Skip to content
প্রেরিত ৮:২৭-৩৯

প্রেরিত ৮:২৭-৩৯

২৭
তাই তিনি যাত্রা শুরু করলেন আর, ইথিয়পীয় দেশের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা হলো, যিনি ইথিয়পীয়ের কান্দাকি রানীর রাজত্বের অধীনে নিযুক্ত উঁচু পদের একজন নপুংসক, যিনি রানীর প্রধান কোষাধ্যক্ষ ছিলেন, তিনি আরাধনা করার জন্য যিরূশালেমে এসেছিলেন;
২৮
ফিরে যাবার দিন, রথে বসে যিশাইয় ভাববাদীর বই পড়ছিলেন।
২৯
তখন পবিত্র আত্মা ফিলিপকে বললেন তুমি সেই ব্যক্তির রথের সঙ্গে সঙ্গে যাও।
৩০
তখন ফিলিপ রথের সঙ্গ নিলেন এবং শুনতে পেলেন, সেই ব্যক্তি যিশাইয় ভাববাদীর বই পড়ছিলেন; ফিলিপ বললেন, আপনি যা পড়ছেন, সে বিষয়গুলো কি বুঝতে পারছেন?
৩১
ইথিয়পীয় বললেন, কেউ সাহায্য না করলে, আমি কিভাবে বুঝব? তখন তিনি ফিলিপকে তাঁর রথে আসতে এবং তার সাথে বসতে অনুরোধ করলেন।
৩২
তিনি শাস্ত্রের যে অংশটা পড়ছিলেন, তা হলো, যেমন মেষ বলিদান করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়, তেমন তিনিও বলি হলেন এবং লোম ছাঁটাইকারীদের কাছে মেষ যেমন চুপ থাকে, তেমন তিনিও চুপ করে থাকলেন।
৩৩
তাঁর হীনাবস্তায় (অসহায়) তাঁকে বিচার করা হল, তাঁর সমকালীন লোকেদের বর্ণনা কে করতে পারে? কারণ তাঁর প্রাণ পৃথিবী থেকে নিয়ে নেওয়া হলো।
৩৪
নপুংসক ফিলিপকে জিজ্ঞাসা করলেন এবং প্রার্থনার সঙ্গে জানতে চাইলেন, ভাববাদী কার বিষয়ে এই কথা বলছেন? নিজের বিষয়ে না অন্য কারো বিষয়।
৩৫
তখন ফিলিপ শাস্ত্রের অংশ থেকে শুরু করে, প্রভু যীশুর সুসমাচার তাকে জানালেন।
৩৬
তাঁরা রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে একটি জলাশয়ের কাছে উপস্থিত হলেন; তখন নপুংসক বললেন, এই দেখুন, জল আছে, বাপ্তিষ্ম নিতে আমার বাধা কোথায়?
৩৭
পরে তিনি রথ থামানোর আদেশ দিলেন, ফিলিপ ও নপুংসক দুজনেই জলে নামলেন এবং ফিলিপ তাঁকে বাপ্তিষ্ম দিলেন।
৩৯
তাঁরা যখন জল থেকে উঠলেন, প্রভুর আত্মা ফিলিপকে নিয়ে চলে গেলেন এবং নপুংসক তাঁকে আর কখনো দেখতে পেলেন না, কিন্তু আনন্দ করতে করতে তাঁর বাড়ি চলে গেলেন।
Settings

Reading Style

Typeface

Font Size 19px

Options