Skip to content

Self-Delusion সম্পর্কে বাইবেলের পদ

47 টি পদ · 23 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. এবং এই শাপের কথা শোনার দিনের কেউ যেন মনে মনে নিজের ধন্যবাদ করত না বলে, আমি ভিজের সঙ্গে শুকনোর ধ্বংস করার জন্য নিজের হৃদয়ের একগুঁয়েমিতায় চললেও আমার শান্তি হবে।

  2. এদিকে ইস্রায়েলীয়দের জড়ো করা হল। তাদের খাবার জোগান দেবার ব্যবস্থা করা হলে পর তারাও অরামীয়দের সঙ্গে যুদ্ধ করবার জন্য বেরিয়ে গেল। ইস্রায়েলীয়েরা অরামীয়দের সামনের দিকে দুটি ছাগলের পালের মত ছাউনি ফেলল। কিন্তু অরামীয়েরা গোটা দেশটা জুড়ে থাকল।

  3. বিনহদদ বললেন, “তোমার বাবার কাছ থেকে আমার বাবা যে সব গ্রাম নিয়ে নিয়েছেন আমি সেগুলো আপনাকে ফিরিয়ে দেব। আমার বাবা যেমন শমরিয়াতে বাজার বসিয়েছিলেন তেমনি আপনিও দম্মেশকের বিভিন্ন জায়গায় বাজার বসাতে পারবেন।” আহাব বললেন, “একটা সন্ধি করে আপনাকে আমি ছেড়ে দেব।” এই বলে তিনি বিনহদদের সঙ্গে একটা সন্ধি করে তাঁকে ছেড়ে দিলেন।

  4. সে তার হৃদয়ে বলেছে, আমি কখনই ব্যর্থ হব না; সমস্ত প্রজন্মের মধ্যেও আমি দূর্দশার সম্মুখীন হব না।

  5. সে তার হৃদয়ে বলে, “ঈশ্বর ভুলে গেছেন; তিনি তাঁর মুখ আড়াল করছেন, তিনি কখনও দেখবেন না।”

  6. আমি বিশ্বাসে বললাম, আমি কখনও বিচলিত হব না।

  7. যদিও সে জীবিত থাকাকালীন নিজের প্রাণকে আশীর্বাদ করেছিল এবং তুমি তোমার জন্য মঙ্গল করলে লোকে তোমার প্রশংসা করে।

  8. কিন্তু আমার প্রজারা আমার রব শুনল না, ইস্রায়েল আমার বাধ্য হল না।

  9. তাই আমি তাদেরকে তাদের একগুঁয়ে পথে ছেড়ে দিলাম; তারা নিজেদের মন্ত্রণায় চলল।

  10. একটি রাস্তা আছে, যা মানুষের দৃষ্টিতে ঠিক, কিন্তু তার শেষ মৃত্যুর পথ।

  11. এক বংশ আছে, তারা নিজেদের দৃষ্টিতে শুচি, তবু নিজেদের মালিন্য থেকে ধোয়া হয়নি।

  12. তুমি বললে, “আমি চিরকাল শাসন করবো খুব ভালো রাণীর মতো।” কিন্তু তুমি এই সব বিষয় হৃদয় দিয়ে কর নি, কিম্বা ভেবে দেখ নি এর ফল কি হবে।

  13. তাই এখন এটা শোনো, তুমি একজন ভোগবিলাসিনী, যে নিরাপদে বসে আছে, তুমি যে হৃদয়ে বল, “আমি ছাড়া আর এখানে কেউ নেই আমার মতো। আমি কখনও বসবো না বিধবার মতো কিম্বা সন্তান হারাবার অভিজ্ঞতা হবে না।”

  14. কিন্তু এ দুটো জিনিসই তোমার কাছে আসবে মুহূর্তের মধ্যে একদিন; সন্তান হারানো এবং বৈধব্যপূর্ণ শক্তিতে তারা তোমার ওপর আসবে তোমার জাদুমন্ত্র এবং অনেক মন্ত্রতন্ত্র সত্বেও এবং মাদুলি সত্বেও তোমার উপর ঘটবে।

  15. তুমি তোমার দুষ্টতার উপর তুমি নির্ভর করেছ; তুমি বলেছ, কেউ আমাকে দেখে না; তোমার জ্ঞান এবং বুদ্ধি তোমাকে বিপথে নিয়ে গেছে, কিন্তু তুমি মনে মনে বল, আমি ছাড়া আর এখানে কেউ নেই আমার মতো।

  16. বিপর্যয় তোমার ওপর আসবে, তোমার পক্ষে তা দূর করা সম্ভব হবে না। বিপদ তোমাকে হঠাৎ আঘাত করবে তুমি জানার আগে।

  17. প্রত্যেকে বলে, “চল, আমি আঙ্গুর রস আনি; চল, আমরা সুরাপানে মত্ত হব। যেমন আজকের দিন তেমনি কাল হবে, তা অন্তত অনেক বলে মহা দিন হবে।”

  18. তারা আমাকে অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, “তিনি সত্য নন। মন্দ আমাদের উপর আসবে না, আমরা কখনও যুদ্ধ বা দূর্ভিক্ষ দেখব না।

  19. কারণ আমরা যা বলেছি, সেই সমস্ত কিছু আমরা নিশ্চয় করব। আকাশের রাণীর উদ্দেশ্যে ধূপ জ্বালাব এবং পেয় নৈবেদ্য ঢালবো; আমরা, আমাদের পূর্বপুরুষেরা, আমাদের রাজারা ও আমাদের নেতারা যেভাবে যিহূদার শহরে শহরে ও যিরূশালেমের রাস্তায় রাস্তায় তা করতেন। তখন আমাদের প্রচুর খাবার থাকবে ও আমরা তৃপ্ত হব, কোনো ক্ষয়ক্ষতির অভিজ্ঞতা ছাড়াই।

  20. ইফ্রয়িম নিজেকে প্রতিমার সঙ্গে সংঘবদ্ধ হয়েছে; তাকে একা থাকতে দাও।

  21. ইফ্রয়িম বলল, “আমি অবশ্যই খুব ধনী হলাম; আমি আমার জন্য ধনসম্পদ খুঁজে পেলাম। আমার সমস্ত কাজে তারা আমার কোন দোষ খুঁজে পায়নি, কোন কিছু যা পাপ।”

  22. আর ভেবো না যে, তোমরা মনে মনে বলতে পার, অব্রাহাম আমাদের পিতা; কারণ আমি তোমাদের বলছি, ঈশ্বর এই সব পাথর থেকে অব্রাহামের জন্য সন্তান তৈরী করতে পারেন।

  23. যারা আমাকে হে প্রভু, হে প্রভু বলে, তারা সবাই যে স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে, এমন নয়, কিন্তু যে ব্যক্তি আমার স্বর্গস্থ পিতার ইচ্ছা পালন করে, সেই পারবে।

  24. সেই দিন অনেকে আমাকে বলবে, হে প্রভু, হে প্রভু, আপনার নামেই আমরা কি ভাববাণী বলিনি? আপনার নামেই কি ভূত ছাড়াই নি? আপনার নামেই কি অনেক আশ্চর্য্য কাজ করিনি?

  25. তখন আমি তাদের স্পষ্টই বলব, আমি কখনও তোমাদের জানি না; হে অধর্মাচারীরা, আমার কাছ থেকে দূর হও।