Skip to content

হিব্রু ১৩

ব্যবহারিক খ্রীষ্টীয় কর্তব্য ১–৬

১
তোমরা পরস্পরকে ভাই হিসাবে ভালবেসো।
২
তোমরা অতিথিসেবা ভুলে যেও না; কারণ তার মাধ্যমেও কেউ কেউ না জেনে দূতদের ও আপ্পায়ন করেছেন।
৩
নিজেদেরকে সহবন্দি ভেবে বন্দিদেরকে মনে কর, নিজেদেরকে দেহবাসী ভেবে দুর্দ্দশাপন্ন সবাইকে মনে কর।
৪
তোমরা বিবাহ বন্ধনকে সম্মান করবে ও সেই বিবাহের শয্যা পবিত্র হোক; কারণ ব্যভিচারীদের ও বেশ্যাগামীদের বিচার ঈশ্বর করবেন।
৫
তোমাদের আচার ব্যবহার টাকা পয়সার প্রেমবিহীন হোক; তোমাদের যা আছে, তাতেই সন্তুষ্ট থাক; কারণ তিনি বলেছেন, “আমি কোনোভাবে তোমাকে ছাড়বনা এবং কোনোভাবে তোমাকে ত্যাগ করব না।”
৬
অতএব আমরা সাহস করে বলতে পারি, “প্রভু আমার সহায়, আমি ভয় করব না; মানুষ আমার কি করবে?”

বিশ্বস্ত নেতাদের অনুসরণ ৭–৯

৭
যাঁরা তোমাদেরকে ঈশ্বরের বাক্য বলে গিয়েছেন, তোমাদের সেই নেতাদেরকে স্মরণ কর এবং তাঁদের জীবনের শেষগতি আলোচনা করতে করতে তাঁদের বিশ্বাসের অনুকারী হও।
৮
যীশু খ্রীষ্ট কাল ও আজ এবং অনন্তকাল যে, সেই আছেন।
৯
তোমরা নানা ধরনের এবং বিজাতীয় শিক্ষার মাধ্যমে বিপথে পরিচালিত হয়ো না; কারণ হৃদয় যে অনুগ্রহের মাধ্যমে স্থিরীকৃত হয়, তা ভাল; খাওয়ার নিয়ম কানুন পালন করা ভাল নয়, যারা খাদ্যাভ্যাসের খুঁটিনাটি মেনে চলেছে তার কোন সুফলই তারা পাইনি।

শিবিরের বাইরে বলিদান ১০–১৭

১০
আমাদের এক যজ্ঞবেদি আছে, সেখানে যারা পরিবেশন করে, তাদের খাওয়ার অধিকার নেই।
১১
কারণ যে যে প্রাণীর রক্ত পাপের জন্য বলি হয় তার রক্ত মহাযাজকের মাধ্যমে পবিত্র জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়, সেই সবের মৃতদেহ শিবিরের বাইরে পুড়িয়ে দেওয়া যায়।
১২
এই কারণ যীশুও, নিজের রক্তের মাধ্যমে প্রজাদেরকে পবিত্র করবার জন্য, শহরের বাইরে মৃত্যুভোগ করলেন।
১৩
অতএব এস, আমরা তাঁর দুর্নাম বহন করতে করতে শিবিরের বাইরে তাঁর কাছে যাই।
১৪
কারণ এখানে আমাদের চিরস্থায়ী শহর নেই; কিন্তু আমরা সেই আগামী শহরের খোঁজ করছি।
১৫
অতএব এস, আমরা যীশুরই মাধ্যমে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে নিয়ত স্তববলি অর্থাৎ তাঁর নাম স্বীকারকারী ঠোঁটের ফল, উত্সর্গ করি।
১৬
আর উপকার ও সহভাগীতার কাজ ভুলে যেও না, কারণ সেই ধরনের বলিদানে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন।
১৭
তোমরা তোমাদের নেতাদের মান্যকারী ও বশীভূত হও, কারণ হিসাব দিতে হবে বলে তাঁরা তোমাদের প্রাণকে নিরাপদে রাখার জন্য সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন, যেন তাঁরা আনন্দের সঙ্গে সেই কাজ করেন, আর্ত্তস্বর নিয়ে নয়; কারণ এটা তোমাদের পক্ষে লাভজনক না।

প্রার্থনা ও পুনঃস্থাপনের আবেদন ১৮–১৯

১৮
আমাদের জন্য প্রার্থনা কর, কারণ আমরা নিশ্চয় জানি, আমাদের শুদ্ধ বিবেক আছে, সর্ববিষয়ে জীবনে যা কিছু করি শ্রেষ্ঠ উদ্দেশ্যে নিয়ে করতে ইচ্ছা করি।
১৯
এবং আমি যেন শীঘ্রই তোমাদের কাছে ফিরে যেতে পারি, এটাই আমি অন্য সব কিছু থেকে বেশি করে চাইছি।

স্তবগান ও আশীর্বাদ ২০–২৫

২০
এখন শান্তির ঈশ্বর, যিনি আমাদের প্রভু যীশুকে ফিরিয়ে এনেছেন রক্তের মাধ্যমে অনন্তকালস্থায়ী নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যিনি মহান মেষপালক
২১
তিনি নিজের ইচ্ছা সাধনের জন্য তোমাদেরকে সমস্ত ভালো বিষয়ে পরিপক্ক করুন, তাঁর দৃষ্টিতে যা প্রীতিজনক, তা আমাদের অন্তরে, যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে, সম্পন্ন করুন; যুগে যুগে তাঁর মহিমা হোক। আমেন।
২২
হে ভাইয়েরা, তোমাদেরকে উত্সাহিত করছি, তোমরা এই উপদেশ বাক্য সহ্য কর; আমি তো সংক্ষেপে তোমাদেরকে লিখলাম।
২৩
আমাদের ভাই তীমথিয় মুক্তি পেয়েছেন, এটা জানবে; তিনি যদি শীঘ্র আসেন, তবে আমি তাঁর সাথে তোমাদেরকে দেখব।
২৪
তোমরা নিজেদের সব নেতাকে ও সব পবিত্র লোককে মঙ্গলবাদ কর। ইতালি দেশের লোকেরা তোমাদেরকে মঙ্গলবাদ করছে।
২৫
অনুগ্রহ তোমাদের সবার সহবর্ত্তী হোক। আমেন।

বাইবেলের পাঠ: Indian Revised Version (Bengali), © 2018, 2019 Bridge Connectivity Solutions Pvt. Ltd. · CC BY-SA 4.0