circa 6 BC – AD 30
The Life of Jesus
The eternal Son of God enters history: born in Bethlehem, baptized in the Jordan, crucified at Golgotha, raised on the third day.
এই কালের পদ
- মার্ক ১:৩০আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ তখন শিমোনের শ্বাশুড়ীর জ্বর হয়েছে বলে শুয়ে ছিলেন; আর তাঁরা দেরী না করে তার কথা যীশুকে বললেন;
- মার্ক ১:৩১আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ তখন তিনি কাছে গিয়ে তার হাত ধরে তাকে ওঠালেন। তখন তার জ্বর ছেড়ে গেল, আর যীশু তাঁদের সেবাযত্ন করতে লাগলেন।
- মার্ক ১:৩২আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ পরে সন্ধ্যার দিন, সূর্য্য ডুবে যাওয়ার পর মানুষেরা সব অসুস্থ লোককে এবং ভূতগ্রস্তদের তাঁর কাছে আনল।
- মার্ক ১:৩৩আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ আর শহরের সমস্ত লোক দরজার কাছে জড়ো হল।
- মার্ক ১:৩৪আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ তাতে তিনি নানা প্রকার রোগে অসুস্থ অনেক লোককে সুস্থ করলেন এবং অনেক ভূত ছাড়ালেন আর তিনি ভূতদের কথা বলতে দিলেন না, কারণ তারা তাঁকে চিনত যে, তিনি কে।
- মার্ক ১:৩৫আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ খুব সকালে যখন অন্ধকার ছিল, তিনি উঠে বাইরে গেলেন এবং নির্জন জায়গায় গিয়ে সেখানে প্রার্থনা করলেন।
- মার্ক ১:৩৬আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ শিমোন ও তাঁর সঙ্গীরা যারা যীশুর সঙ্গে ছিল তাঁকে খুঁজতে গেলেন।
- মার্ক ১:৩৭আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ তাঁকে পেয়ে তারা বললেন, “সবাই আপনার খোঁজ করছে।”
- মার্ক ১:৩৮আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ তিনি তাঁদেরকে বললেন, “চল, আমরা অন্য জায়গায় যাই, কাছাকাছি কোনো গ্রামে যাই, আমি সেই সব জায়গায় প্রচার করব, কারণ সেইজন্যই আমি এসেছি।”
- মার্ক ১:৩৯আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ পরে তিনি গালীল দেশের সব জায়গায় লোকদের সমাজঘরে গিয়ে প্রচার করলেন ও ভূত ছাড়াতে লাগলেন।
- মার্ক ১:৪০আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ একজন কুষ্ঠ রুগী এসে তাঁর কাছে অনুরোধ করে ও হাঁটু গেড়ে বলল, যদি আপনার ইচ্ছা হয়, আমাকে শুদ্ধ করতে পারেন।
- মার্ক ১:৪১আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ তিনি করুণার সাথে হাত বাড়িয়ে তাকে স্পর্শ করলেন, তিনি বললেন, “আমার ইচ্ছা, তুমি শুদ্ধ হয়ে যাও।”
- মার্ক ১:৪২আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ “সেই মুহূর্তে কুষ্ঠরোগ তাকে ছেড়ে গেল, সে শুদ্ধ হল।”
- মার্ক ১:৪৩আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ তিনি তাকে কঠোর আদেশ দিয়ে তাড়াতাড়ি পাঠিয়ে দিলেন,
- মার্ক ১:৪৪আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ যীশু তাকে বললেন, “দেখ, এই কথা কাউকেও কিছু বলো না; কিন্তু যাজকের কাছে গিয়ে নিজেকে দেখাও এবং লোকদের কাছে তোমার বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য মোশির দেওয়া আদেশ অনুযায়ী নৈবেদ্য উৎসর্গ কর, তাদের কাছে সাক্ষ্য হওয়ার জন্য যে তুমি সুস্থ হয়েছ।”
- মার্ক ১:৪৫আনু. ২৭ খ্রিস্টাব্দ
¶ কিন্তু সে বাইরে গিয়ে সে কথা এমন অধিক ভাবে প্রচার করতে ও চারদিকে বলতে লাগল যে, যীশু আর স্বাধীন ভাবে কোন শহরে ঢুকতে পারলেন না, কিন্তু তাঁকে বাইরে নির্জন জায়গায় থাকতে হলো; আর লোকেরা সব দিক থেকে তাঁর কাছে আসতে লাগল।
- মার্ক ২:১আনু. ৩১ খ্রিস্টাব্দ
¶ কয়েক দিন পরে যীশু আবার কফরনাহূমে চলে আসলে, সেখানকার মানুষেরা শুনতে পেল যে, তিনি ঘরে আছেন।
- মার্ক ২:২আনু. ৩১ খ্রিস্টাব্দ
¶ আর এত লোক তাঁর কাছে জড়ো হলো যে, দরজার কাছেও আর জায়গা ছিল না। আর তিনি তাদের কাছে ঈশ্বরের বাক্য শিক্ষা দিতে লাগলেন।
- মার্ক ২:৩আনু. ৩১ খ্রিস্টাব্দ
¶ তখন চারজন লোক একজন পক্ষাঘাতী রোগীকে বয়ে তাঁর কাছে নিয়ে যাচ্ছিল।
- মার্ক ২:৪আনু. ৩১ খ্রিস্টাব্দ
¶ কিন্তু সেখানে ভিড় থাকায় তাঁর কাছে আসতে না পেরে, তিনি যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন, সেই জায়গায় ছাদ খুলে ফেলে এবং ছিদ্র করে যে খাটে পক্ষাঘাতী রুগী শুয়েছিল সে খাটটাকে নামিয়ে দিল।
- মার্ক ২:৫আনু. ৩১ খ্রিস্টাব্দ
¶ তাদের বিশ্বাস দেখে যীশু সেই পক্ষাঘাতী রোগীকে বললেন, পুত্র, তোমার পাপ ক্ষমা করা হল।
- মার্ক ২:৬আনু. ৩১ খ্রিস্টাব্দ
¶ কিন্তু সেখানে কয়েকজন ধর্মশিক্ষকরা বসেছিলেন; তারা হৃদয়ে এই রকম তর্ক করতে লাগলেন,
- মার্ক ২:৭আনু. ৩১ খ্রিস্টাব্দ
¶ এ মানুষটি এই রকম কথা কেন বলছে? এ যে ঈশ্বরনিন্দা করছে; সেই একজন, অর্থাৎ ঈশ্বর ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করতে পারে?
- মার্ক ২:৮আনু. ৩১ খ্রিস্টাব্দ
¶ তারা মনে মনে এই রকম চিন্তা করছে, এটা যীশু তখনই নিজ আত্মাতে বুঝতে পেরে তাদের বললেন, “তোমরা হৃদয়ে এমন চিন্তা কেন করছ?”
- মার্ক ২:৯আনু. ৩১ খ্রিস্টাব্দ
¶ পক্ষাঘাতী রোগীক কোনটা বলা সহজ, তোমার পাপ ক্ষমা করা হল বলা, না ওঠ তোমার বিছানা তুলে হেঁটে বেড়াও বলা?