Skip to content

Resignation সম্পর্কে বাইবেলের পদ

132 টি পদ · 30 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. পরে তিনি হাঁটু পেতে জোরে জোরে বললেন, প্রভু, এদের বিরুদ্ধে এই পাপ ধর না। এই বলে তিনি মারা গেলেন। আর শৌল তার হত্যার আদেশ দিচ্ছিলেন।

  2. তখন পৌল বললেন, তোমরা একি করছ? কেঁদে আমার হৃদয়কে কেন চুরমার করছ? কারণ আমি প্রভু যীশুর নামের জন্য যিরূশালেমে কেবল বন্দী হতেই নয়, মরতেও প্রস্তুত আছি।

  3. এই ভাবে তিনি আমাদের কথা শুনতে অসম্মত হলেন, তখন আমরা চুপ করলাম এবং বললাম প্রভুরই ইচ্ছা পূর্ণ হোক।

  4. শুধু এইটুকু নয়, কিন্তু আমরা বিভিন্ন দুঃখ কষ্টেও আনন্দ করছি, আমরা জানি যে দুঃখ কষ্ট ধৈর্য্যকে উত্পন্ন করে।

  5. ধৈর্য্য পরীক্ষায় সফল হতে এবং পরীক্ষার সফলতা আশাকে উৎপন্ন করে;

  6. আর প্রত্যাশা নিরাশ করে না, কারণ আমাদের দেওয়া তাঁর পবিত্র আত্মার মাধ্যমে ঈশ্বরের ভালবাসা আমাদের হৃদয়ে পূর্ণ করেছেন।

  7. হে মানুষ, বরং, তুমি কে যে ঈশ্বরের বিরুদ্ধে উত্তর দিচ্ছ? তৈরী করা জিনিস কি যিনি তৈরী করছেন তাকে কি বলতে পারে, “আমাকে কেন তুমি এই রকম করলে?”

  8. কাদার ওপরে কুম্ভকারের কি এমন অধিকার নেই যে, একই মাটির তাল থেকে একটা পাত্র বিশেষভাবে ব্যবহারের জন্য এবং অন্য পাত্রটা রোজ ব্যবহারের জন্য বানাতে পারে?

  9. কারণ ঈশ্বর সবাইকেই অবাধ্যতার কাছে বেঁধে রেখেছেন, যেন তিনি সবাইকে দয়া করতে পারেন।

  10. ¶ আহা! ঈশ্বরের ধন ও জ্ঞান এবং বুদ্ধি কেমন গভীর! তাঁর বিচার সকল বোঝা যায় না! তাঁর পথ সকল কেমন আবিষ্কারক!

  11. আশায় আনন্দ কর, কষ্টে ধৈর্য্য ধর, অনবরত প্রার্থনা কর,

  12. ¶ আর আমরা এমন কোন কাজ করি না যাতে কেউ কোনো ভাবে প্রভুর পথে চলতে বাধা পায়, কারণ আমরা আশাকরি না যে, সেই পরিচর্য্যার কাজ কলঙ্কিত হয়।

  13. বরং ঈশ্বরের দাস বলে সব বিষয়ে আমরা নিজেদের যোগ্য প্রমাণ করি, ধৈর্য্য, মাণুষিক অত্যাচার, কষ্ট, দুঃখ কষ্ট ইত্যাদির মধ্যেও আমরা তাঁর দাস বলে প্রমাণ দিচ্ছি,

  14. অনেক ধৈর্য্যে, বিভিন্ন প্রকার ক্লেশে, অভাবের মধ্যে, সঙ্কটে, প্রহারে, কারাবাসে, কত দাঙ্গায়, পরিশ্রমে, কতদিন না ঘুমিয়ে কাটিয়েছি, কতদিন না খেয়ে কাটিয়েছি;

  15. শুদ্ধ জীবনের মাধ্যমে, জ্ঞানে, সহ্যগুনে, মধুর ভাবে, পবিত্র আত্মায়, প্রকৃত ভালবাসায়,

  16. সত্যের বাক্যের প্রচার দিয়ে, ঈশ্বরের শক্তিতে; দক্ষিণ ও বাম হাতে ধার্মিকতার অস্ত্র দিয়ে আমরা প্রমাণ দিচ্ছি,

  17. আমাদের বিষয়ে ভালো বলুক আর মন্দ বলুক এবং গৌরব দিক বা অসম্মান করুক আমরা আমাদের কাজ করছি, লোকে আমাদের মিথ্যাবাদী বলে দোষী করলেও আমরা নিজেদেরকে সত্যবাদী বলে জানি।

  18. আমরা কাজ করছি তবুও যেন, কেউ আমাদের চিনতে চায় না কিন্তু সবাই আমাদের চেনে; আমরা মৃতদের মত কিন্তু দেখো আমরা জীবিত আছি, আমাদের শাসন করা হচ্ছে কিন্তু আমাদের মৃত্যু হয়নি,

  19. দুঃখিত, কিন্তু সবদিন আনন্দ করছি; আমরা দীনহীন দরিদ্রের মত তবুও আমরা অনেককে ধনী করছি; আমাদের যেন কিছুই নেই, অথচ আমরা সব কিছুর অধিকারী।

  20. ¶ হে করিন্থীয় বিশ্বাসীরা, তোমাদের কাছে আমরা সব সত্য কথাই বলেছি এবং আমাদের হৃদয় খুলে সব বলেছি।

  21. তোমাদের ওপর আমার অনেক বিশ্বাস আছে এবং তোমাদের জন্য আমি খুবই গর্বিত; সব দুঃখ কষ্টের মধ্যেও আমি সান্ত্বনাতে পরিপূর্ণ এবং আমি আনন্দে উপচে পড়ছি।

  22. এই ভাবে আমার ঐকান্তিক প্রতীক্ষা ও প্রত্যাশা এই যে, আমি কোনোভাবে লজ্জিত হব না, কিন্তু সম্পূর্ণ সাহসের সঙ্গে, যেমন সবদিন তেমনি এখনও, খ্রীষ্ট জীবনের মাধ্যমে হোক, কি মৃত্যুর মাধ্যমে হোক, আমার মধ্য দিয়ে খ্রীষ্ট শরীরে মহিমান্বিত হবেন।

  23. কারণ আমার পক্ষে জীবন হল খ্রীষ্ট এবং মরণ হল লাভ।

  24. কিন্তু শরীরে যে জীবন, তাই যদি আমার কাজের ফল হয়, তবে কোনটা আমি বেছে নেব, তা জানি না।

  25. অথচ আমি দোটানায় পড়েছি; আমার ইচ্ছা এই যে, মারা গিয়ে খ্রীষ্টের সঙ্গে থাকি, কারণ তা অনেক ভালো