Skip to content
১ করিন্থীয় ১৫:৩৫-৫৮

১ করিন্থীয় ১৫:৩৫-৫৮

৩৫
কিন্তু কেউ বলবে, মৃতরা কিভাবে উত্থাপিত হয়? কিভাবে বা দেহে আসে?
৩৬
হে নির্বোধ, তুমি নিজে যা বোনো, তা না মরলে জীবিত করা যায় না।
৩৭
আর যা বোনো, যে মৃতদেহ উৎপন্ন হবে, তুমি তাহা বোনো না; বরং গমেরই হোক, কি অন্য কোন কিছুরই হোক, বীজমাত্র বুনছ;
৩৮
আর ঈশ্বর তাকে যে দেহ দিতে ইচ্ছা করলেন, তাই দেন; আর তিনি প্রত্যেক বীজকে তার নিজের মৃত দেহ দেন।
৩৯
সকল মাংস এক ধরনের মাংস না; কিন্তু মানুষের এক ধরনের, পশুর মাংস অন্য ধরনের, পাখির মাংস অন্য ধরনের, ও মাছের অন্য ধরনের।
৪০
আর স্বর্গীয় দেহ আছে, ও পার্থিব মৃতদেহ আছে; কিন্তু স্বর্গীয় দেহগুলির এক প্রকার তেজ, ও পার্থিব দেহগুলির অন্য ধরনের।
৪১
সূর্য্যের এক প্রকার তেজ, চন্দ্রের আর এক ধরনের তেজ, ও নক্ষত্রদের আর এক প্রকার তেজ; কারণ তেজ সম্বন্ধে একটি নক্ষত্র থেকে অন্য নক্ষত্র ভিন্ন।
৪২
মৃতদের পুনরুত্থানও সেই রকম। ক্ষয়ে বোনা যায়, অক্ষয়তায় উত্থাপন করা হয়;
৪৩
অনাদরে বোনা যায়, গৌরবে উত্থাপন করা হয়; দুর্বলতায় বোনা যায়, শক্তিতে উত্থাপন করা হয়;
৪৪
প্রাণিক দেহ বোনা যায়, আত্মিক দেহ উত্থাপন করা হয়। যখন মৃতদেহ আছে, তখন আত্মিক দেহও আছে।
৪৫
এই ভাবে পবিত্র শাস্ত্রে লেখাও আছে, প্রথম “মানুষ” আদম “সজীব প্রাণী হল,” শেষ আদম জীবনদায়ক আত্মা হলেন।
৪৬
কিন্তু যা আত্মিক, তা প্রথম না, বরং যা প্রাণিক, তাই প্রথম; যা আত্মিক তা পরে।
৪৭
প্রথম মানুষ পৃথিবীর ধূলো থেকে, দ্বিতীয় মানুষ স্বর্গ থেকে।
৪৮
মাটির ব্যক্তিরা যে মাটির মত এবং স্বর্গীয় ব্যক্তিরা সেই স্বর্গীয়ের মত।
৪৯
আর আমরা যেমন সেই মাটির প্রতিমূর্ত্তি ধারণ করেছি, তেমনি সেই স্বর্গীয় ব্যক্তির প্রতিমূর্ত্তিও ধারণ করব।
৫০
আমি এই বলি, ভাইয়েরা এবং বোনেরা, রক্তমাংস ও মাংস ঈশ্বরের রাজ্যের অধিকারী হতে পারে না; এবং ক্ষয় অক্ষয়তার অধিকারী হয় না।
৫১
দেখ, আমি তোমাদেরকে এক গুপ্ত সত্য বলি; আমরা সবাই মারা যাব না, কিন্তু সবাই রূপান্তরীকৃত হব;
৫২
এক মুহূর্তের মধ্যে, চোখের পলকে, শেষ তুরী ধ্বনি হবে; কারণ তুরী বাজবে, তাতে মৃতের অক্ষয় হয়ে উত্থাপিত হবে এবং আমরা রূপান্তরীকৃত হব।
৫৩
কারণ এই ক্ষয়ণীয়কে অক্ষয়তা পরিধান করতে হবে এবং এই মর্ত্ত্যকে অমরতা পরিধান করতে হবে।
৫৪
আর এই ক্ষয়ণীয় যখন অক্ষয়তা পরিহিত হবে এবং এই মর্ত্ত্য যখন অমরতা পরিহিত হবে, তখন এই যে কথা পবিত্র শাস্ত্রে লেখা আছে, তা সফল হবে,
৫৫
“মৃত্যু জয়ে কবলিত হল।” “মৃত্যু, তোমার জয় কোথায়? মৃত্যু, তোমার হুল কোথায়?”
৫৬
মৃত্যুর হুল হল পাপ, ও পাপের শক্তি হলো নিয়ম।
৫৭
কিন্তু ঈশ্বরের ধন্যবাদ হোক, তিনি আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে আমাদেরকে জয় প্রদান করেন।
৫৮
অতএব, হে আমার প্রিয় ভাইয়েরা এবং বোনেরা, সুস্থির হও, নিশ্চল হও, প্রভুর কাজে সবদিন উপচিয়ে পড়, কারণ তোমরা জান যে, প্রভুতে তোমাদের পরিশ্রম নিষ্ফল না।
Settings

Reading Style

Typeface

Font Size 19px

Options