মূল বিষয়বস্তুতে যান

circa AD 48–96

Letters to the Churches

Paul and other apostles write to strengthen, correct, and encourage the scattered churches across the Roman world.

2,767 টি পদ · 21 টি পুস্তক অন্তর্ভুক্ত

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. রোমীয় ২:১৯আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    যদি তুমি নিশ্চিত মনে কর যে তুমিই অন্ধদের পথ-দর্শক এবং আলো যারা অন্ধকারে বাস করছে,

  2. রোমীয় ২:২০আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    বোকাদের সংশোধক, শিশুদের শিক্ষক এবং তোমার আইন কানুনের ও সত্যের জ্ঞান আছে।

  3. রোমীয় ২:২১আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    যদি তুমি অন্যকে শিক্ষা দাও, তুমি কি নিজেকে শিক্ষা দাও না? তুমি যখন চুরি করতে নেই বলে প্রচার কর, তুমি কি চুরি করো?

  4. রোমীয় ২:২২আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    তুমি যে ব্যভিচার করতে নাই বলছ, তুমি কি ব্যভিচার করছ? তুমি যে মুর্ত্তিপূজা ঘৃণা করছ, তখন কি তুমি মন্দির থেকে ডাকাতি করছ?

  5. রোমীয় ২:২৩আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    তুমি যে নিয়ম কানুনে আনন্দ ও গর্ব করছ, তুমি কি নিয়ম কানুন অমান্য করে ঈশ্বরের অসম্মান করছ?

  6. রোমীয় ২:২৪আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ ঠিক যেমন শাস্ত্রে লেখা আছে, সেই রকম তোমাদের মাধ্যমে অযিহুদিদের মধ্যে ঈশ্বরের নামের নিন্দা হচ্ছে।

  7. রোমীয় ২:২৫আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    যদি তুমি আইন কানুন মেনে চল তবে ত্বকছেদ করে লাভ আছে; কিন্তু যদি তুমি নিয়ম কানুন অমান্য কর তবে তোমার ত্বকছেদ অত্বকছেদ হয়ে পড়ল।

  8. রোমীয় ২:২৬আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    অতএব যদি অত্বকছেদ লোক ব্যবস্থার নিয়ম কানুন সব পালন করে, তবে তার অত্বকছেদ কি ত্বকছেদ বলে ধরা হবে না?

  9. রোমীয় ২:২৭আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    যার ত্বকছেদ করা হয়নি এমন লোক যদি নিয়ম কানুন মেনে চলে, তবে তোমার কাছে লিখিত আইন কানুন থাকা ও ত্বকচ্ছেদ সত্বেও যদি তুমি নিয়ম কানুন অমান্য কর, সে লোকটি কি তোমার বিচার করবে না?

  10. রোমীয় ২:২৮আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ বাইরে থেকে যে ইহূদি সে ইহূদি নয় এবং দেহের বাইরে যে ত্বকছেদ তাহা প্রকৃত ত্বকছেদ নয়।

  11. রোমীয় ২:২৯আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    কিন্তু অন্তরে যে ইহূদি সেই প্রকৃত ইহূদি এবং হৃদয়ের যে ত্বকছেদ যা অক্ষরে নয় কিন্তু আত্মায় সেটাই হলো ত্বকছেদ। সেই মানুষের প্রশংসা মানুষ থেকে হয় না কিন্তু ঈশ্বর থেকেই হয়।

  12. রোমীয় ৩:১আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ তবে ইহূদিদের বিশেষ সুবিধা কি আছে? এবং ত্বকছেদ করেই বা লাভ কি?

  13. রোমীয় ৩:২আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    এটা সব দিক থেকে মহান। প্রথমত, ঈশ্বরের প্রকাশিত বাক্যে তাদের বিশ্বাস ছিল।

  14. রোমীয় ৩:৩আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ কোনো ইহূদি যদি অবিশ্বাসী হয়ে থাকে তাতেই বা কি? তাদের অবিশ্বাস কি ঈশ্বরের বিশ্বস্ততাকে ফলহীন করবে?

  15. রোমীয় ৩:৪আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    তার কোনো মানে নেই। বরং, এমনকি প্রতিটি মানুষ মিথ্যাবাদী হলেও ঈশ্বরকে সত্য বলে স্বীকার করা হোক। যেমন শাস্ত্রে লেখা আছে, “তুমি হয়ত তোমার বাক্যে ধার্মিক বলে গণ্য হও এবং তুমি বিচারের দিন জয়ী হবে।”

  16. রোমীয় ৩:৫আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    কিন্তু আমাদের অধার্মিকতা ঈশ্বরের ধার্ম্মিকতা বুঝতে সাহায্য করে, আমরা তখন কি বলব? ঈশ্বর অধার্ম্মিক নয় যিনি ক্রোধে প্রতিফল দেন, তিনি কি অন্যায় করেন? আমি মানুষের বিচার অনুযায়ী বলছি।

  17. রোমীয় ৩:৬আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    ঈশ্বর কখনো অন্যায় করেন না। কারণ তাহলে ঈশ্বর কেমন করে পৃথিবীর মানুষকে বিচার করবেন?

  18. রোমীয় ৩:৭আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    কিন্তু আমার মিথ্যার মাধ্যমে যদি ঈশ্বরের সত্য প্রকাশ পায় এবং তাঁর গৌরব উপচিয়া পড়ে, তবে আমি এখনও পাপী বলে বিচারিত হচ্ছি কেন?

  19. রোমীয় ৩:৮আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    আর কেনই বা বলব না যেমন আমাদের অনেক মন্দ আছে এবং যেমন তারা নিন্দা করে বলে যে আমরা বলে থাকি চল আমরা খারাপ কাজ করি, তবে যেন ভালো ফল পাওয়া যায়? তাদের জন্য বিচার অবশ্যই আছে।

  20. রোমীয় ৩:৯আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ তারপর কি হলো? আমাদের অবস্থা কি অন্যদের থেকে ভালো? তা মোটেই নয়। কারণ আমরা এর আগে ইহূদি ও গ্রীক উভয়কে দোষ দিয়েছি যে, তারা সবাই পাপের মধ্যে আছে।

  21. রোমীয় ৩:১০আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    যেমন শাস্ত্রে লেখা আছে, “ধার্মিক কেউ নেই, একজনও নেই,

  22. রোমীয় ৩:১১আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    এমন কেউই নেই যে সে বোঝে। কেউই এমন নেই যে সে ঈশ্বরের সন্ধান করে।

  23. রোমীয় ৩:১২আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    তারা সবাই বিপথে গিয়েছে, তারা একসঙ্গে অকেজো হয়েছে; এমন কেউ নেই যে ভালো কাজ করে, না, এতজনের মধ্যে একজনও নেই।

  24. রোমীয় ৩:১৩আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    তাদের গলা যেন খোলা কবরের মত। তাদের জিভ ছলনা করেছে। তাদের ঠোঁটের নিচে সাপের বিষ থাকে।

  25. রোমীয় ৩:১৪আনু. ৬০ খ্রিস্টাব্দ

    তাদের মুখ অভিশাপ ও খারাপ কথায় পরিপূর্ণ;