Skip to content

যেখরিয়া

পরে রাজা দারিয়াবসের রাজত্বের চতুর্থ বছরের কিষলেব নামে নবম মাসের চার দিনের দিন, এটি ঘটল যে, সদাপ্রভুর বাক্য সখরিয়ের কাছে উপস্থিত হল।
বৈথেলের লোকেরা শরেৎসরকে রেগম্মেলককে ও তাদের লোকদের সদাপ্রভুর দয়া ভিক্ষার জন্য, পাঠিয়ে দিল।
তারা বাহিনীদের সদাপ্রভুর গৃহের যাজকদের সঙ্গে এবং ভাববাদীদের সঙ্গে কথা বললেন; তারা বললেন, “যেমনভাবে আমি এত বছর করে এসেছি, সেইভাবে কি আমি এই পঞ্চম মাসে শোক প্রকাশ ও উপবাস করব?”
তখন বাহিনীদের সদাপ্রভুর এই বাক্য আমার কাছে উপস্থিত হল এবং তিনি বললেন,
“তুমি দেশের সব লোক ও যাজকদের বল, ‘তোমরা গত সত্তর বছর ধরে পঞ্চম ও সপ্তম মাসে যে শোক প্রকাশ ও উপবাস করেছ তা কি সত্যিই আমার উদ্দেশ্যে উপবাস ছিল?
কারণ যখন তোমরা খেয়েছ ও পান করেছ তখন কি তা তোমাদের নিজেদের জন্যই কর নি?
যখন যিরুশালেম ও তার আশেপাশের শহরগুলোতে লোকজন বাস করছিল ও সেগুলোর অবস্থার উন্নতি হয়েছিল আর দক্ষিণে ও পশ্চিমের নীচু পাহাড়ী এলাকায় লোকদের বসতি ছিল তখনও কি সদাপ্রভু এই সব কথা আগের ভাববাদীদের মাধ্যমে বলেন নি’?”
সদাপ্রভুর বাক্য সখরিয়ের কাছে উপস্থিত হল এবং তাঁকে বললেন,
বাহিনীদের সদাপ্রভু এই কথা বলেন, তোমরা ন্যায়ের সঙ্গে, বিশ্বস্ততার নিয়মে ও দয়ার সঙ্গে বিচার কর; প্রত্যেক ব্যক্তি তার ভাইয়ের জন্য এটি করুক;
১০
এবং বিধবা, অনাথ, বিদেশী ও গরিবদের উপর অত্যাচার কোরো না এবং কোনো ব্যক্তি মনে মনে একে অন্যের বিরুদ্ধে মন্দ চিন্তা কোরো না।
১১
“কিন্তু তারা মনোযোগ দিতে চায় নি; তারা জেদ করে তাদের কান বন্ধ করে রেখেছে যেন তারা না শুনতে পায়।
১২
তারা তাদের হৃদয় হীরের মত শক্ত করেছে ও ব্যবস্থা এবং বাক্য যা বাহিনীদের সদাপ্রভু পূর্বে তাঁর ভাববাদীদের মধ্য দিয়ে বলেছিলেন তা যেন না শুনতে হয়। তাই বাহিনীদের সদাপ্রভু খুবই রেগে গিয়েছিলেন।
১৩
এটি ঘটেছিল যে, যখন তিনি ডেকেছিলেন তারা শোনে নি। একইভাবে, বাহিনীদের সদাপ্রভু বলেন, ‘তারাও ডাকবে কিন্তু আমি শুনব না।
১৪
কারণ আমি তাদেরকে ঘূর্ণিঝড় দিয়ে যাদের তারা চেনে না সেই অচেনা জাতিদের মধ্যে তাদের ছড়িয়ে দেব। এবং তাদের পরে সেই দেশকে নির্জন স্থানে পরিণত করব, কারণ তার পাশ দিয়ে কেউ যাবে না বা সেই দেশে কেউ ফিরে যাবে না, কারণ তারা সেই সুন্দর দেশটাকে নির্জন স্থানে পরিণত করেছে’।”
Use arrow keys to navigate
Settings

Reading Style

Typeface

Font Size 19px

Options