মূল বিষয়বস্তুতে যান

circa AD 48–96

Letters to the Churches

Paul and other apostles write to strengthen, correct, and encourage the scattered churches across the Roman world.

2,767 টি পদ · 21 টি পুস্তক অন্তর্ভুক্ত

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. এফিসীয় ১:১আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ পৌল, ঈশ্বরের ইচ্ছায় খ্রীষ্ট যীশুর প্রেরিত, ইফিষ শহরে বসবাসকারী পবিত্র ও খ্রীষ্ট যীশুতে বিশ্বস্ত জনগনের প্রতি পত্র।

  2. এফিসীয় ১:২আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    আমাদের পিতা ঈশ্বর এবং প্রভু যীশু খ্রীষ্ট থেকে অনুগ্রহ ও শান্তি তোমাদের উপর আসুক।

  3. এফিসীয় ১:৩আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ ধন্য আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের ঈশ্বরও পিতা, যিনি আমাদেরকে সমস্ত আত্মিক আশীর্বাদে স্বর্গীয় স্থানে খ্রীষ্টে আশীর্বাদ করেছেন;

  4. এফিসীয় ১:৪আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ তিনি জগত সৃষ্টির আগে খ্রীষ্টে আমাদেরকে মনোনীত করেছিলেন, যেন আমরা তাঁর দৃষ্টিতে পবিত্র ও নিখুঁত হই;

  5. এফিসীয় ১:৫আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    ঈশ্বর আমাদেরকে যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে নিজের জন্য দত্তকপুত্রতার জন্য আগে থেকে ঠিক করেছিলেন; এটা তিনি নিজ ইচ্ছার হিতসঙ্কল্প অনুসারে, নিজ অনুগ্রহের প্রতাপের প্রশংসার জন্য করেছিলেন।

  6. এফিসীয় ১:৬আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    এই সকল করা হয়েছে যাতে ঈশ্বর মহিমার অনুগ্রহে প্রশংসিত হন, যেটা তিনি মুক্ত ভাবে তাঁর প্রিয় পুত্রের মাধ্যমে আমাদের দিয়েছেন।

  7. এফিসীয় ১:৭আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    যাতে আমরা খ্রীষ্টের রক্ত দ্বারা মুক্তি, অর্থাৎ পাপ সকলের ক্ষমা পেয়েছি; এটা ঈশ্বরের সেই অনুগ্রহ-ধন অনুসারে হয়েছে,

  8. এফিসীয় ১:৮আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    যা তিনি সমস্ত জ্ঞানে ও বুদ্ধিতে আমাদের প্রতি উপচিয়ে পড়তে দিয়েছেন।

  9. এফিসীয় ১:৯আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    ফলতঃ তিনি আমাদেরকে নিজের ইচ্ছার গোপন সত্যের পরিকল্পনা জানিয়েছেন, তাঁর ইচ্ছা অনুসারে খ্রীষ্টের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

  10. এফিসীয় ১:১০আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    তিনি স্থির করে রেখেছিলেন যে দিন পূর্ণ হলে পর সেই উদ্দেশ্য কার্যকর করবার জন্য তিনি স্বর্গের ও পৃথিবীর সব কিছু মিলিত করে খ্রীষ্টের শাসনের অধীনে রাখবেনা।

  11. এফিসীয় ১:১১আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমেই করা যাবে, যাতে আমরা ঈশ্বরের অধিকারস্বরূপও হয়েছি। সাধারণত যিনি সব কিছুই নিজের ইচ্ছার মন্ত্রণা অনুসারে সাধন করেন, তার উদ্দেশ্যে অনুসারে আমরা আগেই নির্বাচিত হয়েছিলাম;

  12. এফিসীয় ১:১২আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    সুতরাং, আগে থেকে খ্রীষ্টে আশা করেছি যে আমরা, আমাদের দ্বারা যেন ঈশ্বরের প্রতাপের মহিমা হয়।

  13. এফিসীয় ১:১৩আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    খ্রীষ্টেতে থেকে তোমরাও সত্যের বাক্য, তোমাদের মুক্তির সুসমাচার, শুনে এবং তাতে বিশ্বাস করে সেই প্রতিজ্ঞার পবিত্র আত্মা দ্বারা মুদ্রাঙ্কিত হয়েছ;

  14. এফিসীয় ১:১৪আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    সেই পবিত্র আত্মাই হলো আমাদের পরিত্রানের জন্য, ঈশ্বরের প্রতাপের মহিমার জন্য ও আমাদের উত্তরাধিকারের বায়না।

  15. এফিসীয় ১:১৫আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ এই জন্য প্রভু যীশুতে যে বিশ্বাস এবং সব পবিত্র লোকের ওপর যে ভালবাসা তোমাদের মধ্যে আছে,

  16. এফিসীয় ১:১৬আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    তার কথা শুনে আমিও তোমাদের জন্য ধন্যবাদ দিতে থামিনি, আমার প্রার্থনার দিন তোমাদের নাম উল্লেখ করে তা করি,

  17. এফিসীয় ১:১৭আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    যেন আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের ঈশ্বর, মহিমার পিতা, নিজের বিজ্ঞতায় জ্ঞানের ও প্রেরণার আত্মা তোমাদেরকে দেন;

  18. এফিসীয় ১:১৮আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    যাতে তোমাদের মনের চোখ আলোকিত হয়, যেন তোমরা জানতে পারো, তাঁর ডাকের আশা কি, পবিত্রদের মধ্যে তাঁর উত্তরাধিকারের মহিমার ধন কি,

  19. এফিসীয় ১:১৯আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    এবং বিশ্বাসকারী যে আমরা, আমাদের প্রতি তাঁর পরাক্রমের অতুলনীয় মহত্ত্ব কি। এটা তাঁর শক্তির পরাক্রমের সেই কার্য্যসাধনের অনুযায়ী,

  20. এফিসীয় ১:২০আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    যা তিনি খ্রীষ্টে সম্পন্য করেছেন; বাস্তবিক তিনি তাঁকে মৃতদের মধ্য থেকে উঠিয়েছেন এবং স্বর্গে নিজের ডান পাশে বসিয়েছেন,

  21. এফিসীয় ১:২১আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    সব আধিপত্য, কর্তৃত্ব, পরাক্রম, ও প্রভুত্বের উপরে এবং যত নাম শুধু এখন নয়, কিন্তু ভবিষ্যতেও উল্লেখ করা যায়, সেই সব কিছুর ওপরে অধিকার দিলেন।

  22. এফিসীয় ১:২২আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    আর তিনি সব কিছু তাঁর পায়ের নীচে বশীভূত করলেন এবং তাকে সবার উপরে উচ্চ মস্তক করে মণ্ডলীকে দান করলেন;

  23. এফিসীয় ১:২৩আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    সেই মণ্ডলী খ্রীষ্টের দেহ, তাঁরই পূর্ণতাস্বরূপ, যিনি সব বিষয়ে সব কিছু পূরণ করেন।

  24. এফিসীয় ২:১আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ যখন তোমরা নিজ নিজ অপরাধে ও পাপে মৃত ছিলে, তখন তিনি তোমাদেরকেও জীবিত করলেন;

  25. এফিসীয় ২:২আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    সেই সমস্ত কিছুতে তোমরা আগে চলতে এই জগতের যুগ অনুসারে, আকাশের শাসনকর্ত্তার অনুসারে কাজ করতে, যে মন্দ আত্মা এখন অবাধ্যতার সন্তানদের মাঝে কাজ করছে সেই আত্মার কর্তৃত্বের অনুসারে চলতে।