মূল বিষয়বস্তুতে যান

circa AD 48–96

Letters to the Churches

Paul and other apostles write to strengthen, correct, and encourage the scattered churches across the Roman world.

2,767 টি পদ · 21 টি পুস্তক অন্তর্ভুক্ত

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. হিব্রু ৬:১২আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    আমরা চাই না যে তোমরা অলস হও, কিন্তু যারা বিশ্বাস ও দীর্ঘসহিষ্ণুতার কারণে নিয়ম সমূহের অধিকারী, তাদের মতো হও।

  2. হিব্রু ৬:১৩আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ কারণ ঈশ্বর যখন অব্রাহামের কাছে প্রতিজ্ঞা করলেন, তখন মহৎ কোনো ব্যক্তির নামে শপথ করতে না পারাতে নিজেরই নামে শপথ করলেন,

  3. হিব্রু ৬:১৪আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    তিনি বললেন, “আমি অবশ্যই তোমাকে আশীর্বাদ করব এবং তোমার বংশ অগণিত করব।”

  4. হিব্রু ৬:১৫আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    আর এই ভাবে, আব্রাহাম ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করলেন, তিনি প্রতিজ্ঞা প্রাপ্ত হলেন।

  5. হিব্রু ৬:১৬আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    মানুষেরা তো মহৎ ব্যক্তির নাম নিয়ে শপথ করে; এবং এই শপথের মাধ্যমে তাদের সমস্ত তর্কবিতর্কের অবসান হয়।

  6. হিব্রু ৬:১৭আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    এই ব্যাপারে ঈশ্বর প্রতিজ্ঞার উত্তরাধিকারীদেরকে নিজের মন্ত্রণার অপরিবর্তনীয়তা আরও স্পষ্টভাবে দেখাবার জন্য শপথের মাধ্যমে নিশ্চয়তা করলেন;

  7. হিব্রু ৬:১৮আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    এই ব্যাপারে মিথ্যাকথা বলা ঈশ্বরের অসাধ্য, এমন অপরিবর্তনীয় দুই ব্যাপারের মাধ্যমে আমরা যারা প্রত্যাশা ধরবার জন্য তাঁর শরণার্থে ছুটে গিয়েছি যেন দৃঢ় আশ্বাস প্রাপ্ত হই।

  8. হিব্রু ৬:১৯আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    আমাদের সেই প্রত্যাশা আছে, তা প্রাণের নোঙরের মতো, অটল ও দৃঢ়। তা পর্দার আড়ালে স্বর্গীয় মন্দিরের পবিত্র স্থানে প্রবেশ করায়।

  9. হিব্রু ৬:২০আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    আর সেই জায়গায় আমাদের জন্য অগ্রগামী হয়ে যীশু প্রবেশ করেছেন, যিনি মল্কীষেদকের রীতি অনুযায়ী অনন্তকালীন মহাযাজক হয়েছেন।

  10. হিব্রু ৭:১আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ সেই যে মল্কীষেদক, যিনি শালেমের রাজা ও মহান ঈশ্বরের যাজক ছিলেন, অব্রাহাম যখন রাজাদের পরাজিত করে ফিরে আসেন, তিনি তখন তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করলেন, ও তাঁকে আশীর্বাদ করলেন,

  11. হিব্রু ৭:২আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    এবং অব্রাহাম তাঁকে সব কিছুর দশমাংশ দিলেন। তাঁর নাম “মল্কীষেদক” মানে ধার্মিক রাজা, এবং শালেমের রাজা অর্থাৎ শান্তির রাজা;

  12. হিব্রু ৭:৩আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    তাঁর বাবা নেই, মা নেই, পূর্বপুরুষ নেই, দিনের শুরু কি জীবনের শেষ নেই; তিনি ঈশ্বরের পুত্রের মতো; তিনি চিরকালই যাজক থাকেন।

  13. হিব্রু ৭:৪আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    বিবেচনা করে দেখ, তিনি কেমন মহান, আমাদের পিতৃপুরুষ অব্রাহাম যুদ্ধের ভালো ভালো লুটের জিনিস নিয়ে দশমাংশ দান করেছিলেন।

  14. হিব্রু ৭:৫আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    আর প্রকৃত পক্ষে লেবির বংশধরদের মধ্যে যারা যাজক হলেন, তারা আইন অনুসারে তাদের ভাই ইস্রায়েলীয়দের কাছ থেকে দশমাংশ সংগ্রহ করার আদেশ পেয়েছে, যদিও তারা অব্রাহামের বংশধর;

  15. হিব্রু ৭:৬আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    কিন্তু মল্কীষেদক, লেবীয়দের বংশধর নয়, তিনি অব্রাহামের থেকে দশমাংশ নিয়েছিলেন এবং সেই প্রতিজ্ঞার অধিকারীকে আশীর্বাদ করেছিলেন।

  16. হিব্রু ৭:৭আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    কোনো আত্মত্যাগী যে ক্ষুদ্রতর ব্যক্তি বৃহত্তর ব্যক্তির মাধ্যমে আশীর্বাদিত হয়।

  17. হিব্রু ৭:৮আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    আবার এখানে মানুষেরা যারা দশমাংশ পায় তারা এক দিন মারা যাবে, কিন্তু ওখানে যে অব্রাহামের দশমাংশ গ্রহণ করেছিল, তাঁর বিষয়ে বলা হয়েছে যে, তিনি জীবনবিশিষ্ট।

  18. হিব্রু ৭:৯আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    আবার এরকম বলা যেতে পারে যে, অব্রাহামের মাধ্যমে দশমাংশগ্রাহী লেবি দশমাংশ দিয়েছেন,

  19. হিব্রু ৭:১০আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ লেবি ছিল তাঁর পূর্বপুরুষ অব্রাহামের বংশ সম্মন্ধীয়, যখন মল্কীষেদক অব্রাহামের সাথে দেখা করেন।

  20. হিব্রু ৭:১১আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ এখন যদি লেবীয় যাজকত্বের মাধ্যমে পরিপূর্ণতা সম্ভব হতে পারত সেই যাজকত্বের অধীনেই তো লোকেরা নিয়ম পেয়েছিল তবে আরো কি প্রয়োজন ছিল যে, মল্কীষেদকের রীতি অনুসারে অন্য যাজক উঠবেন এবং তাঁকে হারোণের নাম অনুসারে অভিহিত করা হবে না?

  21. হিব্রু ৭:১২আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    যাজকত্ব যখন পরিবর্তন হয়, তখন নিয়মেরও অবশ্যই পরিবর্তন হয়।

  22. হিব্রু ৭:১৩আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    এ সব কথা যার উদ্দেশ্যে বলা যায়, তিনি তো অন্য বংশের, সেই বংশের মধ্যে কেউ কখনো যজ্ঞবেদির পরিচর্য্যা করে নি।

  23. হিব্রু ৭:১৪আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    এখন এটা সুস্পষ্ট যে আমাদের প্রভু যিহূদা বংশ থেকে অবতীর্ণ হয়েছেন, সেই বংশের বিষয়ে মোশি যাজকদের বিষয়ে কিছুই বলেননি।

  24. হিব্রু ৭:১৫আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    এবং আমরা যে কথা বলেছিলাম তা আরও পরিষ্কার হয় যখন মল্কীষেদকের মতো আর একজন যাজক ওঠেন।

  25. হিব্রু ৭:১৬আনু. ৬৪ খ্রিস্টাব্দ

    এই নতুন যাজক যিনি দেহের নিয়ম অনুযায়ী আসেননি, কিন্তু পরিবর্তে অবিনশ্বর জীবনের শক্তি অনুযায়ী হয়েছেন।