Skip to content

Jerusalem সম্পর্কে বাইবেলের পদ

271 টি পদ · 117 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. তখন ইহূদিদের কুটিরবাস পর্বের দিন প্রায় এসে গিয়েছিল।

  2. অতএব তাঁর ভাইয়েরা তাঁকে বলল, এই জায়গা ছেড়ে যিহূদিয়াতে চলে যাও; যেন তুমি যে সব কাজ করছ তা তোমার শিষ্যেরাও দেখতে পায়।

  3. কেউ গোপনে কাজ করে না যদি সে নিজেকে অপরের কাছে খোলাখুলি জানাতে চায়। যদি তুমি এই সব কাজ কর তবে নিজেকে জগতের মানুষের কাছে দেখাও।

  4. কারণ এমনকি তাঁর ভাইয়েরাও তাঁকে বিশ্বাস করত না।

  5. তখন যীশু তাদের বললেন, আমার দিন এখনও আসেনি, কিন্তু তোমাদের দিন সবদিন প্রস্তুত।

  6. পৃথিবীর মানুষ তোমাদেরকে ঘৃণা করতে পারে না কিন্তু আমাকে ঘৃণা করে কারণ আমি তার সম্বন্ধে এই সাক্ষ্য দিই যে তার সব কাজ অসৎ।

  7. তোমরাই তো উত্সবে যাও; আমি এখন এই উত্সবে যাব না, কারণ আমার দিন এখনও সম্পূর্ণ হয়নি।

  8. তাদেরকে এই কথা বলার পর তিনি গালীলে থাকলেন।

  9. যদিও তাঁর ভাইয়েরা উত্সবে যাবার পর তিনিও গেলেন, খোলাখুলি ভাবে নয় কিন্তু গোপনে গেলেন।

  10. ইহূদিরা উত্সবের মধ্যে তাঁর খোঁজ করল এবং বলল, তিনি কোথায়?

  11. ভিড়ের মধ্যে মানুষেরা তাঁর সম্পর্কে অনেক আলোচনা করতে লাগলো। অনেকে বলল, তিনি একজন ভাল লোক; আবার কেউ বলল, না, তিনি মানুষদেরকে বিপথে নিয়ে যাচ্ছে।

  12. কিন্তু ইহূদিদের ভয়ে কেউ তাঁর সম্পর্কে খোলাখুলি কিছু বলল না।

  13. ¶ যখন উত্সবের অর্ধেক দিন পার হয়ে গেল তখন যীশু উপাসনা ঘরে গিয়ে শিক্ষা দিতে লাগলেন।

  14. ¶ এর পরে যখন পঞ্চশত্তমীর ইহুদীদের নিস্তারপর্ব্ব ভোজের পরে পঞ্চাশতম দিন কে পঞ্চশত্তমীর দিন বলে৷ দিন এলো, তাঁরা সবাই একমনে, এক জায়গায় মিলিত হয়ে প্রার্থনায় ছিলেন।

  15. তখন হঠাৎ স্বর্গ থেকে প্রচণ্ড গতির বায়ুর শব্দের মত শব্দ এলো, যে ঘরে তাঁরা বসে ছিলেন, সেই ঘরের সব জায়গায় তা ছড়িয়ে পড়ল।

  16. এবং জিভের মত দেখতে এমন অনেক আগুনের শিখা তাঁরা দেখতে পেলেন এবং সেগুলো তাঁদের প্রত্যেকের উপর অবস্থিতি করল।

  17. তারফলে তাঁরা সবাই পবিত্র আত্মায় পরিপূর্ণ হলেন, আত্মা যাকে যেমন যেমন ভাষা বলার শক্তি দিলেন, সেভাবে তাঁরা অন্য অন্য ভাষায় কথা বলতে আরম্ভ করলেন।

  18. সেদিন যিরূশালেমে বসবাসকারী ইহুদীরা এবং আকাশের নিচে প্রত্যেক জাতি থেকে আসা ঈশ্বরের লোকেরা, সেখানে ছিলেন।

  19. ¶ আর স্তিফান অনুগ্রহে ও শক্তিতে পূর্ণ হয়ে লোকদের মধ্যে অনেক আশ্চর্য্য লক্ষণ ও চিহ্ন-কাজ করতে লাগলেন।

  20. কিন্তু যাকে লিবর্ত্তীনয়দের সমাজঘর বলে, তার কয়েক জন এবং কুরিনীয় ও আলেকসান্দ্রিয় শহরের লোক এবং কিলিকিয়া ও এশিয়ার অঞ্চলের কতগুলো লোক উঠে স্তিফানের সাথে তর্ক বিতর্ক করতে লাগল।

  21. কিন্তু তিনি যে জ্ঞান ও যে আত্মার শক্তিতে কথা বলছিলেন, তার বিরোধ করার ক্ষমতা তাদের ছিল না।।

  22. তখন তারা কয়েক জন লোককে গোপনে প্ররোচনা দিল, আর তারা বলল, আমরা স্তিফানকে মোশির ও ঈশ্বরের নিন্দা ও অপমানজনক কথা বলতে শুনেছি।

  23. তারা জনগণকে এবং প্রাচীনদের ও ব্যবস্থার শিক্ষকদের রাগিয়ে তুললো এবং স্তিফানকে মারার জন্য ধরল ও মহাসভায় নিয়ে গেল;

  24. এবং মিথ্যাসাক্ষী দাঁড় করাল যারা বলল, এ ব্যক্তি পবিত্র স্থানের ও ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ঈশ্বরনিন্দার কথা বলা বন্ধ করে নি;

  25. কারণ আমরা একে বলতে শুনেছি যে, সেই নাসরতীয় যীশু এই স্থান ভেঙে ফেলবে এবং মোশি আমাদের কাছে যে সমস্ত নিয়ম কানুন দিয়েছেন, সেগুলো পাল্টে দেবে।