:৩আনু. ৪০০৪ খ্রিস্টপূর্ব

    সব কিছুই তাঁর মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে, যা হয়েছে, তার কোনো কিছুই তাঁকে ছাড়া সৃষ্টি হয়নি।

  4. যোহন ১:৪আনু. ৪০০৪ খ্রিস্টপূর্ব

    তাঁর মধ্যে জীবন ছিল এবং সেই জীবন মানবজাতির আলো ছিল।

  5. যোহন ১:৫আনু. ৪০০৪ খ্রিস্টপূর্ব

    সেই আলো অন্ধকারের মধ্যে দীপ্তি দিচ্ছে, আর অন্ধকার আলোকে জয় করতে পারল না।

  6. যোহন ১:৬আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    ঈশ্বর একজন মানুষকে পাঠালেন তাঁর নাম ছিল যোহন।

  7. যোহন ১:৭আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    তিনি স্বাক্ষী হিসাবে এসেছিলেন সেই আলোর জন্য সাক্ষ্য দিতে, যেন সবাই তাঁর সাক্ষ্য শুনে বিশ্বাস করে।

  8. যোহন ১:৮আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    যোহন সেই আলো ছিলেন না, কিন্তু তিনি এসেছিলেন যেন সেই আলোর বিষয়ে তিনি সাক্ষ্য দিতে পারেন।

  9. যোহন ১:৯আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    তিনিই প্রকৃত আলো যিনি পৃথিবীতে আসছিলেন এবং যিনি সব মানুষকে আলোকিত করবেন।

  10. যোহন ১:১০আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    তিনি পৃথিবীর মধ্যে ছিলেন এবং পৃথিবী তাঁর দ্বারা সৃষ্টি হয়েছিল আর পৃথিবী তাঁকে চিনত না।

  11. যোহন ১:১১আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    তিনি তাঁর নিজের জায়গায় এসেছিলেন আর তাঁর নিজের লোকেরাই তাঁকে গ্রহণ করল না।

  12. যোহন ১:১২আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    কিন্তু যতজন মানুষ তাঁকে গ্রহণ করল, যারা তাঁর নামে বিশ্বাস করল, সেই সব মানুষকে তিনি ঈশ্বরের সন্তান হওয়ার অধিকার দিলেন,

  13. যোহন ১:১৩আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    যাদের জন্ম রক্ত থেকে নয়, মাংসিক অভিলাস থেকেও নয়, মানুষের ইচ্ছা থেকেও নয়, কিন্তু ঈশ্বরের ইচ্ছা থেকেই হয়েছে।

  14. যোহন ১:১৪আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    এখন সেই বাক্য দেহে পরিণত হলেন এবং আমাদের সাথে বসবাস করলেন। আমরা তাঁর মহিমা দেখেছি, যা পিতার কাছ থেকে আসা একমাত্র পুত্রের যে মহিমা, সেই অনুগ্রহে ও সত্যে পূর্ণ মহিমা আমরা দেখেছি।

  15. যোহন ১:১৫আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    যোহন তাঁর বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়ে চিত্কার করে বললেন, “ইনি সে জন যাঁর সম্বন্ধে আমি আগে বলেছিলাম, যিনি আমার পরে আসছেন, তিনি আমার থেকে অনেক মহান, কারণ তিনি আমার আগে ছিলেন।”

  16. যোহন ১:১৬আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ তাঁর পূর্ণতা থেকে আমরা সবাই অনুগ্রহের উপর অনুগ্রহ পেয়েছি।

  17. যোহন ১:১৭আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ ব্যবস্থা মোশির মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল আর অনুগ্রহ ও সত্য যীশু খ্রীষ্টর মাধ্যমে এসেছে।

  18. যোহন ১:১৮আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    ঈশ্বরকে কেউ কখনও দেখেনি। সেই এক ও একমাত্র ব্যক্তি, যিনি নিজে ঈশ্বর, যিনি পিতার সঙ্গে আছেন, তিনিই তাঁকে প্রকাশ করেছেন।

  19. যোহন ১:১৯আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ এখন যোহনের সাক্ষ্য হল, যখন ইহূদি নেতারা কয়েক জন যাজক ও লেবীয়কে যিরূশালেম থেকে যোহনের কাছে এই কথা জিজ্ঞাসা করতে পাঠাল, আপনি কে?

  20. যোহন ১:২০আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    তিনি অস্বীকার না করে স্পষ্ট কথায় উত্তর দিলেন, “আমি সেই খ্রীষ্ট নই।”

  21. যোহন ১:২১আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    আর তারা তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, “তবে আপনি কে? আপনি কি এলিয়?” তিনি বললেন, “আমি না।” তারা বলল, “আপনি কি ভাববাদী?” তিনি উত্তরে বললেন, “না”

  22. যোহন ১:২২আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    তখন তারা তাঁকে বলল, “আপনি কে বলুন, যাতে, যাঁরা আমাদের পাঠিয়েছেন, তাঁদেরকে আমরা উত্তর দিতে পারি। আপনি আপনার নিজের বিষয়ে কি বলেন?”

  23. যোহন ১:২৩আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    তিনি বললেন, “মরূপ্রান্তে একজন চিত্কার করে ঘোষণা করছে, আমি হলাম তাঁর রব; যেমন যিশাইয় ভাববাদীর বইতে যেমন লেখা আছে, তোমরা প্রভুর রাজপথ সোজা কর,”।

  24. যোহন ১:২৪আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    আর যাদেরকে যোহনের কাছে পাঠানো হয়েছিল তারা ছিল ফরীশী। তারা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলো এবং বলল

  25. যোহন ১:২৫আনু. ৫ খ্রিস্টাব্দ

    আপনি যদি সেই খ্রীষ্ট না হন, এলিয় না হন, সেই ভাববাদীও না হন, তবে বাপ্তিষ্ম দিচ্ছেন কেন?