Skip to content
যোহন ১৯:১৭-৩০

যোহন ১৯:১৭-৩০

১৭
তারপর তারা যীশুকে নিল এবং তিনি নিজের ক্রুশ নিজে বহন করে বেরিয়ে গেলেন, জায়গাটাকে বলত মাথার খুলির জায়গা, ইব্রীয় ভাষায় সেই জায়গাকে গলগথা বলে।
১৮
তারা সেখানে যীশুকে ক্রুশে দিল এবং তাঁর সঙ্গে আর দুই জন মানুষকে দিল, দুই দিকে দুই জনকে, মাঝখানে যীশুকে।
১৯
পীলাত আরও একখানা দোষপত্র লিখে ক্রুশের উপর দিকে লাগিয়ে দিলেন। সেখানে লেখা ছিল: নাসরতের যীশু, ইহুদীদের রাজা।
২০
ইহুদীরা অনেকে সেই দোষপত্র পড়লেন, কারণ যেখানে যীশুকে ক্রুশে দেওয়া হয়েছিল সেই জায়গাটা নগরের কাছে। দোষপত্রটি ইব্রীয়, রোমীয় ও গ্রীক ভাষায় লেখা ছিল।
২১
তারপর ইহুদীদের প্রধান যাজকরা পীলাতকে বললেন, লিখবেন না, ইহুদীদের রাজা কিন্তু লিখুন যে, বরং তিনি বললেন, “আমি ইহুদীদের রাজা।”
২২
পীলাত উত্তর দিলেন, “আমি যা লিখেছি, তা লিখেছি।”
২৩
পরে সৈন্যরা যীশুকে ক্রুশে দিল, তারা তাঁর কাপড় নিল এবং সেগুলোকে চার টুকরো করলো, প্রত্যেক সৈন্য এক একটা অংশ নিল এবং জামাটিও নিল। ঐ জামাটায় সেলাই ছিল না, উপর থেকে সবটাই বোনা।
২৪
তারপর তারা একে অন্যকে বলল, “এটা আমরা পৃথকভাবে ছিঁড়ব না, পরিবর্তে এস আমরা ভাগ্য পরীক্ষা করে দেখি, এটা কার হবে।” এই ঘটেছিল যেন শাস্ত্রের বাক্য পূর্ণ হয় বলে, “তারা নিজেদের মধ্যে আমার কাপড় ভাগ করেছিল এবং আমার কাপড়ের জন্য তারা ভাগ্য পরীক্ষা করেছিল।”
২৫
সৈন্যরা এই সব করেছিল। যীশুর মা, তার মায়ের বোন, ক্লোপার স্ত্রী মরিয়ম এবং মগ্দলীনী মরিয়ম এই স্ত্রীলোকেরা যীশুর ক্রুশের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
২৬
যখন যীশু তাঁর মাকে দেখেছিলেন এবং যাকে তিনি প্রেম করতেন সেই শিষ্য কাছে দাঁড়িয়ে আছেন দেখে, তিনি তাঁর মাকে বললেন, “নারী, দেখ, এখানে তোমার ছেলে!”
২৭
তারপর তিনি সেই শিষ্যকে বললেন, “দেখ, এখানে তোমার মা!” সেই দিন থেকে ঐ শিষ্য তাঁকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গেলেন।
২৮
এর পরে যীশু জানতেন যে সব কিছু এখন শেষ হয়েছে, শাস্ত্রের বাক্য যেন পূর্ণ হয়, এই জন্য বললেন, “আমার পিপাসা পেয়েছে।”
২৯
সেই জায়গায় সিরকায় ভর্তি একটা পাত্র ছিল, সুতরাং তারা সিরকায় ভর্তি একটা স্পঞ্জ এসোব নলে লাগাল এবং এটা উঁচুতে তুলে তাঁর মুখে ধরল।
৩০
যখন যীশু সিরকা গ্রহণ করলেন, তিনি বললেন, “শেষ হল।” তিনি তাঁর মাথা নীচু করলেন এবং আত্মা সমর্পণ করলেন।
Settings

Reading Style

Typeface

Font Size 19px

Options