Temperance সম্পর্কে বাইবেলের পদ
প্রধান বাইবেল পদ
আর রাজার উদারতা অনুসারে সোনার পাত্রে পানীয় ও প্রচুর রাজকীয় আঙ্গুরের রস দেওয়া হল, সেই সব পাত্র নানা ধরনের ছিল।
তাতে ব্যবস্থা অনুযায়ী পান করা হল, কেউ জোর করল না; কারণ যার যেমন ইচ্ছা, সেই অনুযায়ী তাকে করতে দাও, এই আদেশ রাজা নিজের বাড়ির সমস্ত কর্মচারীকে দিয়েছিলেন।
যখন তুমি শাসনকর্ত্তার সঙ্গে খেতে বসবে, তখন তোমার সামনে কি রাখা আছে, ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ কোরো;
আর যদি তুমি এমন এক জনের মতো হও যে প্রচুর খাবার খায়, তবে ছুরি নিয়ে নিজের গলায় দেয়।
তার সুস্বাদু খাবারের আকাঙ্খা কোরো না, কারণ তা মিথ্যার খাবার।
যদি তুমি মধু পাও তবে তোমার পক্ষে যথেষ্ট, তাই খাও; পাছে বেশি খেলে বমি কর।
কিন্তু দানিয়েল মনে মনে ঠিক করলেন যে, তিনি রাজার খাবার ও আঙ্গুর রস যা রাজা পান করত তা দিয়ে নিজেকে অশুচি করবেন না। যাতে তিনি নিজেকে অশুচি না করেন তাই তিনি প্রধান রাজকর্মচারীর কাছে অনুমতি চাইলেন।
তিনি বললেন “দয়া করে আমাদের, আপনার এই দাসদের দশ দিন পরীক্ষা করে দেখুন; আমাদের শুধু খাওয়ার জন্য কিছু শাক সব্জি ও জল পান করতে দিন।
তখন আমাদের চেহারার সঙ্গে রাজার সুস্বাদু খাবার খাওয়া সেই সমস্ত যুবকদের চেহারার তুলনা করে দেখবেন এবং আপনি যেমন দেখবেন সেই অনুসারেই আমাদের, আপনার এই দাসদের সঙ্গে ব্যবহার করবেন।”
অতএব সেই দেখাশোনা করার লোকটি সেই কথায় রাজি হলেন এবং তিনি তাঁদের দশ দিন পরীক্ষা করলেন।
দশ দিনের র শেষে তাদের চেহারা রাজার সুস্বাদু খাবার খাওয়া যুবকদের থেকেও আরও বেশি স্বাস্থ্যবান ও পরিপুষ্ট দেখতে পাওয়া গেল।
তাই সেই দেখাশোনা করার লোকটি রাজার খাবার ও আঙ্গুর রস সরিয়ে নিলেন এবং তাঁদের শুধু শাক সব্জি দিলেন।
কিন্তু তোমরা প্রভু যীশু খ্রীষ্টকে পরিধান কর এবং দেহের ইচ্ছা পূর্ণ করবার দিকে মন দিও না।
আর যে কেউ মল্লযুদ্ধ করে, সে সব বিষয়ে ইন্দ্রিয় দমন করে। তারা অস্থায়ী বিজয় মুকুট পাবার জন্য তা করে, কিন্তু আমরা অক্ষয় মুকুট পাবার জন্য করি।
বরং আমার নিজের শরীরকে প্রহার করে দাসত্বে রাখছি, যদি অন্য লোকদের কাছে প্রচার করবার পর আমি নিজে কোন ভাবে অযোগ্য হয়ে না পড়ি।
তোমাদের নম্রতা যেন সবাই দেখতে পায়। প্রভু শীঘ্রই আসছেন।
অতএব এস, আমরা অন্য সবার মত ঘুমিয়ে না পড়ি, বরং জেগে থাকি ও আত্ম নিয়ন্ত্রিত হই।
কারণ যারা ঘুমিয়ে পড়ে, তারা রাতেই ঘুমিয়ে পড়ে এবং যারা মদ্যপায়ী, তারা রাতেই মত্ত হয়।
কিন্তু আমরা দিবসের বলে এস, আত্ম নিয়ন্ত্রিত হই, বিশ্বাস ও প্রেমরূপ বুকপাটা পরি এবং পরিত্রানের আশারূপ শিরস্ত্র মাথায় দিই;
তাই এটা অতি অবশ্যই যে, পালককে কেউ যেন দোষ দিতে না পারে, তিনি এক স্ত্রীর স্বামী হবেন, সচেতন, আত্মসংযমী, সংযত, অতিথিসেবা করতে ভালবাসেন এবং শিক্ষাদানে পারদর্শী হন;
তিনি মাতাল, মারকুটে, ঝগড়াটে এবং টাকার প্রেমী যেন না হন, বরং শান্ত, ভদ্র, নম্র হন।
সেই রকম পরিচারকদেরও এমন হওয়া দরকার, যেন তাঁরা সম্মান পাওয়ার যোগ্য হন, যেন এক কথার মানুষ হন, মাতাল ও লোভী না হন,
ঈশ্বরের তত্ত্বাবধায়ক লোক হিসাবে, সেই পালককে এমন হতে হবে, যাতে কেউ তাঁর নিন্দা করতে না পারে; অসংযত, বদমেজাজী, মাতাল, প্রহারক বা কুৎসিত অর্থ লোভী যেন না হয়।
কিন্তু অতিথি সেবক, সৎপ্রেমিক, সংযত, ভালো বিচার বুদ্ধি সম্পন্ন, ধার্মিক ও নিজেকে দমন রাখে এমন হতে হবে।
বৃদ্ধদেরকে বল, যেন তাঁরা আত্মসংযমী, ধীর, সংযত, [এবং] বিশ্বাসে, প্রেমে, ধৈর্য্যে নিরাময় হন।