মূল বিষয়বস্তুতে যান

Unbelief সম্পর্কে বাইবেলের পদ

208 টি পদ · 61 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. আর বলীয়ালের [শয়তানের] সঙ্গে খ্রীষ্টেরই বা কি মিল আছে? অথবা অবিশ্বাসীর সঙ্গে বিশ্বাসীরই বা কি অধিকার আছে?

  2. আর প্রতিমাদের সঙ্গে ঈশ্বরের মন্দিরেরই বা কি সম্পর্ক? কারণ আমরা জীবন্ত ঈশ্বরের মন্দির, ঈশ্বর যেমন পবিত্র শাস্ত্রে বলেছেন, “আমি তাদের মধ্যে বাস করব এবং চলাফেরা করব এবং আমি তাদের ঈশ্বর হব, ও তারা আমার নিজের লোক হবে।”

  3. আর সেজন্য ঈশ্বর তাদের কাছে ভ্রান্তিমূলক (প্রতারণার) কাজ পাঠান, যাতে তারা সেই মিথ্যায় বিশ্বাস করে,

  4. যেন ঈশ্বর সেই সকলকে বিচারে দোষী করতে পারেন, যারা সত্যকে বিশ্বাস করে নি, কিন্তু অধার্মিকতায় সন্তুষ্ট হত।

  5. আর আমরা যেন দুষ্ট ও মন্দ লোকদের থেকে উদ্ধার পাই; কারণ সবার বিশ্বাস নেই।

  6. যদিও আগে আমি ঈশ্বরনিন্দা করতাম, অত্যাচার ও অপমান করতাম; কিন্তু দয়া পেয়েছি, কারণ আমি না বুঝেই অবিশ্বাসের বশে সেই সমস্ত কাজ করতাম;

  7. আমরা যদি অবিশ্বস্ত হই, তিনি বিশ্বস্ত থাকেন, কারণ তিনি নিজেকে অস্বীকার করতে পারেন না।

  8. শুদ্ধ মানুষের কাছে সবই শুদ্ধ; কিন্তু দুষিত ও অবিশ্বাসীদের পক্ষে কিছুই শুদ্ধ নয়, বরং তাদের মন ও বিবেক সকলই দূষিত হয়ে পড়েছে।

  9. ভাইয়েরা, সতর্ক থেকো, অবিশ্বাসের এমন মন্দ হৃদয় তোমাদের কাছে কারোর মধ্যে থাকে যে, তোমরা জীবন্ত ঈশ্বর থেকে সরে যাও।

  10. বল দেখি, কারা ঈশ্বরের রব শুনেও তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল? মোশির মাধ্যমে মিশর থেকে আসা সমস্ত লোক কি নয়?

  11. কাদের জন্যই বা ঈশ্বর চল্লিশ বছর অসন্তুষ্ট ছিলেন? তাদের জন্য কি নয়, যারা পাপ করেছিল, যাদের মৃতদেহ মরূপ্রান্তে পড়েছিল?

  12. ঈশ্বর কাদের বিরুদ্ধেই বা এই শপথ করেছিলেন যে, “এরা আমার বিশ্রামে প্রবেশ করবে না,” অবাধ্যদের বিরুদ্ধে কি না?

  13. এতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, অবিশ্বাসের কারণেই তারা প্রবেশ করতে পারল না।

  14. ¶ সেইজন্য আমাদের খুব সতর্ক থাকা উচিত, পাছে তাঁর বিশ্রামে প্রবেশ করবার প্রতিজ্ঞা থেকে গেলেও যেন এমন মনে না হয় যে, তোমাদের কেউ তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

  15. কারণ যেভাবে ইস্রায়েলীয়দের কাছে সেইভাবে আমাদের কাছেও সুসমাচার প্রচারিত হয়েছিল বটে, কিন্তু সেই বার্তা যারা শুনেছিল তাদের কোনো লাভ হল না, কারণ তারা বিশ্বাসের সঙ্গে ছিল না।

  16. বাস্তবিক বিশ্বাস করেছি যে আমরা, আমরা সেই বিশ্রামে প্রবেশ করতে পাচ্ছি; যেমন তিনি বলেছেন, “তখন আমি নিজের ক্রোধে এই শপথ করলাম, তারা আমার বিশ্রামে প্রবেশ করবে না,” যদিও তাঁর কাজ জগত সৃষ্টি পর্যন্ত ছিল।

  17. অতএব বাকি থাকল এই যে, কিছু লোক বিশ্রামে প্রবেশ করবে এবং অনেক ইস্রায়েলীয়েরা যারা সুসমাচার পেয়েছিল, তারা অবাধ্যতার কারণে প্রবেশ করতে পারেনি;

  18. অতএব এস, আমরা সেই বিশ্রামে প্রবেশ করতে প্রাণপণ চেষ্টা করি, যেন কেউ অবাধ্যতার সেই দৃষ্টান্ত অনুসারে পড়ে না যায়।

  19. বিশ্বাস ছাড়া ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করা অসম্ভব, কারণ যে ব্যক্তি ঈশ্বরের কাছে আসে, তার এটা বিশ্বাস করা অবশ্যই প্রয়োজন যে ঈশ্বর আছেন এবং যারা তাঁর খোঁজ করে, তিনি তাদের পুরষ্কারদাতা।

  20. বিশ্বাসে রাহব বেশ্যা, শান্তির সাথে গুপ্তচরদের নিরাপত্তায় গ্রহণ করাতে, সে অবাধ্যদের সাথে বিনষ্ট হল না।

  21. দেখ, যিনি কথা বলেন, তাঁর কথা প্রত্যাখান কোরো না। কারণ ইশ্রায়েলিযরা রক্ষা পায়নি যখন পৃথিবীতে মশির সতর্কবার্তা তারা প্রত্যাখান করেছিল, আর এটা নিশ্চিত যে আমরাও রক্ষা পাব না, যদি আমরা মুখ ফিরিয়ে নিই তার থেকে, যিনি আমাদের সতর্ক করেন।

  22. কিন্তু সে যেন সন্দেহ না করে কিন্তু বিশ্বাসের সঙ্গে চায়; কারণ যে সন্দেহ করে, সে ঝড়ো হাওয়ায় বয়ে আসা সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো চঞ্চল।

  23. সেই ব্যক্তি যে প্রভুর কাছে কিছু পাবে এমন আশা না করুক;

  24. তাই তোমরা যারা বিশ্বাস করছ, ঐ মহামূল্যতা তোমাদেরই জন্য, কিন্তু যারা বিশ্বাস করে না, তাদের জন্য “যে পাথর গাঁথকেরা অগ্রাহ্য করেছে, সেটাই কোণের প্রধান পাথর হয়ে উঠল,”

  25. আবার তা হয়ে উঠল, “বাধাজনক পাথর ও বাধাজনক পাষাণ।” বাক্যের অবাধ্য হওয়াতে তারা হোঁচট পায় এবং তার জন্যই নিযুক্ত হয়েছিল।