২ তিমথীয়৩
Listen to this chapter
0:00
0:00
শেষকালে বিপদের সময়
১
¶ এই কথা মনে রেখো যে, শেষকালে সংকটময় দিন আসবে।
২
মানুষেরা কেবল নিজেকেই ভালবাসবে, টাকার লোভী হবে, অহঙ্কারী হবে, আত্মগর্বিত হবে, ঈশ্বরনিন্দা, পিতামাতার অবাধ্য,
৩
অকৃতজ্ঞ, অসাধু, স্নেহহীন, ক্ষমাহীন, পরচর্চাকরি, অজিতেন্দ্রিয়,
৪
প্রচন্ড সদবিদ্বেষী, বিশ্বাসঘাতক, দুঃসাহসী, গর্ব্বান্ধ, ঈশ্বরকে প্রেম না করে বরং বিলাস প্রিয় হবে;
৫
লোকে ভক্তির মুখোশধারী, কিন্তু তার শক্তি অস্বীকারকারী হবে; তুমি এই রকম লোকদের কাছ থেকে সরে যাও।
৬
এদের মধ্যে এমন লোক আছে, যারা ঘরে ঢুকে পাপী মনের স্ত্রীলোকদের বিপথে পরিচালিত করে তারা সবদিন নতুন শিক্ষা গ্রহণ করার চেষ্টা করে,
৭
সত্যের তত্ত্বজ্ঞান পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না।
৮
আর যান্নি ও যাম্ব্রি যেমন মোশির প্রতিরোধ করেছিল, সেই রকম ভাক্ত শিক্ষকেরা সত্যের প্রতিরোধ করছে, এই লোকেরা মনের দিক থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত এবং বিশ্বাস সম্বন্ধে অবিশ্বস্ত।
৯
কিন্তু এরা আর আগে যেতে পারবে না; কারণ যেমন ওদেরও হয়েছিল, তেমনি এদের বোকামি সবার কাছে স্পষ্ট হবে।
বিশ্বস্ত সহনশীলতায় পৌলের উদাহরণ
১০
¶ কিন্তু তুমি আমার শিক্ষা, আচার ব্যবহার, সঙ্কল্প, বিশ্বাস, দীর্ঘসহিষ্ণুতা, প্রেম, ধৈর্য্য,
১১
নানা ধরনের তাড়না ও দুঃখভোগের অনুসরণ করেছ; আন্তিয়খিয়া, ইকনিয় এবং লুস্ত্রা শহরে আমার সঙ্গে কি কি ঘটেছিল; কত তাড়না সহ্য করেছি। আর সেই সব থেকে প্রভু আমাকে উদ্ধার করেছেন।
১২
আর যত লোক ভক্তিভাবে খ্রীষ্ট যীশুতে জীবন যাপন করতে ইচ্ছা করে, তাদের প্রতি তাড়না ঘটবে।
১৩
কিন্তু দুষ্ট লোকেরা ও ভণ্ডরা, পরের ভ্রান্তি তৈরী করে ও নিজেরা ভ্রান্ত হয়ে, দিন দিন খারাপ পথে এগিয়ে যাবে।
শাস্ত্রের কর্তৃত্ব ও শক্তি
১৪
কিন্তু তুমি যা যা শিখেছ এবং নিশ্চিত ভাবে বিশ্বাস করেছ, তাতেই স্থির থাক; তুমি তো জান যে, কাদের কাছে শিখেছ।
১৫
আরও জান, তুমি ছেলেবেলা থেকে পবিত্র বাক্য থেকে শিক্ষালাভ করেছ, সে সব পবিত্র শাস্ত্রে খ্রীষ্ট যীশু সম্বন্ধে বিশ্বাসের মাধ্যমে পরিত্রানের জন্য জ্ঞান দিতে পারে।
১৬
শাস্ত্রের প্রত্যেক কথা ঈশ্বরের মাধ্যমে এসেছে এবং সেগুলি শিক্ষার, চেতনার, সংশোধনের, ধার্মিকতার সম্বন্ধে শাসনের জন্য উপকারী,
১৭
যেন ঈশ্বরের লোক সম্পূর্ণভাবে পরিপক্ক হয়ে, সব ভাল কাজের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।
Use ← → arrow keys to navigate
Settings
Reading Style
Typeface
Font Size px
Reading Width chars
Options
Study Note