Skip to content

Righteousness সম্পর্কে বাইবেলের পদ

480 টি পদ · 132 টি দিক

প্রধান বাইবেল পদ

পুস্তক অনুসারে ছাঁকুন
  1. কিন্তু যে তাঁর বাক্য মেনে চলে, সত্যি সত্যিই তার মধ্যে ঈশ্বরের ভালবাসা সিদ্ধ হয়েছে। এর থেকে জানতে পারি যে তাঁর সঙ্গেই আমরা আছি;

  2. যে কেউ বলে আমি ঈশ্বরে থাকি তবে তার উচিত যীশু খ্রীষ্ট যেমন ভাবে চলতেন সেও নিজে তেমন ভাবে চলুক।

  3. যে নিজের ভাইকে ভালবাসে সে আলোতে থাকে এবং তার পাপ করার কোনো কারণ নেই।

  4. কিন্তু যে নিজের ভাইকে ঘৃণা করে সে অন্ধকারে আছে এবং অন্ধকারে চলে, আর সে কোথায় যায় তা জানে না কারণ অন্ধকার তার চোখকে অন্ধ করেছে।

  5. তোমরা যেটা প্রথম থেকে শুনে আসছ সেটা তোমাদের অন্তরে থাকুক; যদি প্রথম থেকে যা শুনেছ তা তোমাদের অন্তরে থাকে তবে তোমরাও পুত্রতে ও পিতাতে থাকবে।

  6. তুমি যদি জান যে তিনি ধার্মিক, তবে এটাও জান যে, যে কেউ ধর্ম্মাচরণ করে, তার জন্ম ঈশ্বর থেকেই হয়েছে।

  7. আর তাঁর ওপরে যাদের এই আশা আছে তারা নিজেদেরকে শুচি করে রাখে যেমন তিনি শুচি।

  8. যারা প্রভু যীশুতে থাকে তারা পাপ করে না; যারা পাপ করে তারা তাঁকে দেখেনি কিংবা জানেও না।

  9. প্রিয় সন্তানেরা, যেন কেউ তোমাদের বিপথে না নিয়ে যায়; যে ধার্মিক কাজ করে সে ধার্মিক, যেমন খ্রীষ্ট ধার্মিক।

  10. যাদের জন্ম ঈশ্বর থেকে তারা পাপ কাজ করে না, কারণ তাঁর বীজ তার মধ্যে থাকে এবং সে পাপ করতে পারে না, কারণ তার জন্ম ঈশ্বর থেকে।

  11. এই ভাবে ঈশ্বরের সন্তানদের এবং শয়তানের সন্তানদের বোঝা যায়; যে কেউ ধার্মিকতার কাজ করে না এবং যে নিজের ভাইকে ভালবাসে না সে ঈশ্বরের সন্তান নয়।

  12. ¶ কারণ তোমরা প্রথম থেকে এই কথা শুনে আসছ, যে আমাদের একে অপরকে অবশ্যই ভালবাসা উচিত।

  13. আমরা যেন কয়িনের মত না হই যে কয়িন শয়তানের লোক ছিল এবং নিজের ভাইকে খুন করেছিল। আর সে কেন তাঁকে খুন করেছিল? কারণ তার নিজের কাজ মন্দ ছিল কিন্তু তার ভাইয়ের কাজ ধার্মিক ছিল।

  14. আমরা জানি যে, আমরা মৃত্যু থেকে জীবনে পার হয়ে এসেছি কারণ আমরা ভাইদের ভালবাসি। আর যে কেউ ভালবাসে না সে মৃত্যুর মধ্যে আছে।

  15. কিন্তু যার কাছে পৃথিবীতে বাঁচার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আছে কিন্তু সে নিজের ভাইয়ের অভাব দেখেও তার জন্য নিজের করুণার হৃদয় বন্ধ করে রাখে তবে ঈশ্বরের ভালবাসা কিভাবে তার মধ্যে থাকতে পারে?

  16. আমার প্রিয় সন্তানেরা, আমরা যেন শুধু কথায় অথবা জিভে নয় কিন্তু কাজে এবং সত্যিকারে ভালবাসি।

  17. এর মাধ্যমে আমরা জানব যে, আমরা সত্যের এবং তাঁর সামনে নিজেদের হৃদয়কে শান্তি দিতে পারব।

  18. কারণ আমাদের হৃদয় যদি আমাদেরকে দোষী করে, ঈশ্বর আমাদের হৃদয় থেকে মহান এবং তিনি সব কিছুই জানেন।

  19. প্রিয় সন্তানেরা, আমাদের হৃদয় যদি আমাদেরকে দোষী না করে, তবে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে আমাদের সাহস লাভ হয়;

  20. এবং যা কিছু আমরা চাই তা আমরা তাঁর কাছ থেকে পাই; কারণ আমরা তাঁর সব আদেশ মেনে চলি এবং তাঁর চোখে যে সব সন্তুষ্টজনক সেগুলি করি।

  21. আর তাঁর আদেশ হল আমরা যেন তাঁর পুত্র যীশু খ্রীষ্টের নামে বিশ্বাস করি এবং একে অপরকে ভালবাসি, যেমন তিনি আমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন।

  22. আর যারা ঈশ্বরের আদেশ মেনে চলে তারা তাঁতে থাকে এবং ঈশ্বর তাদের মধ্যে থাকেন। এবং তিনি আমাদেরকে যে পবিত্র আত্মা দিয়েছেন তাঁর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি যে, তিনি আমাদের মধ্যে আছেন।

  23. প্রিয় সন্তানেরা, তোমরা ঈশ্বরের থেকে এবং ওই ভণ্ড ভাববাদীকে গুলিকে জয় করেছ; কারণ যিনি তোমাদের মধ্যে আছেন তিনি জগতের মধ্যে যে আছে তার থেকে মহান।

  24. তারা সকলে জগতের থেকেই আর সেইজন্য তারা যা বলে তা জাগতিক কথা এবং জগতের মানুষই ওদের কথা শোনে।

  25. আমরা ঈশ্বরের থেকেই; ঈশ্বরকে যে জানে সে আমাদের কথা শোনে। যে ঈশ্বর থেকে নয় সে আমাদের কথা শোনে না। এর মাধ্যমেই আমরা সত্যের আত্মাকে ও ভণ্ড আত্মাকে চিনতে পারি।