মূল বিষয়বস্তুতে যান

The Punishment of the Wicked সম্পর্কে বাইবেলের পদ

157 টি পদ · 57 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. তা সত্বেও, যারা আদমের মত আজ্ঞা অমান্য করে পাপ করে নি, আদম থেকে মোশি পর্যন্ত তাদের উপরেও মৃত্যু রাজত্ব করেছিল। আর যার আসার কথা ছিল আদম তাঁরই প্রতিরূপ।

  2. কিন্তু তবুও পাপ যে রকম ঈশ্বরের অনুগ্রহ দান সেরকম নয়। কারণ সেই এক জনের পাপের জন্য যখন অনেকে মরল, তখন ঈশ্বরের অনুগ্রহ এবং আর একজন যীশু খ্রীষ্টের মধ্য দিয়ে অনুগ্রহের দেওয়া দান অনেক মানুষের জন্য আরও বেশি পরিমাণে উপচে পড়ল।

  3. কারণ এক জনের পাপ করার জন্য যেমন ফল হল এই দান তেমন নয়; কারণ বিচারে এক জনের পাপের জন্য অনেক মানুষের শাস্তির যোগ্য বলে ধরা হয়েছে, কিন্তু অনুগ্রহ দান অনেক মানুষের পাপ থেকে ধার্মিক গণনা অবধি।

  4. কারণ সেই এক জনের পাপের জন্য যখন সেই এক জনের মাধ্যমে মৃত্যু রাজত্ব করল, তখন সেই আর একজন যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে, যারা অনুগ্রহের ও ধার্ম্মিকতা দানের উপচয় পায়, তারা কত না বেশি নিশ্চিত জীবনে রাজত্ব করবে।

  5. এখন যে সব বিষয়ে তোমাদের লজ্জা মনে হচ্ছে, তৎকালে সেই সবে তোমাদের কি ফল হত? বাস্তবিক সে সকলের পরিণাম মৃত্যু।

  6. কারণ পাপের বেতন মৃত্যু; কিন্তু ঈশ্বরের অনুগ্রহ দান হলো আমাদের প্রভু খ্রীষ্ট যীশুতে অনন্ত জীবন।

  7. সত্য কথা! কারণ অবিশ্বাস করার জন্যই উহাদের ভেঙে ফেলা হয়েছে, কিন্তু তুমি তোমার বিশ্বাসের জন্যই দাঁড়িয়ে আছ। নিজেকে খুব বড় ভেবো না, কিন্তু ভয় কর।

  8. এই সব বিষয় আমাদের দৃষ্টান্তস্বরূপে ঘটেছিল, যেন তাঁরা যেমন মন্দ অভিলাষ করেছিলেন, আমরা তেমনি মন্দ বিষয়ের অভিলাষ না করি।

  9. আবার যেমন তাঁদের মধ্যে কিছু পূজারী প্রতিমা পূজো শুরু করেছিল, তোমরা তেমনি প্রতিমা পূজো কর না; যেমন লেখা আছে, “লোকেরা ভোজন পান করতে বসল, পরে উঠে দাঁড়িয়ে নাচতে শুরু করল।”

  10. আবার যেমন তাঁদের মধ্যে কিছু লোক ব্যভিচার করেছিল এবং এক দিনের তেইশ হাজার লোক মারা গেল, আমরা যেন তেমনি ব্যভিচার না করি।

  11. আর যেমন তাঁদের মধ্যে কিছু লোক প্রভুর পরীক্ষা করেছিল এবং সাপের কামড়ে মারা গিয়েছিল, আমরা যেন তেমনি প্রভুর পরীক্ষা না করি।

  12. আর যেমন তাঁদের মধ্যে কিছু লোক ঝগড়া করেছিল এবং ধ্বংসকারী স্বর্গদূতের মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, তোমরা তেমনি ঝগড়া কর না।

  13. এই সকল তাদের প্রতি দৃষ্টান্তস্বরূপ ঘটেছিল এবং আমাদেরই চেতনার জন্য লেখা হল; কারণ, আমরা শেষ যুগে এসে পৌছেছি।

  14. কারণ অবশ্যই আমাদের সবাইকে খ্রীষ্টের বিচার আসনের সামনে হাজির হতে হবে, যেন এই দেহে থাকতে যা কিছু করেছি তা ভালো কাজ হোক বা খারাপ কাজ হোক সেই হিসাবে আমরা সবাই সেই মত ফল পাই।

  15. তাই নিজের দেহের উদ্দেশ্যে যে বোনে, সে দেহ থেকে ক্ষয়শীল শস্য পাবে, কিন্তু পবিত্র আত্মার উদ্দেশ্যে যে বোনে, সে আত্মা থেকে অনন্ত জীবনস্বরূপ শস্য পাবে।

  16. অযথা কথা দিয়ে কেউ যেন তোমাদেরকে না ভুলায়; কারণ এই সকল দোষের কারণে অবাধ্যতার সন্তানদের উপরে ঈশ্বরের ক্রোধ আসে।

  17. লোকে যখন বলে, শান্তি ও অভয়, তক্ষুনি তাদের কাছে যেমন গর্ভবতীর প্রসব বেদনা উপস্থিত হয়ে থাকে, তেমনই আকষ্মিক বিনাশ উপস্থিত হয়; আর তারা কোনোও ভাবে এড়াতে পারবে না।

  18. বাস্তবিক ঈশ্বরের কাছে এটা ন্যায় বিচার যে, যারা তোমাদেরকে কষ্ট দেয়, তিনি তাদেরকে প্রতিশোধে কষ্ট দেবেন,

  19. এবং যারা ঈশ্বরকে জানে না ও যারা আমাদের প্রভু যীশুর সুসমাচারের আদেশ মেনে চলে না, তাদেরকে সমুচিত শাস্তি দেবেন।

  20. তারা প্রভুর উপস্থিতি থেকে ও তাঁর শক্তির প্রতাপ থেকে দূর হবে এবং তারা অনন্তকালস্থায়ী বিনাশরূপ শাস্তি ভোগ করবে,

  21. কারণ দূতদের মাধ্যমে যে কথা বলা হয়েছে তা ন্যায্য এবং লোকে কোনোভাবে তা লঙ্ঘন করলে কিংবা তার অবাধ্য হলে শুধু শাস্তি পাবে।

  22. ঈশ্বর কাদের বিরুদ্ধেই বা এই শপথ করেছিলেন যে, “এরা আমার বিশ্রামে প্রবেশ করবে না,” অবাধ্যদের বিরুদ্ধে কি না?

  23. এতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, অবিশ্বাসের কারণেই তারা প্রবেশ করতে পারল না।

  24. কারণ যেভাবে ইস্রায়েলীয়দের কাছে সেইভাবে আমাদের কাছেও সুসমাচার প্রচারিত হয়েছিল বটে, কিন্তু সেই বার্তা যারা শুনেছিল তাদের কোনো লাভ হল না, কারণ তারা বিশ্বাসের সঙ্গে ছিল না।

  25. এতে জানি, প্রভু ভক্তদেরকে পরীক্ষা থেকে উদ্ধার করতে এবং অধার্মিকদেরকে দন্ডাধীনে বিচার দিনের র জন্য রাখতে জানেন।