Skip to content

The Scriptures সম্পর্কে বাইবেলের পদ

159 টি পদ · 108 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. আমরা সেই সমস্ত বিষয়েরই কথা, যা মানুষের শিক্ষা অনুযায়ী জ্ঞানের কথা দিয়ে নয়, কিন্তু আত্মার শিক্ষা অনুযায়ী কথা বলছি; আত্মিক বিষয় আত্মিক বিষয়ের সঙ্গে যোগ করছি।

  2. কিন্তু জাগতিক ব্যক্তি ঈশ্বরের আত্মার বিষয়গুলি গ্রহণ করেন না, কারণ তার কাছে সে সব মূর্খতা; আর সে সব সে জানতে পারে না, কারণ তা আত্মিক ভাবে বিচারিত হয়।

  3. এই সকল তাদের প্রতি দৃষ্টান্তস্বরূপ ঘটেছিল এবং আমাদেরই চেতনার জন্য লেখা হল; কারণ, আমরা শেষ যুগে এসে পৌছেছি।

  4. ফলে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমি তোমাদের কাছে এই শিক্ষা দিয়েছি এবং এটা নিজেও পেয়েছি যে, শাস্ত্রানুসারে খ্রীষ্ট আমাদের পাপের জন্য মারা গেলেন।

  5. কারণ আমরা অন্যদের মত নয়, যে, ঈশ্বরের বাক্য নিজের লাভের জন্য বিকৃত করছি। বরং শুদ্ধতার সঙ্গে ঈশ্বরের লোক হিসাবে আমরা ঈশ্বরের দৃষ্টিতে খ্রীষ্টের কথা বলছি।

  6. তিনিই আমাদের নতুন নিয়ম জানাবার জন্য যোগ্য করেছেন এবং তা অক্ষরের নয় কিন্তু পবিত্র আত্মায় পরিচালনা হবার যোগ্য করেছেন; কারণ অক্ষর মৃত্যু আনে কিন্তু পবিত্র আত্মা জীবন দেয়।

  7. বরং অন্যেরা যে সব লজ্জার ও গুপ্ত কাজ করে তা আমরা করি না। আমরা ছলনা করি না এবং ঈশ্বরের বাক্যকে ভুল ব্যাখ্যা করি না, কিন্তু ঈশ্বরের সামনে সত্য প্রকাশ করে মানুষের বিবেক নিজেদেরকে যোগ্য করে তোলে।

  8. বাস্তবিক যারা নিয়মের ক্রিয়া অনুযায়ী চলে, তারা সবাই অভিশাপের অধীন, কারণ লেখা আছে, “যে কেউ নিয়মগ্রন্থে লেখা সব কথা পালন করবার জন্য তাতে স্থির না থাকে, সে শাপগ্রস্ত।”

  9. যেন তিনি জল স্নান দ্বারা বাক্যে তাকে শুচি করে পবিত্র করেন,

  10. ঈশ্বরের সব যুদ্ধের সাজ পরিধান কর, যেন শয়তানের নানারকম মন্দ পরিকল্পনার সামনে দাঁড়াতে পার।

  11. এবং উদ্ধারের শিরস্ত্রাণ ও আত্মার খড়গ, অর্থাৎ ঈশ্বরের বাক্য গ্রহণ কর।

  12. খ্রীষ্টের বাক্য প্রচুর পরিমাণে তোমাদের হৃদয়ে বাস করুক। তোমাদের সব জ্ঞান দিয়ে গীত এবং স্ত্রোত্র এবং আত্মিক গান দিয়ে একে অপরকে শিক্ষা ও চেতনা দাও, কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তোমরা হৃদয় দিয়ে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে ধন্যবাদের সঙ্গে গান কর।

  13. ¶ এই কারণে আমরাও সবদিন ঈশ্বরের ধন্যবাদ করছি। আমাদের কাছে ঈশ্বরের পাঠানো বাক্য পেয়ে, তোমরা মানুষদের বাক্য নয়, কিন্তু ঈশ্বরের বাক্য বলে তা গ্রহণ করেছিলে; তা সত্যই ঈশ্বরের বাক্য এবং তোমরা বিশ্বাসী তোমাদের মধ্যে নিজ কার্য্য সম্পন্ন করছো।

  14. আরও জান, তুমি ছেলেবেলা থেকে পবিত্র বাক্য থেকে শিক্ষালাভ করেছ, সে সব পবিত্র শাস্ত্রে খ্রীষ্ট যীশু সম্বন্ধে বিশ্বাসের মাধ্যমে পরিত্রানের জন্য জ্ঞান দিতে পারে।

  15. শাস্ত্রের প্রত্যেক কথা ঈশ্বরের মাধ্যমে এসেছে এবং সেগুলি শিক্ষার, চেতনার, সংশোধনের, ধার্মিকতার সম্বন্ধে শাসনের জন্য উপকারী,

  16. যেন ঈশ্বরের লোক সম্পূর্ণভাবে পরিপক্ক হয়ে, সব ভাল কাজের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।

  17. ¶ সেইজন্য, পবিত্র আত্মা যেমন বলেন, “আজ যদি তোমরা তাঁর রব শোনো,

  18. কারণ ঈশ্বরের বাক্য জীবন্ত ও কার্য্যকরী এবং দুধার খড়গ থেকে তীক্ষ্ণ এবং প্রাণ ও আত্মা, গ্রন্থি ও মজ্জা, এই সবের বিভেদ করে এবং এটা মনের চিন্তা ও উদ্দেশ্যে উপলব্ধি করতে সক্ষম;

  19. ঈশ্বর তাঁর নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী সত্যের বাক্য দিয়ে আমাদেরকে জীবন দিয়েছেন, যেন আমরা তাঁর সমস্ত সৃষ্টির মধ্যে প্রথম ফলের মতো হই।

  20. অতএব, তোমরা সমস্ত অপবিত্রতা ও মন্দতা ত্যাগ করে, নম্র ভাবে সেই বাক্য যা তোমাদের মধ্যে রোপণ করা হয়েছে তা গ্রহণ কর, যা তোমাদের প্রাণের উদ্ধার করতে সক্ষম।

  21. আর বাক্যর কার্য্যকারী হও, নিজেদের ঠকিয়ে শুধু বাক্যের শ্রোতা হয়ো না।

  22. কারণ যে শুধু বাক্য শোনে, কিন্তু সেইমতো কাজ না করে, সে এমন ব্যক্তির তুল্য, যে আয়নায় নিজের স্বাভাবিক মুখ দেখে;

  23. কিন্তু যে কেউ মনোযোগের সঙ্গে স্বাধীনতার নিখুঁত ব্যবস্থায় দৃষ্টিপাত করে ও তাতে মনযোগ দেয় এবং ভুলে যাওয়ার জন্য শ্রোতা না হয়ে সেই বাক্য অনুযায়ী কাজ করে, সে নিজের কাজে ধন্য হবে।

  24. কারণ পবিত্র শাস্ত্রে লেখা আছে, “তোমরা পবিত্র হবে, কারণ আমি পবিত্র।”

  25. কারণ তোমরা ক্ষয়মান বীজ থেকে নয়, কিন্তু যে বীজ কখনো নষ্ট হবে না সে বীজ থেকে জীবন্ত ও চিরকালের ঈশ্বরের বাক্যর মাধ্যমে তোমাদের জন্ম হয়েছে।