মূল বিষয়বস্তুতে যান

circa AD 48–96

Letters to the Churches

Paul and other apostles write to strengthen, correct, and encourage the scattered churches across the Roman world.

2,767 টি পদ · 21 টি পুস্তক অন্তর্ভুক্ত

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. ১ করিন্থীয় ১:১৮আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ কারণ সেই খ্রীষ্টের ক্রুশের কথা, যারা ধ্বংস হচ্ছে, তাদের কাছে মূর্খতা, কিন্তু পরিত্রান পাচ্ছি যে আমরা আমাদের কাছে তা ঈশ্বরের মহা শক্তি।

  2. ১ করিন্থীয় ১:১৯আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ লেখা আছে, “আমি জ্ঞানীদের জ্ঞান নষ্ট করব, বুদ্ধিমানদের বুদ্ধি ব্যর্থ করব।”

  3. ১ করিন্থীয় ১:২০আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    জ্ঞানীলোক কোথায়? ব্যবস্থার শিক্ষকরা কোথায়? এই যুগের যুক্তিবাদীরা (যারা তর্ক করে) কোথায়? ঈশ্বর কি জগতের জ্ঞানকে মূর্খতায় পরিণত করেননি?

  4. ১ করিন্থীয় ১:২১আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ, ঈশ্বরের জ্ঞানে যখন জগত তার নিজের জ্ঞান দিয়ে ঈশ্বরকে জানতে পারে নি, তখন প্রচারের মূর্খতার মাধ্যমে বিশ্বাসকারীদের পাপ থেকে উদ্ধার করতে ঈশ্বরের সুবাসনা হল।

  5. ১ করিন্থীয় ১:২২আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ ইহূদিরা আশ্চর্য্য চিহ্ন চায় এবং গ্রীকেরা জ্ঞানের খোঁজ করে;

  6. ১ করিন্থীয় ১:২৩আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কিন্তু আমারা ক্রুশে হত খ্রীষ্টকে প্রচার করি; তিনি ইহূদিদের কাছে বাধার মতো ও অইহূদিদের (গ্রীকদের) কাছে মূর্খতার মতো,

  7. ১ করিন্থীয় ১:২৪আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কিন্তু যিহূদী ও গ্রীক, যাদের ডাকা হয়েছে তাদের সবার কাছে খ্রীষ্ট ঈশ্বরেরই মহাশক্তি ও ঈশ্বরেরই জ্ঞান।

  8. ১ করিন্থীয় ১:২৫আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ ঈশ্বরের যে মূর্খতা, তা মানুষের জ্ঞানের থেকে বেশি জ্ঞানী এবং ঈশ্বরের যে দুর্বলতা, তা মানুষের শক্তির থেকে বেশি শক্তিশালী।

  9. ১ করিন্থীয় ১:২৬আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ, হে ভাই এবং বোনেরা, তোমাদের আহ্বান দেখ, যেহেতু মাংসের অনুসারে জ্ঞানী অনেক নেই, ক্ষমতাশালী অনেক নেই, উচ্চপদস্থও অনেক নেই;

  10. ১ করিন্থীয় ১:২৭আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কিন্তু ঈশ্বর জগতের সমস্ত মূর্খ বিষয়কে বেছে নিলেন, যেন জ্ঞানীদের লজ্জা দেন এবং ঈশ্বর জগতের সমস্ত দুর্বল বিষয় মনোনীত করলেন, যেন শক্তিশালী বিষয়গুলিকে লজ্জা দেন।

  11. ১ করিন্থীয় ১:২৮আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    এবং জগতের যা যা নীচ ও যা যা তুচ্ছ, যা যা কিছুই নয়, সেই সমস্ত ঈশ্বর মনোনীত করলেন, যেন, যা যা আছে, সে সমস্ত কিছুকে মূল্যহীন করেন;

  12. ১ করিন্থীয় ১:২৯আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    তিনি এই জন্যই করেছেন যেন কেউ ঈশ্বরের সামনে অহঙ্কার প্রকাশ করতে না পারে।

  13. ১ করিন্থীয় ১:৩০আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ ঈশ্বরের জন্যই তোমরা সেই খ্রীষ্ট যীশুতে আছ, যিনি ঈশ্বরের থেকে আমাদের জন্য জ্ঞান, ধার্ম্মিকতা ও পবিত্রতা এবং প্রাণের মুক্তিদাতা হয়েছেন,

  14. ১ করিন্থীয় ১:৩১আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    যেমন লেখা আছে, “যে ব্যক্তি গর্ব করে, সে প্রভুতেই গর্ব করুক।”

  15. ১ করিন্থীয় ২:১আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ আর হে ভাইয়েরা, আমি যখন তোমাদের কাছে গিয়েছিলাম, তখন সুন্দর সুন্দর কথার মাধ্যমে কিম্বা জ্ঞানের গুরুত্ব অনুযায়ী তোমাদেরকে যে ঈশ্বরের নিগুড় তত্ব প্রচার করতে উপস্থিত হয়েছিলাম, তা নয়।

  16. ১ করিন্থীয় ২:২আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ আমি মনে ঠিক করেছিলাম, তোমাদের মধ্যে থেকে আর কিছুই জানব না, একমাত্র যীশু খ্রীষ্টকে এবং তাঁকে ক্রুশে হত বলেই, জানব।

  17. ১ করিন্থীয় ২:৩আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    আর আমি তোমাদের কাছে দুর্বলতা, ভয় ও ভয়ে ত্রাসযুক্ত ছিলাম,

  18. ১ করিন্থীয় ২:৪আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    আর আমার বাক্য ও আমার প্রচার তোমাদের প্রলোভিত করার জন্য তা জ্ঞানের বাক্য ছিল না, বরং তাঁরা পবিত্র আত্মার মহাশক্তির প্রমাণ ছিল,

  19. ১ করিন্থীয় ২:৫আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    যেন তোমাদের বিশ্বাস মানুষের জ্ঞানে না হয়, কিন্তু যেন ঈশ্বরের মহাশক্তিতে হয়।

  20. ১ করিন্থীয় ২:৬আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    ¶ তবুও আমরা আত্মিক পরিপক্কদের মধ্যে জ্ঞানের কথা বলছি, কিন্তু সেই জ্ঞান এই যুগের নয় বা এই যুগের শাসনকর্ত্তাদের নয়, তারা তো মূল্যহীন হয়ে পড়ছেন।

  21. ১ করিন্থীয় ২:৭আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কিন্তু আমরা গোপন উদ্দেশ্যে রূপে অর্থাৎ ঈশ্বরের সেই জ্ঞানের কথা বলছি, সেই গুপ্ত জ্ঞান, যা ঈশ্বর আমাদের গৌরবের জন্য জগত পূর্বকাল থেকেই ঠিক করে রেখেছিলেন।

  22. ১ করিন্থীয় ২:৮আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    এই যুগের তত্ত্বাবধায়কদের মধ্যে কেউ তা জানেন নি; কারণ যদি জানতেন, তবে গৌরবের প্রভুকে ক্রুশে দিতেন না।

  23. ১ করিন্থীয় ২:৯আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কিন্তু যেমন লেখা আছে, “চোখ যা দেখেনি, কান যা শোনে নি এবং যা মানুষ কখনো হৃদয়ে চিন্তাও করে নি, যা ঈশ্বর, যারা তাঁকে প্রেম করে, তাদের জন্য তৈরী করেছেন।”

  24. ১ করিন্থীয় ২:১০আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ আমাদের কাছে ঈশ্বর তাঁর আত্মার মাধ্যমে তা প্রকাশ করেছেন, কারণ আত্মা সমস্ত কিছুই খোঁজ করেন, এমনকি ঈশ্বরের গভীর বিষয়গুলিও খোঁজ করেন।

  25. ১ করিন্থীয় ২:১১আনু. ৫৯ খ্রিস্টাব্দ

    কারণ মানুষের বিষয়গুলি মানুষদের মধ্যে কে জানে? একমাত্র মানুষের অন্তরের আত্মা জানে; তেমনি ঈশ্বরের বিষয়গুলি কেউ জানে না, একমাত্র ঈশ্বরের আত্মা জানেন।