মূল বিষয়বস্তুতে যান

Jesus

3,872 টি পদ · 6 জন পরিবারের সদস্য

আরও পরিচিত: Jesus Christ, Immanuel, Emmanuel, Christ

Jesus-এর উল্লেখ থাকা পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. আবার তিনি বললেন, “তারা আমার বিশ্রামে প্রবেশ করবে না।”

  2. আবার তিনি পুনরায় এক দিন স্থির করে দায়ূদের মাধ্যমে বলেন, “আজ,” যেমন আগে বলা হয়েছে, “আজ যদি তোমরা তাঁর রব শোনো, তবে নিজের নিজের হৃদয় কঠিন কোরো না।”

  3. ফলে, যিহোশূয় যদি তাদেরকে বিশ্রাম দিতেন, তবে ঈশ্বর অন্য দিনের র কথা বলতেন না।

  4. ফলে যেভাবে ঈশ্বর নিজের কাজ থেকে বিশ্রাম করেছিলেন, তেমনি যে ব্যক্তি তাঁর বিশ্রামে প্রবেশ করেছে, সেও নিজের কাজ থেকে বিশ্রাম করতে পারল।

  5. আর ঈশ্বরের দৃষ্টিতে কোনো কিছুই গোপন নয়; কিন্তু তাঁর সামনে সবই নগ্ন ও অনাবৃত রয়েছে, যাঁর কাছে আমাদেরকে হিসাব দিতে হবে।

  6. ¶ ভাল, আমরা এক মহান মহাযাজককে পেয়েছি, যিনি স্বর্গের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন, তিনি যীশু, ঈশ্বরের পুত্র; অতএব এস, আমরা বিশ্বাসে দৃঢ়ভাবে থাকি।

  7. আমরা এমন মহাযাজককে পাইনি, যিনি আমাদের দুর্বলতার দুঃখে দুঃখিত হতে পারেন না, কিন্তু তিনি সব বিষয়ে আমাদের মত পরীক্ষিত হয়েছেন বিনা পাপে।

  8. খ্রীষ্টও তেমনি মহাযাজক হওয়ার জন্য নিজে নিজেকে মহিমান্বিত করলেন না, কিন্তু ঈশ্বরই করেছিলেন, ঈশ্বর তাঁকে বললেন, “তুমি আমার পুত্র, আমি আজ তোমার পিতা হলাম।”

  9. সেইভাবে অন্য গীতেও তিনি বলেন, “তুমিই মল্কীষেদকের মতো চিরকালের যাজক।”

  10. খ্রীষ্ট যখন এ দেহ রূপে ছিলেন, প্রবল আর্তনাদ ও চোখের জলের সঙ্গে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা ও বিনতি উৎসর্গ করেছিলেন, যিনি মৃত্যু থেকে তাঁকে রক্ষা করতে পারবেন এবং নিজের ভক্তির কারণে ঈশ্বর উত্তর পেলেন;

  11. যদিও তিনি পুত্র ছিলেন, যে সব দুঃখভোগ করেছিলেন, তা থেকে তিনি বাধ্যতা শিখেছিলেন।

  12. তিনি সঠিক এবং যারা তার এই বাধ্য তাদের সকলের জন্য তিনি অনন্ত পরিত্রানের পথ হলেন;

  13. ঈশ্বরকর্ত্তৃক মল্কীষেদকের মতো মহাযাজক বলে অভিহিত হলেন।

  14. ¶ অতএব এস, আমরা খ্রীষ্টের বিষয়ে প্রথম শিক্ষা ছেড়ে দিয়ে সিদ্ধির চেষ্টায় অগ্রসর হই; পুনরায় এই ভিত্তিমূল স্থাপন না করি, মন্দ বিষয় থেকে মন ফেরানো, ও ঈশ্বরের উপরে বিশ্বাস রাখা,

  15. পরে খ্রীষ্ট থেকে দূরে সরে গিয়েছে, পুনরায় তাদেরকে মন পরিবর্তন করতে পারা অসম্ভব; কারণ তারা নিজেদের জন্য ঈশ্বরের পুত্রকে পুনরায় ক্রুশে দেয় ও প্রকাশ্যে নিন্দা করে।

  16. আর সেই জায়গায় আমাদের জন্য অগ্রগামী হয়ে যীশু প্রবেশ করেছেন, যিনি মল্কীষেদকের রীতি অনুযায়ী অনন্তকালীন মহাযাজক হয়েছেন।

  17. তাঁর বাবা নেই, মা নেই, পূর্বপুরুষ নেই, দিনের শুরু কি জীবনের শেষ নেই; তিনি ঈশ্বরের পুত্রের মতো; তিনি চিরকালই যাজক থাকেন।

  18. এ সব কথা যার উদ্দেশ্যে বলা যায়, তিনি তো অন্য বংশের, সেই বংশের মধ্যে কেউ কখনো যজ্ঞবেদির পরিচর্য্যা করে নি।

  19. এখন এটা সুস্পষ্ট যে আমাদের প্রভু যিহূদা বংশ থেকে অবতীর্ণ হয়েছেন, সেই বংশের বিষয়ে মোশি যাজকদের বিষয়ে কিছুই বলেননি।

  20. তাঁর বিষয়ে শাস্ত্রের সাক্ষ্য এই বলে: “তুমিই মল্কীষেদকের রীতি অনুসারে অনন্তকালীন যাজক।”

  21. এবং এই শ্রেষ্ঠ প্রত্যাশা বিনা শপথে হয়নি, অন্য যাজকেরা তো কোনো নতুন নিয়মই গ্রহণ করে নি।

  22. কিন্তু ঈশ্বর শপথ গ্রহণ করেছিলেন যখন তিনি যীশুর বিষয়ে বলেছিলেন, “প্রভু এই নতুন নিয়ম করলেন এবং তিনি মন পরিবর্তন করবেন না: ‘তুমিই অনন্তকালীন যাজক।’”

  23. অতএব যীশু এই কারণে নতুন নিয়মের জামিনদার হয়েছেন।

  24. কিন্তু তিনি যদি অনন্তকাল থাকেন, তবে তাঁর যাজকত্ব অপরিবর্তনীয়।

  25. এই জন্য তিনি সম্পূর্ণভাবে রক্ষা করতে সক্ষম যারা তাঁর মাধ্যম দিয়ে ঈশ্বরের কাছে উপস্থিত হয়, কারণ তিনি তাদের জন্য তাঁর কাছে অনুরোধ করতে সর্বদা জীবিত আছেন।