Skip to content

Rain সম্পর্কে বাইবেলের পদ

116 টি পদ · 65 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. পর্বতেরা উঁচু হল, সমতল নিচু হল এবং উপত্যকা ছড়িয়ে পড়ল সেই জায়গায় যেখানে তুমি জলের জন্য নিযুক্ত করেছিলে।

  2. তিনি দূর থেকে মেঘ আনেন, তিনি বৃষ্টির সঙ্গে বিদ্যুৎ তৈরী করেন এবং তার ভান্ডার থেকে বাতাস বের করে আনেন।

  3. ধন্যবাদ সহকারে সদাপ্রভুুর গান কর, বীণা বাজিয়ে আমাদের ঈশ্বরের প্রশংসা কর।

  4. তিনি আকাশমণ্ডলকে মেঘ দিয়ে ঢেকে দেন এবং তিনি পৃথিবীর জন্য বৃষ্টি প্রস্তুত করেন, তিনি পর্বতদের ওপরে ঘাস জন্মান।

  5. উত্তরের বাতাস বৃষ্টি আনে, তেমনি যে গোপন কথা বলে তার ধিক্কারপূর্ণ মুখ আছে।

  6. যেমন গ্রীষ্মকালে বরফ ও শস্য কাটার দিন বৃষ্টি, তেমনি নির্বোধের পক্ষে সম্মান উপযুক্ত নয়।

  7. যে দরিদ্র লোক দীনহীনদের প্রতি উপদ্রব করে, সে এমন ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়া বৃষ্টির মত, যার পরে খাবার থাকে না।

  8. যদি মেঘ বৃষ্টিতে পূর্ণ হয়, তারা তাদের পৃথিবীর ওপর খালি করবে এবং যদি একটা গাছ দক্ষিণে দিকে পড়ে বা উত্তর দিকে পড়ে, যে দিকেই সেই গাছ পড়ুক, সেখানেই এটা থেকে যাবে।

  9. এটা দিনের রবেলায় রোদ থেকে ছায়া পাবার জন্য একটা ছাউনি এবং ঝড় ও বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাবার জন্য একটা আশ্রয়ের জায়গা হবে।

  10. সদাপ্রভু আমাকে বলছেন, “আমি শান্তভাবে আমার বাড়ি থেকে পর্যবেক্ষণ করবো, সূর্য্যের মতো উজ্জ্বল তাপের মত, গরমকালে ফসল কাটবার দিনের কুয়াশার মেঘের মত।”

  11. বস্তুত সদাপ্রভু উঠবেন, যেমন পরাসীম পর্বতে উঠেছিলেন; তিনি রাগ করবেন, তেমন গিবিয়োনের উপত্যকাতে যেমন করেছিলেন; এই ভাবে তিনি নিজের কাজ, নিজের অসম্ভব কাজ সম্পন্ন করবেন; নিজের বিষয়, নিজের বিদেশীর বিষয় সম্পন্ন করবেন।

  12. তিনি তোমাদের বৃষ্টি দেবেন যাতে তোমরা মাটিতে বীজ বুনতে পার এবং ভূমি থেকে প্রচুর পরিমাণে রুটি দেবেন এবং ফসল প্রচুর পরিমাণে হবে। সেই দিন তোমাদের পশুপালগুলো অনেক বড় মাঠে চরবে।

  13. কারণ যেমন বৃষ্টি ও তুষার আকাশ থেকে নেমে আসে এবং সেখানে ফিরে যায় না, ভূমিকে আদ্র করে ফলবতী ও অঙ্কুরিত করে এবং যে বীজ বোনে তার জন্য বীজ আর যে খায় তার জন্য খাবার দান করে।

  14. তাই আমার মুখ থেকে বের হওয়া বাক্য; তা নিষ্ফল হয়ে আমার কাছে ফিরে আসবে না, কিন্তু তা আমার ইচ্ছামত কাজ করবে আর যে উদ্দেশ্যে আমি পাঠিয়েছি তা সফল করবে।

  15. এই জন্য বসন্তের বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেছে এবং শেষের বর্ষাও আসেনি। কিন্তু তোমার মুখ অহঙ্কারী, ব্যভিচারী মহিলার মুখের মত। তুমি লজ্জিত হতে অস্বীকার করেছ।

  16. তারা মনে মনেও বলে না, ‘এস, আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুকে আমরা ভয় করি, যিনি নির্দিষ্ট দিনের প্রথম ও শেষ বৃষ্টি দেন, আমাদের জন্য ফসল কাটবার নির্দিষ্ট সপ্তাহ রক্ষা করেন।’

  17. তোমাদের অন্যায় এই সব দূরে রেখেছে। তোমাদের পাপ তোমাদের মঙ্গল হতে বাধা দেয়।

  18. তার জন্য মাটি ফেটে গেছে, কারণ দেশে কোন বৃষ্টি হয়নি। চাষীরা লজ্জিত হয়ে মাথা ঢাকা দেয়।

  19. জাতিদের মধ্যে কোনো মূর্ত্তি কি আকাশমণ্ডল থেকে বসন্তের বৃষ্টি আনতে পারে? তুমিই কি সেই জন না, আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু, যিনি তা পারেন। আমরা তোমাতেই আশা রাখি, কারণ তুমিই এই সমস্ত কিছু করে থাক।”

  20. এটা দেখতে ধনুকের মত যা বৃষ্টির দিনের মেঘের মধ্যে দেখা যায় যেন চারদিকে উজ্জ্বল আলো সদাপ্রভুর মহিমার মত সামনে এল। যখনই আমি তা দেখলাম আমি আমার মুখে অনুভব করলাম এবং এক জনের কথা বলার আওয়াজ শুনতে পেলাম।

  21. অতএব প্রভু সদাপ্রভু এ কথা বলেন, আমি রাগে ঝড় আনবো, আমার রাগে প্লাবনকারী বৃষ্টি আসবে এবং আমার রাগে ঝড় আসবে আর সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেবে।

  22. আমি দেয়াল ভেঙে দেব যা তোমার রঙে ঢেকে দিয়েছিলে এবং আমি ধ্বংস করে মাটিতে মিশিয়ে দেবো এবং ভিত্তি খালি করে রাখবো। তাই এটা পড়ে যাবে। এর মাঝখানে তোমাদেরকে বিলুপ্ত করে দেবো। তারপর তোমার জানবে যে আমি সদাপ্রভু।

  23. এই ভাবে আমি সেই ভিত্তিতে এবং যারা তা লেপন করেছে তাদের ওপর রাগ সম্পন্ন করব; আমি তোমাদেরকে বলব, সেই ভিত্তি আর নেই এবং তার লেপনকারিরাও নেই;

  24. আমি তাদেরকে ও গিরির চারদিকের পরিসীমাকে আশীর্বাদ করব, ঠিকদিনের জলধারা বইয়ে দেবো,

  25. তারপর ক্ষেতের গাছ ফল উৎপন্ন করবে ও ভূমি শস্য দেবে এবং আমার মেষ নির্ভয়ে স্বদেশে থাকবে, তাতে তারা জানবে যে, আমি সদাপ্রভু, যখন আমি তাদের দাসত্ব ভেঙে ফেলব এবং যারা তাদেরকে দাসত্ব করিয়েছে, তাদের হাত থেকে উদ্ধার করবো।