মূল বিষয়বস্তুতে যান

Joseph

199 টি পদ · 17 জন পরিবারের সদস্য

Joseph-এর উল্লেখ থাকা পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. ¶ তখন যোষেফ সন্তানদের গোষ্ঠীগুলির মধ্যে মনঃশির নাতি মাখীরের ছেলে গিলিয়দের সন্তানদের গোষ্ঠীর বংশধরদের নেতারা এসে মোশির ও নেতাদের সামনে, ইস্রায়েল সন্তানদের পূর্বপুরুষের নেতাদের সামনে, কথা বললেন।

  2. তখন মোশি সদাপ্রভুর বাক্য অনুসারে ইস্রায়েল সন্তানদের আদেশ করলেন, বললেন, “যোষেফের সন্তানদের বংশ ঠিকই বলছে।

  3. যোষেফের ছেলে মনঃশির সন্তানদের গোষ্ঠীর মধ্যে তাদের বিয়ে হল; তাতে তাদের অধিকার তাদের বাবার গোষ্ঠীর সম্পর্কীয় বংশেই থাকল।

  4. তোমরা যর্দ্দন (নদী) পার হলে পর শিমিয়োন, লেবি, যিহূদা, ইষাখর, যোষেফ ও বিন্যামীন, এরা লোকদেরকে আশীর্বাদ করার জন্য গরিষীম পর্বতে দাঁড়াবে।

  5. আর যোষেফের বিষয়ে তিনি বললেন, “তার দেশ সদাপ্রভুর আশীর্বাদযুক্ত হোক, আকাশের মূল্যবান জিনিস ও শিশিরের মাধ্যমে, নীচে বিস্তীর্ণ জলের মাধ্যমে,

  6. পৃথিবীর মূল্যবান জিনিস ও প্রাচুর্য্যতার মাধ্যমে; আর যিনি ঝোপবাসী, তার ভালো হোক; সেই আশীর্বাদ আসুক যোষেফের মাথায় এবং তার মাথার ওপরে যে তার ভাইদের ওপরে রাজত্ব করে।

  7. কারণ যোষেফ-সন্তানরা দুই বংশ হল, মনঃশি ও ইফ্রয়িম; আর লেবীয়দেরকে দেশে কোন অংশ দেওয়া গেল না, কেবল বাস করবার জন্য কতগুলি নগর এবং তাদের পশুপালের ও তাদের সম্পত্তির জন্য সেই সকল নগরের পশুপালনের মাঠগুলিও দেওয়া হল।

  8. ¶ আর গুলিবাঁটের মাধ্যমে যোষেফের সন্তানদের অংশ যিরীহোর কাছে যর্দ্দন, অর্থাৎ পূর্ব দিকের যিরীহোর জল পর্যন্ত, যিরীহো থেকে পার্বত্য দেশ দিয়ে ঊর্দ্ধগামী মরুভূমি দিয়ে বৈথেলে গেল;

  9. এই ভাবে যোষেফের সন্তানেরা মনঃশি ও ইফ্রয়িম তাঁদের নিজের নিজের অধিকার গ্রহণ করল।

  10. ¶ আর গুলিবাঁটের মাধ্যমে মনঃশি বংশের অংশ ঠিক করা হল, সে যোষেফের বড় ছেলে। কিন্তু গিলিয়দের পিতা, অর্থাৎ মনঃশির বড় ছেলে মাখীর যোদ্ধা বলে গিলিয়দ ও বাশন পেয়েছিল।

  11. আর [ঐ অংশ] নিজের নিজের গোষ্ঠী অনুসারে মনঃশির অন্য অন্য সন্তানদের হল; তারা এই এই, অবীয়েষরের সন্তানেরা, হেলকের সন্তানেরা, অস্রীয়েলের সন্তানেরা, শেখমের সন্তানেরা, হেফরের সন্তানেরা ও শমীদার সন্তানেরা; এরা নিজের নিজের গোষ্ঠী অনুসারে যোষেফের সন্তান, মনঃশির পুত্রসন্তান।

  12. পরে যোষেফের সন্তানেরা যিহোশূয়কে বলল, “আপনি অধিকার করার জন্য আমাদেরকে এক অংশ ও এক ভাগ কেন দিলেন? এখনও পর্যন্ত সদাপ্রভু আমাকে আশীর্বাদ করাতে আমি বড় জাতি হয়েছি।”

  13. যোষেফের সন্তানরা বলল, “এই পার্বত্য দেশ আমাদের জন্য যথেষ্ট নয় এবং যে সমস্ত কনানীয় উপত্যকায় বাস করে, বিশেষভাবে বৈৎ-শানে ও সেই জায়গার নগরগুলিতে এবং যিষ্রিয়েল উপত্যকায় বাস করে, তাদের লোহার রথ আছে।”

  14. তখন যিহোশূয় যোষেফের গোষ্ঠীকে অর্থাৎ ইফ্রয়িম ও মনঃশিকে বললেন, “তুমি বড় জাতি, তোমার ক্ষমতাও অনেক বেশি; তুমি শুধুমাত্র একটি অংশই পাবে না;

  15. তারা তা সাত ভাগে ভাগ করবে; দক্ষিণ দিকে যিহূদা তাদের সীমাতে থাকবে এবং উত্তর দিকে যোষেফের গোষ্ঠী তাদের সীমাতে থাকবে।

  16. ¶ আর গুলিবাঁট অনুযায়ী এক অংশ নিজেদের গোষ্ঠী অনুসারে বিন্যামীন-সন্তানদের বংশের নামে উঠল। গুলিবাঁটে নির্দিষ্ট তাদের সীমা যিহূদা-সন্তানদের ও যোষেফের সন্তানদের মধ্যে হল।

  17. আর ইস্রায়েল-সন্তানেরা যোষেফের হাড়, যা মিশর থেকে এনেছিল, তা শিখিমে সেই মাটিতে পুঁতে দিল, যা যাকোব একশ রৌপ্য-মুদ্রায় শিখিমের পিতা হমোরের সন্তানদের কাছ থেকে কিনে নিয়েছিলেন; আর তা যোষেফ-সন্তানদের অধিকার হল।

  18. আর যোষেফের বংশও বৈথেলের বিরুদ্ধে যাত্রা করল এবং সদাপ্রভু তাদের সহবর্ত্তী ছিলেন।

  19. যোষেফের লোকেরা বৈথেলের খোঁজ-খবর নিতে লোক পাঠালেন। আগে ঐ নগরের নাম লূস ছিল।

  20. ইমোরীয়েরা হেরস পর্বত, অয়ালোনে ও শালবীমে বসবাস করতে থাকল; কিন্তু যোষেফ-কুল তাদের পরাজিত করল, তাতে তারা তাদের দাস হল।

  21. আপনার দাস আমি জানি, আমি পাপ করেছি, এই জন্য দেখুন, যোষেফের সমস্ত বংশের মধ্যে প্রথমে আমিই আজ আমার প্রভু মহারাজের সঙ্গে দেখা করতে নেমে এসেছি৷”

  22. সেই দিন যারবিয়াম সেখানে কাজ করছিলেন এবং তাঁর কাজের বেশ সুনাম ছিল। শলোমন যখন দেখলেন যে, যুবকটি বেশ কাজের লোক তখন তিনি তাঁকে যোষেফের বংশের সমস্ত মজুরদের দেখাশোনার ভার দিলেন।

  23. দান, যোষেফ, বিন্যামীন, নপ্তালি, গাদ ও আশের।

  24. ¶ ইস্রায়েলের বড় ছেলে রূবেণের ছেলে যদিও তিনি বড় ছিলেন, কিন্তু তিনি নিজের বাবার বিছানা অপবিত্র করেছিলেন, এজন্য তাঁর বড় ছেলের অধিকার ইস্রায়েলের ছেলে যোষেফের ছেলেদের দেওয়া হল, আর বংশাবলির বড় ছেলে অনুসারে উল্লেখ করা হয় না।

  25. কারণ যিহূদা নিজের ভাইদের মধ্যে শক্তিশালী হল এবং তাঁর থেকেই নেতা সৃষ্টি হয়েছিল, কিন্তু বড় ছেলের অধিকার যোষেফের হল।