মূল বিষয়বস্তুতে যান

Gad

55 টি পদ · 21 জন পরিবারের সদস্য

Gad-এর উল্লেখ থাকা পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. আর রূবেণ-সন্তানরা, গাদ-সন্তানরা ও মনঃশির অর্ধেক লোক তাদের প্রতি মোশির কথানুসারে প্রস্তুত হয়ে ইস্রায়েল-সন্তানদের সামনে পার হল;

  2. আর মোশি গাদ-সন্তানদের গোষ্ঠী অনুসারে গাদ বংশকে অধিকার দিয়েছিলেন।

  3. গাদ-সন্তানদের গোষ্ঠী অনুসারে তাদের গ্রামের সঙ্গে এই সব নগর তাদের অধিকার হল।

  4. কারণ তোমাদের মধ্যে লেবীয়দের কোন অংশ নেই, কারণ সদাপ্রভুর যাজকত্বপদ তাদের অধিকার; আর গাদ ও রূবেণ এবং মনঃশির অর্ধেক বংশ যর্দ্দনের পূর্ব পারে যা সদাপ্রভুর দাস মোশির দেওয়া অধিকার তারা পেয়েছে।”

  5. আর যিরীহোর কাছে যর্দ্দনের (নদীর) পূর্বপারে তারা রূবেণ বংশের অধিকার থেকে সমভূমির মরুপ্রান্তে অবস্থিত বেৎসর ও গাদ বংশের অধিকার থেকে গিলিয়দে অবস্থিত রামোৎ ও মনঃশি বংশের অধিকার থেকে বাশনে অবস্থিত গোলন নির্ণয় করল।

  6. আর মরারি-সন্তানেরা নিজেদের গোষ্ঠী অনুসারে রূবেণ বংশ, গাদ বংশ ও সবূলূন বংশ থেকে বারটি নগর পেল।

  7. আর গাদ বংশের অধিকার থেকে পশুপালনের মাঠগুলির সঙ্গে হত্যাকারীর আশ্রয়-নগর গিলিয়দস্থ রামোৎ এবং পশুপালনের মাঠগুলির সঙ্গে মহনয়িম,

  8. পরে রূবেণ-সন্তানেরা, গাদ-সন্তানেরা ও মনঃশির অর্ধেক বংশ কনান দেশের শীলোতে ইস্রায়েল-সন্তানদের কাছ থেকে ফিরে গেল, মোশির মাধ্যমে সদাপ্রভুর যে বাক্য বলা হয়েছিল সেই বাক্য অনুসারে পাওয়া গিলিয়দ দেশের, তাদের অধিকার দেশের দিকে যাওয়ার জন্য যাত্রা করল।

  9. আর কনান দেশের যর্দ্দন (নদীর পশ্চিম) অঞ্চলে উপস্থিত হলে রূবেণ-সন্তানেরা, গাদ-সন্তানেরা ও মনঃশির অর্ধেক বংশ সেই স্থানে যর্দ্দনের (নদীর) পাশে এক যজ্ঞবেদি তৈরী করল, সেই বেদি দেখতে বড়।

  10. তখন ইস্রায়েল-সন্তানেরা শুনতে পেল, দেখ, রূবেণ-সন্তানেরা, গাদ-সন্তানেরা ও মনঃশির অর্ধেক বংশ কনান দেশের সামনে যর্দ্দন অঞ্চলে, ইস্রায়েল-সন্তানদের পারে, এক যজ্ঞবেদি তৈরী করেছে।

  11. পরে ইস্রায়েল-সন্তানেরা রূবেণ-সন্তানদের, গাদ-সন্তানদের ও মনঃশির অর্ধেক বংশের কাছে গিলিয়দ দেশে ইলীয়াসর যাজকের পুত্র পীনহসকে

  12. তাঁরা গিলিয়দ দেশে রূবেণ-সন্তানদের গাদ-সন্তানদের ও মনঃশির অর্ধেক বংশের কাছে গিয়ে তাদেরকে এই কথা বললেন,

  13. তখন রূবেন-সন্তানেরা, গাদ-সন্তানেরা ও মনঃশির অর্ধেক বংশ ইস্রায়েলের সেই সহস্রপতিদেরকে এই উত্তর দিল;

  14. হে রূবেন-সন্তানেরা, গাদ-সন্তানেরা, তোমাদের ও আমাদের উভয়ের মধ্যে সদাপ্রভু যর্দনকে সীমা করে রেখেছেন; সদাপ্রভুতে তোমাদের কোন অধিকার নেই।” এই ভাবে যদি তোমাদের সন্তানেরা আমাদের সন্তানদের সদাপ্রভুর ভয় ত্যাগ করায়।

  15. তখন পীনহস যাজক, তাঁর সঙ্গে মণ্ডলীর নেতারা ও ইস্রায়েলের সহস্রপতিরা রূবেণ-সন্তানদের, গাদ-সন্তানদের ও মনঃশি-সন্তানদের এই কথা শুনে সন্তুষ্ট হলেন।

  16. আর ইলীয়াসর যাজকের পুত্র পীনহস রূবেণ-সন্তানদের, গাদ-সন্তানদের ও মনঃশি-সন্তানদের বললেন, “আজ আমরা জানতে পারলাম যে, সদাপ্রভু আমাদের মধ্যে আছেন, কারণ তোমরা সদাপ্রভুর বিরুদ্ধে এই আদেশের অবাধ্য হও নি; এখন তোমরা ইস্রায়েল-সন্তানদেরকে সদাপ্রভুর হাত থেকে উদ্ধার করলে।”

  17. পরে ইলীয়াসর যাজকের পুত্র পীনহস ও অধ্যক্ষগণ রূবেণ-সন্তানদের, গাদ-সন্তানদের কাছ থেকে, গিলিয়দ দেশ থেকে, কনান দেশে ইস্রায়েল-সন্তানদের কাছে ফিরে এসে তাদেরকে সংবাদ দিলেন।

  18. তখন ইস্রায়েল-সন্তানেরা ঐ বিষয়ে সন্তুষ্ট হল; আর ইস্রায়েল-সন্তানেরা ঈশ্বরের ধন্যবাদ করল এবং রূবেণ-সন্তানদের, গাদ-সন্তানদের বসবাসের স্থান ধ্বংস করার জন্য যুদ্ধে যাওয়ার বিষয়ে আর কিছু বলল না।

  19. পরে রূবেণ-সন্তানেরা ও গাদ-সন্তানেরা সেই বেদির নাম [এদ] রাখল, কারণ [তারা বলল], “সদাপ্রভুই যে ঈশ্বর, তা আমাদের মধ্যে তাঁর সাক্ষী [এদ] হবে।”

  20. আর কয়েকজন ইব্রীয় যর্দ্দন পার হয়ে গাদ ও গিলিয়দ দেশে গেল৷ কিন্তু তখনও শৌল গিলগলে ছিলেন এবং তাঁর পিছনে আসা লোকেরা সবাই কাঁপতে লাগল৷

  21. দান, যোষেফ, বিন্যামীন, নপ্তালি, গাদ ও আশের।

  22. ¶ গাদ গোষ্ঠীর লোকেরা তাদের সামনে বাশন দেশের সলখা পর্যন্ত বাস করত।

  23. ¶ রূবেণ, গাদ ও সবূলূন গোষ্ঠীর এলাকা থেকে গুলিবাঁট করে বারোটা শহর ও বংশ অনুসারে মরারির বংশের লোকদের দেওয়া হল।

  24. তারা গাদ গোষ্ঠীর এলাকা থেকে পেল গিলিয়দের রামোৎ,

  25. ¶ এই গাদীয়েরা ছিলেন সৈন্যদলের সেনাপতি। তাঁদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে ছোট তিনি ছিলেন একাই একশো জনের সমান এবং যিনি সবচেয়ে বড় তিনি ছিলেন একাই হাজার জনের সমান।