মূল বিষয়বস্তুতে যান

Manasseh

109 টি পদ · 6 জন পরিবারের সদস্য

আরও পরিচিত: Manasses

Manasseh-এর উল্লেখ থাকা পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. যোষেফের ছেলেদের মধ্যে মনঃশি সন্তানদের বংশের নেতা এফোদের ছেলে হন্নীয়েল।

  2. ¶ তখন যোষেফ সন্তানদের গোষ্ঠীগুলির মধ্যে মনঃশির নাতি মাখীরের ছেলে গিলিয়দের সন্তানদের গোষ্ঠীর বংশধরদের নেতারা এসে মোশির ও নেতাদের সামনে, ইস্রায়েল সন্তানদের পূর্বপুরুষের নেতাদের সামনে, কথা বললেন।

  3. যোষেফের ছেলে মনঃশির সন্তানদের গোষ্ঠীর মধ্যে তাদের বিয়ে হল; তাতে তাদের অধিকার তাদের বাবার গোষ্ঠীর সম্পর্কীয় বংশেই থাকল।

  4. আর গিলিয়দের বাকি অংশ ও পুরো বাশন অর্থাৎ ওগের রাজ্য, পুরো বাশনের সঙ্গে অর্গোবের সমস্ত অঞ্চল আমি মনঃশির অর্ধেক বংশকে দিলাম। (সেটাই রফায়ীয় দেশ বলে বিখ্যাত।

  5. মনঃশির একজন বংশধর যায়ীর গশূরীয়দের ও মাখাথীয়দের সীমা পর্যন্ত অর্গোবের সব অঞ্চল নিয়ে নিজের নাম অনুসারে বাশন দেশের সেই সব জায়গার নাম হব্বোৎ যায়ীর রাখল; আজও সেই নাম প্রচলিত আছে।)

  6. আর তাদের দেশ নিয়ে অধিকারের জন্যে রূবেণীয় ও গাদীয়দেরকে এবং মনঃশীয়দের অর্ধেক বংশকে দিলাম।

  7. তার প্রথমজাত ষাঁড় শোভাযুক্ত, তার শিং দুটি বন্য ষাঁড়ের শিং; তার মাধ্যমে সে পৃথিবীর শেষ পর্যন্ত সমস্ত জাতিকে গুতাবে; সেই শিং দুটি ইফ্রয়িমের হাজার হাজার লোক, মনঃশির হাজার হাজার লোক।”

  8. এবং সমস্ত নপ্তালি, আর ইফ্রয়িম ও মনঃশির দেশ এবং পশ্চিমে মহাসমুদ্র পর্যন্ত যিহূদার সমস্ত দেশ

  9. পরে যিহোশূয় রূবেণীয়দিগকে, গাদীয়দিগকে ও মনঃশির অর্দ্ধ বংশকে বললেন,

  10. আর রূবেণ-সন্তানরা, গাদ-সন্তানরা ও মনঃশির অর্ধেক লোক তাদের প্রতি মোশির কথানুসারে প্রস্তুত হয়ে ইস্রায়েল-সন্তানদের সামনে পার হল;

  11. সদাপ্রভুর দাস মোশি ও ইস্রায়েল-সন্তানরা এদেরকে আঘাত করেছিলেন এবং সদাপ্রভুর দাস মোশি সেই দেশ অধিকারের জন্য রূবেণীয় ও গাদীয়দেরকে এবং মনঃশির অর্ধেক বংশকে দিয়েছিলেন।

  12. এখন অধিকারের জন্য নয়টি বংশকে ও মনঃশির অর্ধেক বংশকে এই দেশ ভাগ করে দাও।”

  13. আর মোশি মনঃশির অর্ধেক বংশকে অধিকার দিয়েছিলেন; তা মনঃশির-সন্তানদের অর্ধেক বংশের জন্য তাদের গোষ্ঠী অনুসারে দেওয়া হয়েছিল।

  14. এবং অর্ধেক গিলিয়দ, অষ্টারোৎ ও ইদ্রিয়ী, ওগের বাশনের রাজ্যের এই সব নগরগুলি মনঃশির পুত্র মাখীরের সন্তানদের, অর্থাৎ গোষ্ঠী অনুসারে মাখীরের সন্তানদের অর্ধেক সংখ্যার অধিকার হল।

  15. কারণ যোষেফ-সন্তানরা দুই বংশ হল, মনঃশি ও ইফ্রয়িম; আর লেবীয়দেরকে দেশে কোন অংশ দেওয়া গেল না, কেবল বাস করবার জন্য কতগুলি নগর এবং তাদের পশুপালের ও তাদের সম্পত্তির জন্য সেই সকল নগরের পশুপালনের মাঠগুলিও দেওয়া হল।

  16. এই ভাবে যোষেফের সন্তানেরা মনঃশি ও ইফ্রয়িম তাঁদের নিজের নিজের অধিকার গ্রহণ করল।

  17. এছাড়া মনঃশি-সন্তানদের অধিকারের মধ্যে ইফ্রয়িম-সন্তানদের জন্য আলাদা করে রাখা অনেক শহর ও তাদের গ্রামগুলিও ছিল।

  18. ¶ আর গুলিবাঁটের মাধ্যমে মনঃশি বংশের অংশ ঠিক করা হল, সে যোষেফের বড় ছেলে। কিন্তু গিলিয়দের পিতা, অর্থাৎ মনঃশির বড় ছেলে মাখীর যোদ্ধা বলে গিলিয়দ ও বাশন পেয়েছিল।

  19. আর [ঐ অংশ] নিজের নিজের গোষ্ঠী অনুসারে মনঃশির অন্য অন্য সন্তানদের হল; তারা এই এই, অবীয়েষরের সন্তানেরা, হেলকের সন্তানেরা, অস্রীয়েলের সন্তানেরা, শেখমের সন্তানেরা, হেফরের সন্তানেরা ও শমীদার সন্তানেরা; এরা নিজের নিজের গোষ্ঠী অনুসারে যোষেফের সন্তান, মনঃশির পুত্রসন্তান।

  20. কিন্তু মনঃশির সন্তান মাখীরের সন্তান গিলিয়দের সন্তান হেফরের ছেলে সল্‌ফাদের কোন ছেলে ছিল না; শুধু কতগুলি মেয়ে ছিল; তার মেয়েদের নাম মহলা, নোয়া, হগ্‌লা, মিল্কা ও তির্সা।

  21. তাতে যর্দ্দনের পূর্ব পাড়ে গিলিয়দ ও বাশন দেশ ছাড়াও মনঃশির দিকে দশ ভাগ পড়ল;

  22. কারণ মনঃশির ছেলেদের মধ্যে তার মেয়েদেরও অধিকার ছিল এবং মনঃশির অবশিষ্ট ছেলেরা গিলিয়দ দেশ পেল।

  23. মনঃশির সীমা আশের থেকে শিখিমের সামনে মিক্‌মথৎ পর্যন্ত ছিল; পরে ঐ সীমা দক্ষিণ দিকে ঐন্‌-তপূহে বসবাসকারীদের সীমানা পর্যন্ত গেল।

  24. মনঃশি তপূহ দেশ পেল, কিন্তু মনঃশির সীমানায় তপূহ [নগর] ইফ্রয়িম-সন্তানদের অধিকার হল;

  25. ঐ সীমা কান্না স্রোত পর্যন্ত, স্রোতের দক্ষিণ তীরে নেমে গেল; মনঃশির নগরগুলির মধ্যে অবস্থিত এই নগরগুলি ইফ্রয়িমের ছিল; মনঃশির সীমা স্রোতের উত্তরদিকে ছিল এবং তার শেষ সীমানা মহাসমুদ্রে ছিল।