Skip to content

Euphrates

31 verses · 2 known names

আরও পরিচিত: river

35.0900, 40.4200 গুগল মানচিত্রে দেখুন

Euphrates-এর উল্লেখ থাকা পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. সেই দিন সদাপ্রভু অব্রামের সঙ্গে নিয়ম স্থির করে বললেন, “আমি মিশরের নদী থেকে মহানদী, ফরাৎ নদী পর্যন্ত এই দেশ তোমার বংশকে দিলাম;

  2. তিনি নিজের সর্বস্ব নিয়ে পালিয়ে গেলেন এবং উঠে [ফরাৎ] নদী পার হয়ে গিলিয়দ পর্বত সামনে রেখে চলতে লাগলেন।

  3. আর সম্ল মারা গেলে পর [ফরাৎ] নদীর নিকটবর্তী রহোবোৎ-নিবাসী শৌল তাঁর পদে রাজত্ব করেন।

  4. আর সূফসাগর থেকে ফরাৎ নদী পর্যন্ত এবং মরুভূমি থেকে ইউফ্রেটিস নদী পর্যন্ত তোমার সীমানা নির্ধারণ করব; কারণ আমি সেই দেশের বসবাসকারীদের তোমার হাতে সমর্পণ করব এবং তুমি তোমার সামনে থেকে তাদেরকে তাড়িয়ে দেবে।

  5. তোমাদের যাত্রা শুরু কর, ইমোরীয়দের পার্বত্য অঞ্চলে এবং তার কাছাকাছি সব জায়গায়, অরাবা উপত্যকায়, পাহাড় অঞ্চলে, নীচু জায়গায়, দক্ষিণ প্রদেশে ও মহাসমুদ্রতীরে, মহানদী ফরাৎ পর্যন্ত কনানীয়দের দেশে ও লিবানোনে প্রবেশ কর।

  6. তোমাদের পা যে যে জায়গায় পড়বে, সেই সেই জায়গা তোমাদের হবে; মরুভূমি ও লিবানোন থেকে, নদী অর্থাৎ ফরাৎ নদী থেকে পশ্চিমে মহাসমুদ্র পর্যন্ত তোমাদের সীমা হবে।

  7. মরুভূমি ও এই লিবানোন থেকে মহানদী, ফরাৎ নদী পর্যন্ত হিত্তীয়দের সমস্ত দেশ এবং সূর্য্যের অস্ত যাওয়ার দিকে মহাসমুদ্র পর্যন্ত তোমাদের সীমা হবে।

  8. আর যে দিনের সোবার রাজা রহোবের ছেলে হদদেষর ফরাৎ নদীর কাছে নিজের কর্তৃত্ব আবার স্থাপন করতে যান, তখন দায়ূদ তাঁকে আঘাত করেন৷

  9. আর হদরেষর লোক পাঠিয়ে [ফরাৎ] নদীর পারের অরামীয়দেরকে বের করে আনলেন; তারা হেলমে এল; হদরেষরের দলের সেনাপতি শোবক তাদের থেকে এগিয়ে ছিলেন৷

  10. ইউফ্রেটিস নদী থেকে শুরু করে মিশর ও পলেষ্টীয়দের দেশের সীমা পর্যন্ত সমস্ত রাজ্যগুলো শলোমনের শাসনের অধীনে ছিল। শলোমন যতদিন বেঁচে ছিলেন ততদিন তারা তাঁকে কর দিত এবং তাঁকে সেবা করত।

  11. শলোমন ইউফ্রেটিস নদীর পশ্চিম দিকের সমস্ত রাজ্যগুলো, অর্থাৎ তিপ্‌সহ থেকে গাজা পর্যন্ত রাজত্ব করতেন এবং তার রাজ্যের সব জায়গায় শান্তি ছিল।

  12. সদাপ্রভু ইস্রায়েলকে আঘাত করবেন, আর তাতে তা জলের মধ্যে দুলতে থাকা নল খাগড়ার মত হবে। যে দেশ তিনি তাদের পূর্বপুরুষদের দিয়েছিলেন সেই সুন্দর দেশ থেকে তিনি তাদের উপড়ে তুলে ফরাৎ (ইউফ্রেটিস) নদীর ওপারে ছড়িয়ে দেবেন, কারণ আশেরা মূর্ত্তি স্থাপন করে তারা সদাপ্রভুকে অসন্তুষ্ট করে তুলেছে।

  13. তাঁর রাজত্বের দিনের মিশরের রাজা ফরৌণ নখো অশূর রাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য ইউফ্রেটিস নদীর দিকে গেলেন। তখন যোশিয় রাজা নখোর সঙ্গে যুদ্ধ করবার জন্য বের হলেন এবং ফরৌণ নখো যুদ্ধ করে তাঁকে মগিদ্দোতে মেরে ফেললেন।

  14. মিশরের রাজা আক্রমণ করবার জন্য তাঁর রাজ্য থেকে আর বের হন নি, কারণ বাবিলের রাজা মিশরের রাজার যতটা রাজ্য ছিল মিশরের ছোট নদী থেকে ইউফ্রেটিস নদী পর্যন্ত সমস্ত রাজ্যটা দখল করে নিয়েছিলেন।

  15. আর সম্লর মৃত্যুর পরে তাঁর জায়গায় সেই জায়গায় (ফরাৎ বা ইউফ্রেটিস) নদীর কাছে রহোবোৎ শহরের শৌল তাঁর পদে রাজা হয়েছিলেন।

  16. আর পূর্বদিকের ফরাৎ নদী থেকে [বিস্তৃত] মরু এলাকার প্রবেশস্থান পর্যন্ত বাস করত; কারণ গিলিয়দ দেশে তাদের পশুপালের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল।

  17. ¶ পরে সোবার রাজা হদরেষর যখন ইউফ্রেটিস নদী বরাবর তাঁর জায়গাগুলোতে আবার তাঁর কর্তৃত্ব স্থাপন করতে গেলেন তখন দায়ূদ তাঁর সঙ্গে যুদ্ধ করতে হমাৎ পর্যন্ত গেলেন।

  18. ¶ অরামীয়েরা যখন দেখল যে, তারা ইস্রায়েলীয়দের কাছে সম্পূর্ণভাবে হেরে গেছে তখন তারা লোক পাঠিয়ে ইউফ্রেটিস নদীর ওপারে বাস করা অরামীয়দের নিয়ে আসল। হদরেষরের সৈন্যদলের সেনাপতি শোবক তাদের পরিচালনা করে নিয়ে আসলেন।

  19. আর তিনি ফরাৎ নদী থেকে পলেষ্টীয়দের দেশ ও মিশরের সীমানা পর্যন্ত সমস্ত রাজাদের উপরে রাজত্ব করতেন।

  20. ¶ যোশিয় মন্দিরের সব কাজ শেষ করবার পরে মিশরের রাজা নখো ফরাত (ইউফ্রেটিস) নদীর কাছে কর্কমীশে যুদ্ধ করতে গেলেন। তখন তাঁর সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য যোশিয় বের হয়ে গেলেন।

  21. সেই দিন সদাপ্রভু [ফরাৎ] নদীর স্রোত থেকে মিশরের স্রোত পর্যন্ত ফল পাড়বেন; এই ভাবে, হে ইস্রায়েল সন্তানরা, তোমাদেরকে একে একে সংগ্রহ করা যাবে।

  22. “যে অন্তর্বাস তুমি কিনে কোমরে বেঁধে রেখেছ, সেটি নিয়ে তুমি ইউফ্রেটিস নদীর কাছে গিয়ে সেখানকার শিলার ফাটলে লুকিয়ে রাখ।”

  23. সেইজন্য সদাপ্রভুর আদেশ মত আমি গিয়ে ইউফ্রেটিস নদীর কাছে সেটা লুকিয়ে রাখলাম।

  24. অনেক দিন পরে সদাপ্রভু আমাকে বললেন, “ওঠ এবং ইউফ্রেটিসে ফিরে যাও। সেখান থেকে অন্তর্বাসটি নাও যা আমি তোমাকে লুকিয়ে রাখতে বলেছিলাম।”

  25. সেইজন্য আমি ইউফ্রেটিস নদীর কাছে গেলাম এবং যেখানে অন্তর্বাসটি লুকিয়ে রেখেছিলাম, সেখান থেকে সেটি খুঁড়ে বের করলাম। কিন্তু দেখ! সেই অন্তর্বাসটি নষ্ট হয়ে গেছে; সেটা আর ভালো নেই।