Skip to content

Language সম্পর্কে বাইবেলের পদ

47 টি পদ · 37 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. ¶ সমস্ত পৃথিবীতে এক ভাষা ও একই কথা ছিল।

  2. পরে লোকেরা পূর্বদিকে ঘুরতে ঘুরতে শিনিয়র দেশে এক সমভূমি পেয়ে সে জায়গায় বাস করল;

  3. আর একে অপরকে বলল, “এস, আমরা ইট তৈরী করে আগুনে পোড়াই,” তাতে তাদের পাথরের পরিবর্তে ইট ও চূনের পরিবর্তে আলকাতরা ছিল।

  4. পরে তারা বলল, “এস, আমরা নিজেদের জন্য এক শহর ও আকাশকে নাগাল পেতে পারে এমন এক উঁচু বাড়ি (মিনার) তৈরী করে নিজেদের নাম বিখ্যাত করি, যদি সমস্ত পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ি।”

  5. পরে মানুষেরা যে শহর ও উঁচু বাড়ি (মিনার) তৈরী করছিল, তা দেখতে সদাপ্রভু নেমে এলেন।

  6. আর সদাপ্রভু বললেন, “দেখ, তারা সবাই এক জাতি ও এক ভাষাবাদী; এখন এই কাজে যুক্ত হল; এর পরে যা কিছু করতে ইচ্ছা করবে, তা থেকে তারা থেমে যাবে না।

  7. এস, আমরা নিচে গিয়ে, সেই জায়গায় তাদের ভাষার ভেদ জন্মাই, যেন তারা এক জন অন্যের ভাষা বুঝতে না পারে।”

  8. আর সদাপ্রভু সেখান থেকে সমস্ত পৃথিবীতে তাদেরকে ছিন্নভিন্ন করলেন এবং তারা শহর তৈরী করা থেকে থেমে গেল।

  9. এই জন্য সেই শহরের নাম বাবিল [ভেদ] হল; কারণ সেই জায়গায় সদাপ্রভু সমস্ত পৃথিবীর ভাষার ভেদ জন্মিয়েছিলেন এবং সেখান থেকে সদাপ্রভু তাদেরকে সমস্ত পৃথিবীতে ছিন্নভিন্ন করেছিলেন।

  10. তখন সবাই খুবই আশ্চর্য্য ও অবাক হয়ে বলতে লাগলো, এই যে লোকেরা কথা বলছেন এরা সবাই কি গালীলীয় না?

  11. তবে আমরা কেমন করে আমাদের নিজেদের ভাষায় ওদের কথা বলতে শুনছি?

  12. পার্থীয়, মাদীয় ও এলমীয় এবং মেসোপটেমিয়া যিহূদিয়া ও কাপ্পাদকিয়া, পন্ত ও এশিয়া,

  13. ফুরুগিয়া ও পাম্ফুলিয়া, মিশর এবং লুবিয়া দেশের কুরিনীয়ের কাছে বসবাসকারী এবং রোম দেশের বাসিন্দারা।

  14. যিহূদী ও যিহূদী ধর্মে ধর্মান্তরিত অনেকে এবং ক্রীতীয় ও আরবের বাসিন্দা যে আমরা, সবাই নিজের নিজের ভাষায় ঈশ্বরের আশ্চর্য্য ও উত্তম কাজের কথা ওদের মুখ থেকে শুনছি।

  15. পিতর এই কথা বলছেন ঠিক সেই দিনের যত লোক বাক্য শুনছিল, প্রত্যেকের উপরে পবিত্র আত্মা নেমে এলেন।

  16. তখন পিতরের সঙ্গে আসা বিশ্বাসী ছিন্নত্বক লোক সব আর্শ্চয্য হলেন, কারণ অযিহুদিদের উপরেও পবিত্র আত্মারূপ দান দেওয়া হলো;

  17. কারণ তারা তাদের নানা ভাষায় কথা বলতে ও ঈশ্বরের মহিমা কীর্তন করতে শুনলেন। তখন পিতর উত্তর করে বললেন,

  18. ভালবাসা কখনও শেষ হয় না। কিন্তু যদি ভাববাণী থাকে, তার লোপ হবে; যদি বিশেষ বিশেষ ভাষা থাকে, সে সব শেষ হবে; যদি জ্ঞান থাকে, তার লোপ হবে।

  19. কারণ আমরা কিছু অংশে জানি এবং কিছু অংশে ভাববাণী বলি;

  20. কিন্তু যা পূর্ণ তা আসলে, যা আংশিক তার লোপ হবে।

  21. কারণ যে ব্যক্তি বিশেষ ভাষায় কথা বলে, সে মানুষের কাছে না, কিন্তু ঈশ্বরের কাছে বলে; কারণ কেউ তা বোঝে না, কারণ সে পবিত্র আত্মায় গুপ্ত সত্য কথা বলে।

  22. কিন্তু যে ব্যক্তি ভাববাণী বলে, সে মানুষের কাছে গেঁথে তুলবার এবং উত্সাহ ও সান্ত্বনার কথা বলে।

  23. যে ব্যক্তি বিশেষ ভাষায় কথা বলে, সে নিজেকে গেঁথে তোলে, কিন্তু যে ব্যক্তি ভাববাণী বলে, সে মণ্ডলীকে গেঁথে তোলে।

  24. আমি চাই, যেন তোমরা সবাই বিশেষ বিশেষ ভাষায় কথা বলতে পার, কিন্তু আরো চাই, যেন ভাববাণী বলতে পার; কারণ যে বিশেষ বিশেষ ভাষায় কথা বলে, মণ্ডলীকে গেঁথে তুলবার জন্য সে যদি অর্থ বুঝিয়ে না দেয়, তবে ভাববাণী প্রচারক তার থেকে মহান।

  25. এখন, হে ভাইয়েরা এবং বোনেরা, আমি তোমাদের কাছে এসে যদি বিশেষ বিশেষ ভাষায় কথা বলি, কিন্তু তোমাদের কাছে সত্য প্রকাশ কিংবা জ্ঞান কিংবা ভাববাণী কিংবা শিক্ষার বিষয়ে কথা না বলি, তবে আমার থেকে তোমাদের কি উপকার হবে?