মূল বিষয়বস্তুতে যান
প্রকাশিত ২২:৬-১৯

প্রকাশিত ২২:৬-১৯

পরে সেই স্বর্গদূত আমাকে বললেন, এই সব বাক্য বিশ্বস্ত ও সত্য; এবং যা কিছু অবশ্যই শীঘ্র ঘটতে চলেছে, তা নিজের দাসদের দেখাবার জন্য প্রভু, ভাববাদীদের আত্মাও সকলের ঈশ্বর তাঁর নিজের স্বর্গদূতকে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
দেখ, আমি শীঘ্রই আসছি, ধন্য সেই যে এই বইয়ের সব ভবিষ্যৎ বাক্য মেনে চলে।
আমি যোহন এই সবগুলি দেখেছি ও শুনেছি। এই সব কিছু দেখার ও শোনার পর, যে স্বর্গদূত আমাকে এই সবগুলি দেখাচ্ছিলেন, আমি প্রণাম করার জন্য তাঁর পায়ে উপুড় হয়ে পড়লাম।
তখন তিনি আমাকে বললেন, এমন কাজ কর না; আমি তোমার সহদাস এবং তোমার ভাববাদী ভাইদের ও এই বইয়ে লেখা বাক্য যারা পালন করে তাদের দাস; ঈশ্বরকেই প্রণাম কর।
১০
তিনি আমাকে আবার বললেন, তুমি এই বইয়ের সব কথা অর্থাৎ ঈশ্বরের বাক্য তুমি গোপন কর না, কারণ দিন খুব কাছে এসে গেছে।
১১
যে ধার্মিক নয়, সে এর পরেও অধর্ম্মের কাজ করুক। যে জঘন্য, সে এর পরেও জঘন্য থাকুক। এবং যে ধার্মিক তাকে যা কিছু ধর্মের সেটাই করতে দিন। যে পবিত্র লোক, তাকে এর পরেও পবিত্র থাকতে দিন।
১২
“দেখ আমি খুব তাড়াতাড়ি আসছি। প্রত্যেকে যে যেমন কাজ করেছে সেই অনুযায়ী দেবার জন্য পুরষ্কার আমার সঙ্গেই আছে।
১৩
আমি আলফা এবং ওমেগা, প্রথম ও শেষ, আরম্ভ এবং সমাপ্তি।”
১৪
ধন্য তারা, যারা নিজে নিজের পোশাক পরিষ্কার করে, যেন জীবন গাছের ফল খেতে তারা অধিকারী হয় এবং ফটকগুলি দিয়ে শহরে ঢুকতে পারে।
১৫
কুকুরের মত লোক, জাদুকর, ব্যভিচারী, খুনী ও মূর্ত্তি পূজারী এবং যে কেউ মিথ্যা কথা বলতে ভালবাসে ও মিথ্যার মধ্যে চলে তারা সব বাইরে পড়ে আছে।
১৬
আমি যীশু আমার নিজের দূতকে পাঠালাম, যেন সে মণ্ডলীগুলোর জন্য তোমাদের কাছে এই সব বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়। আমি দায়ূদের মূল এবং বংশধর, ভোরের উজ্জ্বল তারা।
১৭
আত্মাও কনে বললেন, এস! যে এই কথা শুনে সেও বলুক, এস, আর যাদের পিপাসা পেয়েছে সে আসুক; যে কেউ ইচ্ছা করে, সে মূল্য ছাড়াই জীবন জল পান করুক।
১৮
যারা এই বইয়ের সব কথা অর্থাৎ ঈশ্বরের বাক্য শোনে, তাদের প্রত্যেকের কাছে আমি সাক্ষ্য দিয়ে বলছি, যদি কেউ এর সঙ্গে কিছু যোগ করে, তবে ঈশ্বর সেই মানুষকে এই বইতে লেখা সব আঘাত তার জীবনে যোগ করবেন।
১৯
আর যদি কেউ এই ভাববাণী বইয়ের বাক্য থেকে কিছু বাদ দেয়, তবে ঈশ্বর এই বইতে লেখা জীবনগাছ থেকে ও পবিত্র শহর থেকে তার অধিকার বাদ দেবেন।
Settings

Reading Style

Typeface

Font Size 19px

Options