মূল বিষয়বস্তুতে যান

The Power of Christ সম্পর্কে বাইবেলের পদ

62 টি পদ · 34 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. তুমি একটি লোহার রাজদণ্ড দিয়ে তাদের ভাঙ্গবে, তুমি তাদের কুমোরের পাত্রের মত সম্পূর্ণ ধ্বংস করবে।”

  2. তোমার বিক্রম দিনের তোমার প্রজারা তোমাকে অনুসরণ করবে স্ব-ইচ্ছায় পবিত্র পর্বতের ওপরে; ভোরের গর্ভ থেকে বেরিয়ে যাবে শিশিরের মতো তোমার যুবকেরা।”

  3. পরিবর্তে, তিনি ধার্ম্মিকতায় গরিবদের বিচার করবেন এবং সুন্দরভাবে পৃথিবীর নম্রদের জন্য নিষ্পত্তি করবেন। তিনি তার মুখের লাঠির দ্বারা পৃথিবীকে আঘাত করবেন, নিজের ঠোঁটের নিঃশ্বাস দিয়ে দুষ্টকে হত্যা করবেন।

  4. ¶ উনি কে যিনি ইদোম থেকে আসছেন, বস্রা থেকে লাল রঙের পোশাক পরে আসছেন? উনি কে যিনি রাজকীয় পোশাকে মহাশক্তিতে, দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে আসছেন? এ আমি, ন্যায়ভাবে কথা বলি এবং আমি মহাশক্তিতে উদ্ধার করি।

  5. আমি একাই আঙ্গুর মাড়াই করেছি এবং জাতিদের মধ্যে কেউ আমার সঙ্গে যোগ দেয় নি। আমি রাগে তাদের পেশাই করেছি ও ভীষণ ক্রোধে তাদের পায়ে মাড়িয়েছি৷ তাদের রক্তের ছিটা আমার পোশাকে লেগেছে এবং আমার সমস্ত কাপড়ে দাগ লেগেছে।

  6. যীশু যখন এই সব কথা শেষ করলেন, লোকরা তাঁর শিক্ষায় চমৎকৃত হল;

  7. কারণ তিনি ক্ষমতাপন্ন ব্যক্তির মত তাদের শিক্ষা দিতেন, তাদের ব্যবস্থার শিক্ষকদের মত নয়।

  8. আর সেই লোকেরা অবাক হয়ে বললেন, আঃ! ইনি কেমন লোক, বাতাস ও সমুদ্রও যে এর আদেশ মানে!

  9. কিন্তু পৃথিবীতে পাপ ক্ষমা করতে মনুষ্যপুত্রের অধিকার আছে, এটা যেন তোমরা জানতে পার,” এই জন্য তিনি সেই পক্ষাঘাতীকে বললেন “ওঠ, তোমার বিছানা তুলে নাও এবং তোমার ঘরে চলে যাও।”

  10. ¶ পরে তিনি নিজের বারো জন শিষ্যকে কাছে ডেকে তাঁদের অশুচি আত্মাদের উপরে শিক্ষা দিলেন, যেন তাঁরা তাদের ছাড়াতে এবং সব রকম রোগ-ব্যাধি থেকে সুস্থ করতে পারেন।

  11. তখন যীশু কাছে এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বললেন, “স্বর্গে ও পৃথিবীতে সমস্ত ক্ষমতা আমাকে দেওয়া হয়েছে।

  12. সেই দিন লোকেরা মনুষ্যপুত্রকে মহা শক্তি ও মহা প্রতাপে সঙ্গে মেঘের ভেতর দিয়ে আসতে দেখবে।

  13. আর যারা বিশ্বাস করে, তাদের ভেতরে এই চিহ্নগুলো দেখা যাবে; তারা আমার নামে ভূত ছাড়াবে, তারা নতুন নতুন ভাষায় কথা বলবে।

  14. তারা হাতে করে সাপ তুলবে এবং তারা যদি বিষাক্ত কিছু পান করে তাতেও তারা মারা যাবে না; তারা অসুস্থদের মাথার ওপরে হাত রাখলে তারা সুস্থ হবে।

  15. এবং লোকরা তাঁর শিক্ষায় চমৎকৃত হল; কারণ তিনি ক্ষমতার সঙ্গে কথা বলতেন।

  16. ¶ আর এক দিন তিনি উপদেশ দিচ্ছিলেন এবং ফরীশীরা ও ব্যবস্থা গুরুরা কাছেই বসেছিল; তারা গালীল ও যিহুদিয়ার সমস্ত গ্রাম এবং যিরুশালেম থেকে এসেছিল; আর তাঁর সঙ্গে প্রভুর শক্তি উপস্থিত ছিল, যেন তিনি সুস্থ করেন।

  17. পরে সেই সত্তর জন আনন্দের সঙ্গে ফিরে এসে বলল, “প্রভু, আপনার নামে ভূতেরাও আমাদের বশীভূত হয়।”

  18. সব কিছুই তাঁর মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে, যা হয়েছে, তার কোনো কিছুই তাঁকে ছাড়া সৃষ্টি হয়নি।

  19. তিনি পৃথিবীর মধ্যে ছিলেন এবং পৃথিবী তাঁর দ্বারা সৃষ্টি হয়েছিল আর পৃথিবী তাঁকে চিনত না।

  20. যীশু উত্তর দিয়ে তাদেরকে বললেন, তোমরা এই মন্দির ভেঙে ফেল, আমি তিন দিনের মধ্যে আবার সেটা ওঠাব।

  21. তখন ইহূদিরা বলল, এই মন্দির তৈরী করতে ছেচল্লিশ বছর লেগেছে আর তুমি কি তিন দিনের মধ্যে সেটা ওঠাবে?

  22. যদিও ঈশ্বরের মন্দির বলতে তিনি নিজের শরীরের কথা বলছিলেন।

  23. পিতা পুত্রকে ভালবাসেন এবং সব কিছুই তাঁর হাতে দিয়েছেন।

  24. যীশু তাদেরকে উত্তর দিলেন, আমার পিতা এখনও পর্যন্ত কাজ করেন এবং আমিও করি।

  25. এই কারণে ইহূদিরা তাঁকে মেরে ফেলার খুব চেষ্টা করছিল কারণ তিনি শুধু বিশ্রামবারের নিয়ম ভাঙছিলেন তা নয় কিন্তু তিনি ঈশ্বরকেও নিজের পিতা বলে নিজেকে ঈশ্বরের সমান করতেন।