Skip to content

Astronomy সম্পর্কে বাইবেলের পদ

50 টি পদ · 2 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. সেই দিনের যে দিন সদাপ্রভু ইস্রায়েল-সন্তানদের সামনে ইমোরীয়দিগকে সমর্পণ করেন, সেই দিন যিহোশূয় সদাপ্রভুর কাছে অনুরোধ করলেন; আর তিনি ইস্রায়েলের সামনে বললেন, “সূর্য্য, তুমি স্থির হও গিবিয়োনে, আর চন্দ্র, তুমি অয়ালোন উপত্যকায়।”

  2. তখন সূর্য্য স্থির হল ও চন্দ্র স্থির থাকল, যতক্ষণ না সেই জাতি শত্রুদের উপর প্রতিশোধ নিল। এই কথা কি যাশের বইতে লেখা নেই? আর মধ্য আকাশে সূর্য্য স্থির থাকল, অস্ত যেতে প্রায় সম্পূর্ণ এক দিন দেরি করল।

  3. তার আগে কি পরে সদাপ্রভু যে মানুষের কথা এমনভাবে শুনেছেন, এমন আর আগে কোন দিন ও হয়নি; কারণ সদাপ্রভু ইস্রায়েলের পক্ষে যুদ্ধ করছিলেন।

  4. তিনি যিনি পৃথিবীকে তার জায়গা থেকে নাড়ান এবং তার ভিত গুলো কাঁপান।

  5. ইনি সেই একই ঈশ্বর যিনি সূর্যকে উঠতে বারণ করেন এবং তা ওঠেনি এবং যিনি তারাদের ঢেকে দিয়েছেন,

  6. যিনি নিজেই আকাশকে প্রসারিত করেন এবং যিনি সমুদ্রের ঢেউয়ের উপর হাঁটেন এবং তাদের শান্ত করেন,

  7. যিনি সপ্তর্ষিমণ্ডল, কালপুরুষ, কৃত্তিকা (নক্ষত্র বিশেষ) এবং দক্ষিণে নক্ষত্রপুঞ্জ বানিয়েছেন।

  8. তুমি কি কৃত্তিকা নক্ষত্রের হার গাঁথতে পার, অথবা কালপুরুষের বাঁধন খুলতে পার?

  9. তুমি কি নক্ষত্রপুঞ্জকে তাদের সঠিক দিনের প্রকাশ পেতে চালনা দিতে পার? তুমি কি ভাল্লুককে তার বাচ্চাদের সঙ্গে পথ দেখাতে পার?

  10. তুমি কি আকাশের নিয়ম জান? তুমি কি আকাশের নিয়ম পৃথিবীতে স্থাপন করতে পার?

  11. আকাশমণ্ডল ঈশ্বরের গৌরব বর্ণনা করে এবং আকাশ তাঁর হাতের তৈরী কাজের পরিচয় দেয়।

  12. দিন দিনের র কাছে বাক্য উচ্চারণ করে; রাত রাতের কাছে জ্ঞান প্রকাশ করে।

  13. কোন বাক্য নেই, ভাষাও নেই; তাদের আওয়াজও শোনা যায় না।

  14. তবুও সারা জগতে তাদের বাক্য ব্যাপ্ত হবে এবং তাদের কথা পৃথিবীর শেষ প্রান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে। তিনি তাদের মধ্যে সূর্য্যের জন্য তাঁবু স্থাপন করেছেন।

  15. সূর্য্য তার ঘর থেকে বরের মত বেড়িয়ে আসে এবং ছুটে চলে আনন্দে বীরের মত নিজের পথে।

  16. আকাশ এক প্রাপ্ত থেকে তার যাত্রা শুরু হয়, শেষ হয় অপর প্রাপ্তে। তার উত্তাপ কোনো কিছু লুকিয়ে রাখে না।

  17. যিনি প্রজ্ঞার দ্বারা আকাশমণ্ডল সৃষ্টি করেছেন; তাঁর বিশ্বস্ততার নিয়ম অনন্তকালস্থায়ী৷

  18. যিনি জলের উপরে ভূমণ্ডল বিস্তার করেছেন; তাঁর বিশ্বস্ততার নিয়ম অনন্তকালস্থায়ী৷

  19. যিনি বৃহৎ জ্যোতি সৃষ্টি করেছেন; তাঁর বিশ্বস্ততার নিয়ম অনন্তকালস্থায়ী৷

  20. যিনি দিনের কর্ত্তৃত্ব করার জন্য সূর্য্য সৃষ্টি করেছেন; তাঁর বিশ্বস্ততার নিয়ম অনন্তকালস্থায়ী৷

  21. রাতে কর্ত্তৃত্ব করার জন্য চাঁদ ও তারার মালা সৃষ্টি করেছেন; তাঁর বিশ্বস্ততার নিয়ম অনন্তকালস্থায়ী৷

  22. সদাপ্রভু এই কথা বলেন সদাপ্রভু, যিনি দিনের র জন্য সূর্যকে তৈরী করেন আর রাতের জন্য চাঁদ ও তারাকে আলো দেবার জন্য হুকুম দেন। তিনিই একমাত্র, যিনি সমুদ্রকে তোলপাড় করেন যাতে তার ঢেউগুলি গর্জন করে। বাহিনীগণের সদাপ্রভু তাঁর নাম। তিনি এই কথা বলেন,

  23. “যদি এই স্থায়ী জিনিসগুলি আমার সামনে থেকে অদৃশ্য হয়” সদাপ্রভু এই কথা বলেন “তবে ইস্রায়েলীয়রাও জাতি হিসাবে আমার সামনে থেকে শেষ হয়ে যাবে।”

  24. সদাপ্রভু এই কথা বলেন, “যদি উপরের মহাকাশকে মাপা যায় এবং যদি নীচে পৃথিবীর উত্স খুঁজে পাওয়া যায়, তবুও ইস্রায়েলের বংশধরদের তাদের সমস্ত কাজের জন্য আমি অগ্রাহ্য করব।” এটা সদাপ্রভুর ঘোষণা।

  25. তারপর যখন তোমার বাতি স্থাপন করবো, আমি আকাশকে ঢেকে দেবো এবং তারাকে অন্ধকার করবো; আমি সূর্যকে মেঘ দিয়ে ঢেকে দেবো এবং চাঁদ চকমক করবেনা।;