Skip to content

Hope সম্পর্কে বাইবেলের পদ: General references

15 টি পদ · 58 টি দিক

General references সম্পর্কে পদ

  1. কারণ তিনি যাকোবের মধ্যে নিয়মের আদেশ স্থাপন করিয়েছিলেন এবং ইস্রায়েলের মধ্যে ব্যবস্থা স্থাপন করিয়েছেন। তিনি আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে আদেশ দিয়েছিলেন যে তারা নিজেদের সন্তানদের তা শেখাবে।

  2. তিনি তা আদেশ করেছিলেন যেন পরবর্তী প্রজন্ম এই আদেশ জানতে পারে, যে সকল সন্তান এখনও জন্মায় নি, তারা তা জানতে পারে এবং তারা যেন আবার নিজের নিজের সন্তানদের কাছে বর্ণনা করতে পারে।

  3. তখন তারা তাদের আশা ঈশ্বরে স্থাপন করবে এবং তাঁর কাজ ভুলবে না কিন্তু তাঁর আদেশ সকল পালন করবে।

  4. কিন্তু আপনার কাছে আমি এই স্বীকার করি, এরা যাকে দল বলে, সেই পথ অনুসারে আমি পিতৃপুরুষদের ঈশ্বরের আরাধনা করে থাকি; যা যা মোশির বিধি ব্যবস্থা এবং ভাববাদী গ্রন্থে লেখা আছে, সে সব বিশ্বাস করি।

  5. আর এরাও যেমন অপেক্ষা করে থাকে, সেইরূপ আমিও ঈশ্বরে এই আশা করছি যে, ধার্মিক ও অধার্ম্মিক দু-ধরনের লোকের পুনরুত্থান হবে।

  6. ঈশ্বর আমার পূর্বপুরুষদের কাছে যে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তাতে আমি আশা রাখি বলে এখন আমার বিচার করা হচ্ছে।

  7. আমাদের বারো গোষ্ঠির লোকেরা দিন রাত মনপ্রাণ দিয়ে ঈশ্বরের উপাসনা করে সেই প্রতিজ্ঞার পূর্ণতা দেখবার আশায় আছে। মহারাজা, সেই আশার জন্যই ইহুদীরা আমাকে দোষ দিচ্ছে।

  8. তাঁরই মাধ্যমে আমরা বিশ্বাসে এই অনুগ্রহের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছি এবং আমরা ঈশ্বরের মহিমা পাবার আশায় আনন্দ করছি।

  9. শুধু এইটুকু নয়, কিন্তু আমরা বিভিন্ন দুঃখ কষ্টেও আনন্দ করছি, আমরা জানি যে দুঃখ কষ্ট ধৈর্য্যকে উত্পন্ন করে।

  10. ধৈর্য্য পরীক্ষায় সফল হতে এবং পরীক্ষার সফলতা আশাকে উৎপন্ন করে;

  11. আর প্রত্যাশা নিরাশ করে না, কারণ আমাদের দেওয়া তাঁর পবিত্র আত্মার মাধ্যমে ঈশ্বরের ভালবাসা আমাদের হৃদয়ে পূর্ণ করেছেন।

  12. কারণ আমাদের দৃঢ় আস্থা আছে যে পরিত্রান পেয়েছি। কিন্তু যে দৃঢ় আস্থা দেখতে পাচ্ছি তা আসলে আস্থা নয়। কারণ যে যা দেখে সে তার উপর কেন দৃঢ় আশা করবে?

  13. কিন্তু আমরা যা এখনো দেখতে পায়নি তার উপর যদি দৃঢ় আস্থা করি, তবে ধৈর্য্যের সঙ্গে তার আশায় থাকি।

  14. এই ব্যাপারে মিথ্যাকথা বলা ঈশ্বরের অসাধ্য, এমন অপরিবর্তনীয় দুই ব্যাপারের মাধ্যমে আমরা যারা প্রত্যাশা ধরবার জন্য তাঁর শরণার্থে ছুটে গিয়েছি যেন দৃঢ় আশ্বাস প্রাপ্ত হই।

  15. আমাদের সেই প্রত্যাশা আছে, তা প্রাণের নোঙরের মতো, অটল ও দৃঢ়। তা পর্দার আড়ালে স্বর্গীয় মন্দিরের পবিত্র স্থানে প্রবেশ করায়।