Skip to content

Strife সম্পর্কে বাইবেলের পদ

158 টি পদ · 57 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. কারণ এই রকম লোকেরা আমাদের প্রভু খ্রীষ্টের ধন্যবাদের দাস হয় না, কিন্তু তার নিজের পেটের সেবা করে। মধুর কথা এবং আত্মতৃপ্তি কর কথা দিয়ে সরল লোকদের মন ভোলায়।

  2. ¶ কিন্তু হে ভাই এবং বোনেরা, আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের নামে আমি তোমাদেরকে অনুরোধ করে বলি, তোমরা সবাই একই কথা বল, তোমাদের মধ্যে দলাদলি না হোক, কিন্তু যেন তোমাদের এক মন হয় ও বিচারে একমত হও।

  3. কারণ, হে আমার ভাইয়েরা, আমি ক্লোয়ীর পরিবারের লোকেদের কাছ থেকে তোমাদের বিষয়ে খবর পেয়েছি যে, তোমাদের মধ্যে বিবাদ (দলাদলি) আছে।

  4. আমি এই কথা বলছি যে, তোমরা সবাই বলে থাক, “আমি পৌলের,” আর আমি “আপল্লোর,” আর আমি “কৈফার,” আর আমি “খ্রীষ্টের।”

  5. খ্রীষ্ট কি ভাগ হয়েছেন? পৌল কি তোমাদের জন্য ক্রুশে মৃত্যুবরণ করেছে? অথবা তোমরা কি পৌলের নামে বাপ্তিষ্ম নিয়েছ?

  6. ¶ আর, হে ভাইয়েরা, আমি তোমাদেরকে আত্মিক লোকদের মতো কথা বলতে পারি নি, কিন্তু মাংসিক লোকদের মতো, খ্রীষ্টের বিষয় শিশুদের মতো কথা বলেছি।

  7. কারণ এখনও তোমরা মাংসিক ই আছ; বাস্তবিক যখন তোমাদের মধ্যে হিংসা এবং ঝগড়া আছে, তখন তোমরা কি মাংসিক না এবং মানুষের রীতি মেনে কি চলছ না?

  8. কারণ যখন তোমাদের একজন বলে, “আমি পৌলের,” আর একজন, “আমি আপল্লোর,” তখন তোমরা কি সাধারণ (জাগতিক) মানুষের মতো বল না?

  9. হে ভাইয়েরা ও বোনেরা, আমি আমার নিজের ও আপল্লোর উদাহরণ দিয়ে তোমাদের জন্য এই সব কথা বললাম; যেন আমাদের কাছ থেকে তোমরা এই শিক্ষা পাও যে, যা লেখা আছে, তা অতিক্রম করতে নেই, তোমরা কেউ যেন একজন অন্য জনের বিপক্ষে মনে অহঙ্কার না কর।

  10. কারণ কে তোমাদের মধ্য পক্ষপাতিত্ব সৃষ্টি করেছে? আর এমনকি আছে যা তোমরা বিনামূল্যে পাও নি, এমনই বা তোমার কি আছে? আর যখন পেয়েছ; আর যা পাও নি, এমন মনে করে কেন অহঙ্কার করছ?

  11. ¶ তোমাদের মধ্য কি কারও সাহস আছে যে, আর এক জনের বিরুদ্ধে কোন কথা থাকলে তার বিচার পবিত্র ভাইদের কাছে নিয়ে না গিয়ে অধার্ম্মিক নেতাদের কাছে নিয়ে যায়?

  12. অথবা তোমরা কি জান না যে, ঈশ্বরের পবিত্র লোকেরা জগতের বিচার করবেন? আর জগতের বিচার যদি তোমরা কর, তবে তোমরা কি সামান্য বিষয়ের বিচার করতে যোগ্য নও?

  13. তোমরা কি জান না যে, আমরা স্বর্গ দূতদের বিচার করব? তাহলে এই জীবনের বিষয়গুলো তো সামান্য বিষয়।

  14. অতএব তোমরা যদি দৈনন্দিন জীবন সংক্রান্ত বিষয়ের বিচার কর, তবে মণ্ডলীতে যারা কিছুরই মধ্যে গণ্য নয়, তাদেরকেই কেন বিচারে বসাও?

  15. আমি তোমাদের লজ্জার জন্য এই কথা বলছি। এটা কেমন? তোমাদের মধ্যে কি এমন জ্ঞানী একজনও নেই যে, ভাইয়েদের মধ্য ঝগড়া হলে তার বিচার করতে পারে?

  16. কিন্তু ভাইয়ের সঙ্গে ভাই বিচার স্থানে ঝগড়া করে, তা আবার অবিশ্বাসীদের (জগতের লোকদের) কাছে।

  17. তোমরা যে পরস্পরের বিরুদ্ধে বিচার চাও, এতে বরং তোমাদেরই বিশেষ ক্ষতি হচ্ছে। বরং অন্যায় সহ্য কর না কেন? বরং বঞ্চিত হও না কেন?

  18. কেউ যদি এই বিষয়ে তর্ক করতে চায়, তবে এই ধরনের ব্যবহার আমাদের নেই এবং ঈশ্বরের মণ্ডলীদের মধ্যেও নেই।

  19. ¶ এই নির্দেশ দেবার জন্য আমি তোমাদের প্রশংসা করি না, কারণ তোমরা যে সমবেত হয়ে থাক, তাতে ভাল না হয়ে বরং খারাপই হয়।

  20. কারণ প্রথমে, শুনতে পাচ্ছি, যখন তোমরা মণ্ডলীতে একত্র হও, তখন তোমাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়ে থাকে এবং এটা কিছুটা বিশ্বাস করেছি।

  21. আর বাস্তবিক তোমাদের মধ্যে দল বিভাগ হওয়া আবশ্যক, যেন তোমাদের সামনে যারা প্রকৃত তাদের চেনা যায়।

  22. কিন্তু যখন আমি তোমাদের কাছে আসব, আমি যেরকম ইচ্ছা করেছিলাম আমি তোমাদের সেরকম দেখতে পাবনা। আমি যখন তোমাদের কাছে আসব আমাকে কিছু শোনাতে চাইবে না। আমি ভয় পাচ্ছি যে তোমরা তোমাদের মধ্যে ঝগড়া করবে, একে অপরকে হিংসা করবে, তোমাদের মধ্যে কেউ রাগ করবে। আমি ভয় পাচ্ছি তোমাদের মধ্যে কেউ নিজেকে প্রধান করবে, যা নিয়ে তোমরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলবে এবং তোমাদের মধ্যে কেউ খুব স্বার্থপর হবে।

  23. তোমাদের বিষয়ে প্রভুতে আমার এমন দৃঢ় আশা আছে যে, তোমরা আর অন্য কোন বিষয়ে মনে চিন্তা করো না, কিন্তু যে তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করে, সে ব্যক্তি যেই হোক, সে তার বিচার দন্ড ভোগ করবে।

  24. কিন্তু তোমরা যদি একজন অন্য জনের সঙ্গে কামড়া-কামড়ি ও গ্রাস কর, তবে দেখো, যেন একজন অন্য জনের মাধ্যমে ধ্বংস না হও।

  25. আবার দেহের যে সমস্ত কাজ তা প্রকাশিত, সেগুলি এই বেশ্যাগমন, অপবিত্রতা, লালসা,