Skip to content

Ships সম্পর্কে বাইবেলের পদ

79 টি পদ · 53 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. আর চল্লিশ দিন পর্যন্ত পৃথিবীতে বন্যা হল, তাতে জল বৃদ্ধি পেয়ে জাহাজ ভাসালে তা মাটি ছেড়ে উঠল।

  2. পরে জল প্রবল হয়ে পৃথিবীতে অনেক বেড়ে গেল এবং জাহাজ জলের উপরে ভেসে উঠল।

  3. সবূলূন সমুদ্রতীরে বাস করবে, তা জাহাজের জন্য বন্দর হবে, সীদোন পর্যন্ত তার সীমা হবে।

  4. কিত্তীমের তীর থেকে জাহাজ আসবে; তারা অশূরকে দুঃখ দেবে, এবরকে দুঃখ দেবে, কিন্তু তাদেরও বিনাশ ঘটবে।”

  5. গিলিয়দ যর্দ্দনের ওপারে বাস করল, আর দান কেন জাহাজে থাকল? আশের সমুদ্রে বন্দরে বসে থাকল, নিজের বন্দরের ধারে বাস করল।

  6. রাজা শলোমন সুফসাগরের তীরে ইদোমের এলৎ শহরের কাছে ইৎসিয়োন গেবরে কিছু জাহাজ তৈরী করলেন।

  7. যিহোশাফট সোনা ওফীরে নিয়ে যাবার জন্য কতগুলো বড় বড় তর্শীশ জাহাজ তৈরী করলেন, কিন্তু সেগুলোর আর যাওয়া হল না, কারণ ইৎসিয়োন গেবরে সেগুলো ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।

  8. আর হূরম তাঁর দাসেদের দিয়ে তাঁর কাছে কয়েকটি জাহাজ ও সামুদ্রিক কাজে দক্ষ দাসদেরকে পাঠালেন; তারা শলোমনের দাসেদের সঙ্গে ওফীরে গিয়ে সেখান থেকে চারশো পঞ্চাশ তালন্ত সোনা নিয়ে শলোমন রাজার কাছে আনলো।

  9. কারণ হূরমের দাসেদের সঙ্গে রাজার কতগুটি জাহাজ তর্শীশে যেত; সেই তর্শীশের জাহাজগুলি তিন বছরে একবার সোনা, রূপা, হাতির দাঁত, বানর ও ময়ূর নিয়ে আসত।

  10. তারা নলখাগড়ার নৌকার মত দ্রুত এবং তারা ঈগল পাখির মত দ্রুত যা হঠাৎ আক্রমণ করে শিকারের ওপর পড়ে।

  11. তুমি পূর্ব বায়ু দিয়ে তুর্শীশের জাহাজ ভাঙ্গো।

  12. সেখানে জাহাজেরা চলাচল করে এবং সেখানে লিবিয়াথন থাকে, যা তুমি সমুদ্রে খেলা করবার জন্য তৈরী করেছো।

  13. কিছুলোক জাহাজে চড়ে সমুদ্র যাত্রা করে এবং তারা জলরাশির ওপর ব্যবসায় করে।

  14. তিনটে আমার জ্ঞানের বাইরে, চারটে আমি বুঝতে পারি না;

  15. ঈগল পাখির পথ আকাশে, সাপের পথ পাহাড়ের ওপরে, জাহাজের পথ সমুদ্রের মাঝখানে, পুরুষের পথ যুবতীতে।

  16. তিনি বাণিজ্য-জাহাজের মত, তিনি দূর থেকে নিজের খাদ্রসামগ্রী আনেন।

  17. যে সমুদ্র পথ দিয়ে নলের তৈরী নৌকায় জলের ওপর দিয়ে দূত পাঠাচ্ছে। যাও, হে দ্রুতগামী দূতেরা, যে জাতি লম্বা ও কোমল, যে জাতিকে কাছের ও দূরের লোকেরা ভয় করে, যে জাতি শক্তিশালী ও জয়ী, যার দেশ নদী বিভক্ত, তোমরা তার কাছে ফিরে যাও।

  18. ¶ সোরের বিষয়ে ঘোষণা এই: হে তর্শীশের-জাহাজ, হাহাকার কর, কারণ সেখানে কোনো ঘর নেই, বন্দরও নেই। কিত্তীম দেশ থেকে ওদের প্রতি প্রকাশিত হল।

  19. হে তর্শীশ-জাহাজ, তোমরা হাহাকার কর, কারণ তোমাদের আশ্রয়-স্থল ধ্বংস হয়ে গেছে।

  20. পরিবর্তে, সদাপ্রভুর মহিমা আমাদের সাথে থাকবে, বিস্তৃত নদী ও জলস্রোতের জায়গায়। কোন দাঁড়যুক্ত যুদ্ধজাহাজ সেখানে চলবে না; কোন বড় জাহাজ তা পার হয়ে আসবে না।

  21. তোমার পালের দড়িগুলি ঢিলা হয়ে গেছে; মাস্তুলটা শক্ত করে আটকে নেই, পালও খাটানো যায়নি। যখন বিশাল লুটপাট বিভক্ত হয়; এমনকি খোঁড়ারাও লুটের মাল নিয়ে যাবে।

  22. ¶ সদাপ্রভু, তোমাদের মুক্তিদাতা, ইস্রায়েলের সেই পবিত্রজন এই কথা বলছেন, কারণ আমি তোমাদের জন্য ব্যাবিলনে লোক পাঠিয়েছি, তাদের সবাইকে পলাতকের মত আনব, ব্যাবিলনীয়দেরকে তাদের আনন্দগানের নৌকায় করে আনব।

  23. সমস্ত উপকূল আমার জন্য তাকিয়ে থাকে ও দূর থেকে তোমার ছেলেদের ফিরিয়ে আনার জন্য তর্শীশের জাহাজগুলো পাঠানো হয়েছে এবং তাদের সোনা ও রূপা তাদের সঙ্গে আছে; তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর নামে এবং ইস্রায়েলের সেই পবিত্র ঈশ্বরের জন্যই, কারণ তিনি তোমাকে সম্মানিত করেছেন।

  24. তারা সনীরীয় দেবদারু কাঠে তোমার সমস্ত তক্তা তৈরী করেছে, তোমার জন্য মাস্তুল তৈরী করার জন্যে লিবানোন থেকে এরস গাছ গ্রহণ করেছে।

  25. তারা বাশন দেশীয় অলোন গাছ থেকে তোমার দাঁড় তৈরী করেছে; কিত্তীয় উপকূলসমূহ থেকে আনা তাশূর কাঠে খোদাই করা হাতির দাঁত দিয়ে তোমার তক্তা তৈরী করেছে।