মূল বিষয়বস্তুতে যান

God

11,427 টি পদ · 2 জন পরিবারের সদস্য

God-এর উল্লেখ থাকা পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. আর সেটা দেখে ইস্রায়েল সন্তানরা একে অপরকে বলল, “এটা কি?” কারণ সেটা কি, তারা জানত না। তখন মোশি বললেন, “এটা সেই রুটি, যা সদাপ্রভু তোমাদেরকে খাবার জন্য দিয়েছেন।

  2. এর বিষয়ে সদাপ্রভু এই আদেশ দিয়েছেন, তোমরা প্রত্যেক জন নিজেদের প্রয়োজন মত তা কুড়াও; তোমরা প্রত্যেকে নিজেদের তাঁবুতে থাকা লোকেদের সংখ্যা অনুসারে এক এক জনের জন্য এক এক ওমর পরিমাপে তা কুড়াও।”

  3. তখন তিনি তাঁদেরকে বললেন, সদাপ্রভু তাই বলেছেন; কাল বিশ্রামপর্ব, সদাপ্রভুর উদ্দেশ্যে পবিত্র বিশ্রামবার; তোমাদের যা ভাজবার আছে তা ভাজ ও যা রান্না করবার আছে পাক কর এবং যা অতিরিক্তও, তা সকালের জন্য তুলে রাখ।

  4. পরে মোশি বললেন, আজ তোমরা এটা ভোজন কর, কারণ আজ সদাপ্রভুর বিশ্রামবার; আজ মাঠে এটা পাবে না।

  5. তখন সদাপ্রভু মোশিকে বললেন, তোমরা আমার আদেশ ও ব্যবস্থা পালন করতে কতকাল অস্বীকার করতে থাকবে?

  6. দেখ, সদাপ্রভুই তোমাদেরকে বিশ্রামবার দিয়েছেন, তাই তিনি ছয় দিনের র দিন দুই দিনের র খাদ্য তোমাদেরকে দিয়ে থাকেন; তোমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গায় থাক; সাত দিনের র দিন কেউ নিজের জায়গা থেকে বাইরে যাবে না।

  7. ¶ পরে মোশি বললেন, “সদাপ্রভু এই আদেশ করেছেন, ‘তোমরা বংশপরম্পরা অনুসারে ওর এক ওমর পরিমাণ তুলে রেখো, যেন আমি তোমাদেরকে মিশর দেশ থেকে আনার দিনের দূরের নির্জন জায়গায় যে খাবার খেতে দিতাম, তারা তা দেখতে পায়’।”

  8. তখন মোশি হারোণকে বললেন, “তুমি একটা পাত্র নিয়ে পূর্ণ এক ওমর পরিমাপের সমান মান্না সদাপ্রভুর সামনে রাখ; তা তোমাদের পূর্বপুরুষদের নিয়মের জন্য রাখা যাবে।”

  9. তখন, সদাপ্রভু মোশিকে যেমন আদেশ করেছিলেন, সেইভাবে হারোণ সাক্ষ্য সিন্দুকের কাছে থাকবার জন্য তা তুলে রাখলেন।

  10. ¶ পরে ইস্রায়েল সন্তানদের সমস্ত মণ্ডলী সীন মরুভূমি থেকে যাত্রা শুরু করে সদাপ্রভুর আদেশ অনুসারে নির্ধারিত সমস্ত স্থান দিয়ে যাত্রা করে রফীদীমে গিয়ে শিবির স্থাপন করল; আর সেখানে লোকেদের পান করার জন্য জল ছিল না।

  11. এই জন্য লোকেরা মোশিকে দোষ দিয়ে বলল, “আমাদেরকে জল দাও, আমরা পান করব।” মোশি তাদেরকে বললেন, “কেন আমার সঙ্গে ঝগড়া করছ? কেন সদাপ্রভুর পরীক্ষা করছ?”

  12. আর মোশি সদাপ্রভুর কাছে কেঁদে বললেন, “আমি এই লোকদের জন্য কি করব? কিছুক্ষণের মধ্যে এরা আমাকে পাথরের আঘাতে হত্যা করবে।”

  13. তখন সদাপ্রভু মোশিকে বললেন, “তুমি লোকদের আগে যাও, ইস্রায়েলের কয়েক জন প্রাচীনকে সঙ্গে নিয়ে, আর যেটা দিয়ে নদীতে আঘাত করেছিলে, সেই লাঠি হাতে নিয়ে যাও।

  14. দেখ, আমি হোরেবে সেই শিলার উপরে তোমার সামনে দাঁড়াবো; তুমি শিলাতে আঘাত করবে, তাতে সেটা থেকে জল বের হবে, আর লোকেরা পান করবে।” তখন মোশি ইস্রায়েলের প্রাচীনদের চোখের সামনে সেই রকম করলেন।

  15. তিনি সেই স্থানের নাম মঃসা ও মরীবা [পরীক্ষা ও বিবাদ] রাখলেন, কারণ ইস্রায়েল সন্তানরা অভিযোগ করেছিল এবং সদাপ্রভুর পরীক্ষা করে বলেছিল, সদাপ্রভু আমাদের মধ্যে আছেন কি না?

  16. তাতে মোশি যিহোশূয়কে বললেন, “তুমি আমাদের জন্য লোক বেছে নাও, যাও, অমালেকের সঙ্গে যুদ্ধ করো; কাল আমি ঈশ্বরের লাঠি হাতে নিয়ে পর্বতে চূড়ায় দাঁড়াব।”

  17. পরে সদাপ্রভু মোশিকে বললেন, “এই কথা স্মরণে রাখার জন্য বইয়ে লেখ এবং যিহোশূয়ের কানের কাছে পড়ে শুনাও; কারণ আমি আকাশের নীচে থেকে অমালেকের স্মৃতি পুরোপুরি লোপ করব।”

  18. আর তিনি বললেন, “সদাপ্রভুর সিংহাসনের উপরে হাত উত্তোলিত হয়েছে; অমালোকির হস্ত সদাপ্রভুর উত্থানের বিরুদ্ধে উত্থিত হয়েছে।”

  19. ¶ আর ঈশ্বর মোশির পক্ষে ও তাঁর প্রজা ইস্রায়েলের পক্ষে যে সমস্ত কাজ করেছেন, সদাপ্রভু ইস্রায়েলকে মিশর থেকে বের করে এনেছেন, এই সব কথা মোশির শ্বশুর মিদিয়নীয় যাজক যিথ্রো শুনতে পেলেন।

  20. আর এক জনের নাম ইলীয়েষর [ঈশ্বর-সহকারী], কারণ তিনি বলেছিলেন, আমার পিতার ঈশ্বর আমার সহকারী হয়ে ফরৌণের তরোয়াল থেকে আমাকে উদ্ধার করেছেন।

  21. মোশির শ্বশুর যিথ্রো তাঁর দুই ছেলে ও তার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দূরে নির্জন জায়গায় মোশির কাছে, ঈশ্বরের পর্বতে যে জায়গায় তিনি শিবির স্থাপন করেছিলেন, সেই জায়গায় আসলেন।

  22. আর সদাপ্রভু ইস্রায়েলের জন্য ফরৌণের উপর ও মিশরীয়দের উপর যা যা করেছিলেন এবং পথে তাঁদের যে যে কষ্টের ঘটনা ঘটেছিল ও সদাপ্রভু যে ভাবে তাঁদেরকে উদ্ধার করেছিলেন, সেই সব ঘটনা মোশি নিজের শ্বশুরকে বললেন।

  23. তাতে সদাপ্রভু মিশরীয়দের হাত থেকে ইস্রায়েলকে উদ্ধার করে তাঁদের যে সব মঙ্গল করেছিলেন, তার জন্য যিথ্রো আনন্দিত হলেন।

  24. আর যিথ্রো বললেন, “ধন্য সদাপ্রভু, যিনি মিশরীয়দের হাত থেকে ও ফরৌণের হাত থেকে তোমাদেরকে উদ্ধার করেছেন, যিনি মিশরিয়দের হাতের নিয়ন্ত্রণ থেকে এই লোকদেরকে উদ্ধার করেছেন।

  25. এখন আমি জানি, সব দেবতা থেকে সদাপ্রভু মহান্‌; সেই বিষয়ে মহান্‌, যে বিষয়ে ওরা এদের বিরুদ্ধে গর্ব করত।”