মূল বিষয়বস্তুতে যান

গীত

কনের রাত্রিকালীন অনুসন্ধান

রাতের বেলা আমার বিছানায় আমার প্রাণের প্রিয়তমকে আমি খুঁজছিলাম; আমি তাঁকে খুঁজছিলাম, কিন্তু পেলাম না।
আমি নিজে নিজেকে বললাম, “আমি এখন উঠে শহরের মধ্যে ঘুরে বেড়াব, গলিতে গলিতে, মোড়ে মোড়ে; সেখানে আমি আমার প্রাণের প্রিয়তমকে খুঁজব,” আমি তাঁকে খুঁজছিলাম কিন্তু তাঁকে পেলাম না।
পাহারাদারেরা শহরে ঘুরে ঘুরে পাহারা দেবার দিন আমাকে দেখতে পেল। আমি তাদের জিজ্ঞাসা করলাম, “তোমরা কি আমার প্রাণের প্রিয়কে দেখেছ?”
তাদের পার হয়ে একটু এগিয়ে যেতেই আমি আমার প্রাণের প্রিয়কে দেখতে পেলাম। তাঁকে ধরে আমার মায়ের ঘরে না আনা পর্যন্ত আমি তাঁকে ছাড়লাম না; যিনি আমাকে গর্ভে ধরেছিলেন আমি তাঁরই ঘরে তাঁকে আনলাম।

অবিচ্ছিন্ন প্রেমের জন্য নিবেদন

হে যিরূশালেমের মেয়েরা, আমি কৃষ্ণসার ও মাঠের হরিণীদের নামে অনুরোধ করে বলছি, তোমরা ভালবাসাকে জাগিয়ো না বা উত্তেজিত কোরো না যতক্ষণ না তার উপযুক্ত দিন হয়।

শলোমনের মহিমান্বিত আগমন

গন্ধরসের ও সুগন্ধি ধূপের সুগন্ধ, বণিকের সব রকম দ্রব্যের গন্ধে সুগন্ধিত হয়ে ধোঁয়ার থামের মত মরুভূমি থেকে যিনি আসছেন তিনি কে?
দেখ, ওটা শলোমনের পালকী! ষাটজন বীর যোদ্ধা রয়েছেন সেই পালকীর চারপাশে; তাঁরা ইস্রায়েলের শক্তিশালী বীর।
তাঁদের সবার সঙ্গে আছে তলোয়ার, যুদ্ধে তাঁরা সবাই পাকা; তলোয়ার কোমরে বেঁধে নিয়ে তাঁরা প্রত্যেকে প্রস্তুত আছেন রাতের বিপদের জন্য।
রাজা শলোমন নিজের জন্য একটি পালকী তৈরী করেছেন লেবাননের কাঠ দিয়ে।
১০
সেই পালকীর খুঁটি রূপা দিয়ে তৈরী, তলাটা সোনার তৈরী ছিল এবং আসনটা বেগুনে রংয়ের কাপড়ের; যিরূশালেমের মেয়েরা ভালবেসে তার ভিতরের অংশে কারুকাজ করে দিয়েছে।

দেখ, মহিমায় রাজা

১১
হে সিয়োনের মেয়েরা, তোমরা বের হয়ে এস, দেখ, রাজা শলোমন মুকুট পরে আছেন; তাঁর বিয়ের দিনের, তাঁর জীবনের আনন্দের দিনের, তাঁর মা তাঁকে মুকুট পরিয়ে দিয়েছেন।
Use arrow keys to navigate
Settings

Reading Style

Typeface

Font Size 19px

Reading Width 45 chars

Options