বিশ্বাস১১
Listen to this chapter
0:00
0:00
উদারতা ও বিচক্ষণ বিনিয়োগ
১
তুমি জলের উপরে তোমার খাবার ছড়িয়ে দাও, কারণ তুমি তা আবার অনেকদিন পরে ফিরে পাবে।
২
তা সাতজনের সঙ্গে, এমনকি আটজন লোকের সঙ্গে ভাগ করে নাও, কারণ তুমি জানো না কি দুর্যোগ পৃথিবীতে আসতে চলেছে।
৩
যদি মেঘ বৃষ্টিতে পূর্ণ হয়, তারা তাদের পৃথিবীর ওপর খালি করবে এবং যদি একটা গাছ দক্ষিণে দিকে পড়ে বা উত্তর দিকে পড়ে, যে দিকেই সেই গাছ পড়ুক, সেখানেই এটা থেকে যাবে।
গড়িমসি অগ্রগতিতে বাধা দেয়
৪
যে কেউ বাতাস দেখে সে রোপণ করে না এবং যে কেউ মেঘ দেখে সে শস্য কাটবে না।
৫
যেমন তুমি জান না কোথা থেকে বাতাস আসবে, না জান কীভাবে বাচ্চার হাড় বৃদ্ধি পায় তার মায়ের পেটে, তেমনি তুমি ঈশ্বরের কাজ বুঝতে পার না, যে সব কিছু সৃষ্টি করেছে।
পরিশ্রমী কাজ ও ঈশ্বরের বিধানের উপর বিশ্বাস
৬
সকালে তুমি বীজ রোপণ কর; সন্ধ্যা পর্যন্ত, তোমার হাত দিয়ে কাজ কর যেমন প্রয়োজন, কারণ তুমি জান না কোনটা ভালো হবে, সকালের না সন্ধ্যার, অথবা এইটা বা ওইটা, অথবা নাকি তারা দুটোই একই ভাবে ভাল হবে।
জীবনের সাধারণ আনন্দ উপভোগ
৭
সত্যি আলো মিষ্টি এবং এটা একটা সুখকর বিষয় চোখের জন্য সূর্য্য দেখা।
৮
যদি কেউ অনেক বছর বাঁচে, তাকে সমস্ত বিষয়ে আনন্দ করতে দাও, কিন্তু তাকে আগামী দিনের অন্ধকারের বিষয়ে ভাবতে দাও, কারণ সেই দিন গুলো অনেক বেশি হবে। সবকিছু যা আসে অসারতা।
যৌবনের আনন্দ ও ঈশ্বরের বিচার
৯
যুবক, তোমার যৌবনকালে আনন্দ কর এবং তোমার যৌবনকালে তোমার হৃদয় আনন্দে পূর্ণ হোক। তোমার হৃদয়ের ভাল ইচ্ছায় এবং তোমার দৃষ্টিতে চল। যাইহোক, জান যে ঈশ্বর এ সমস্ত বিষয় ধরে তোমাকে বিচারে আনবেন।
যৌবনের অসারতা
১০
তোমার হৃদয় থেকে রাগকে দূর কর এবং তোমার দেহের যে কোন কষ্টকে উপেক্ষা কর, কারণ যৌবন এবং তার শক্তি অসার।
Use ← → arrow keys to navigate
Settings
Reading Style
Typeface
Font Size px
Reading Width chars
Options
Study Note